মুক্তমন রিপোর্ট : বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের জন্য সম্পূরক চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। নতুন অর্ডারে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার ও ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ রয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি সই হয়। বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনসহ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বোয়িং জানিয়েছে, চলতি বছর বিমানের এটি দ্বিতীয় ক্রয়াদেশ। এর আগে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। নতুন ১১টি যুক্ত হলে বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭ ম্যাক্স পরিবারের উড়োজাহাজের জন্য বিমানের মোট অর্ডার ২৫টিতে দাঁড়াবে।
বিমানের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, নতুন সম্পূরক চুক্তি বিমানের বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসা ও পর্যটনের প্রয়োজন বিবেচনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
বোয়িংয়ের কর্মকর্তা ব্র্যাড ম্যাকমুলেন বলেন, অতিরিক্ত ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ বিমানের বহর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনাকে সহায়তা করবে। নতুন উড়োজাহাজগুলো বিমানের বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে পরিচালনাগত সামঞ্জস্যও বজায় রাখবে।
বোয়িংয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ বিমানের একক-আইল নেটওয়ার্কে বেশি দূরত্ব অতিক্রমের সক্ষমতা দেবে। অন্যদিকে ৭৮৭-১০ উড়োজাহাজ তুলনামূলক বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতার মাধ্যমে বিমানের বিদ্যমান ৭৮৭-৯ ও ৭৮৭-৮ বহরকে সম্পূরক করবে।
Muktomon/TA