মুক্তমন রিপোর্ট : আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) লাল বলের আসর। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস যাচাইয়ে মঙ্গলবার প্রথম ধাপে পরীক্ষা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
প্রথম দিনে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ক্রিকেটাররা ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় ১০ জনের বেশি ক্রিকেটার নির্ধারিত মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
তবে প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ায় তাদের এনসিএল খেলার পথ বন্ধ হচ্ছে না। পুনরায় ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা।
বিসিবির ট্রেনার ইফতেখার ইফতি জানিয়েছেন, কোনো ক্রিকেটার পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে বা অসুস্থতার কারণে অংশ নিতে না পারলে ১০ দিন পর আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেবারও কেউ উত্তীর্ণ হতে না পারলে আরও ১০ দিন পর তৃতীয়বার সুযোগ দেওয়া হবে।
ইফতি বলেন, যারা ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করা হবে। ফিটনেস উন্নতিতে ট্রেনারদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো ক্রিকেটার এনসিএলে খেলতে পারবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত বোর্ড নেবে।
এবার ফিটনেস পরীক্ষায় একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান ইফতেখার ইফতি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গ্রুপের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.২০ মিনিট। পেসারদের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভবিষ্যতে এই মানদণ্ড ধীরে ধীরে পরিবর্তন করা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন বিসিবির এই ট্রেনার।
ক্রিকেটারদের ফিটনেস ধরে রাখতে খাদ্যাভ্যাসের ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন ইফতি। তার মতে, ক্রিকেটাররা সাধারণত ফিটনেস নিয়ে সচেতন থাকলেও অনেক সময় সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে খাবারের ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।
বিশেষ করে দেশের বাইরে খেলতে গেলে নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ম্যাচ ও অনুশীলনের চাপের সঙ্গে খাবারের অভ্যাস ঠিক না থাকলে ফিটনেসে তার প্রভাব পড়তে পারে বলেও জানান এই ট্রেনার।
জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সামগ্রিক ফিটনেসে উন্নতি দেখছেন বলেও জানান ইফতেখার ইফতি। তবে খাদ্যাভ্যাস, প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা এবং ট্রেনারদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয়ের জায়গাগুলোতে আরও কাজ করা গেলে ক্রিকেটারদের কাছ থেকে আরও ভালো ফল পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
Muktomon/TA