মুক্তমন রিপোর্ট : আফগানিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেটে অংশ না নিলেও দেশটির নতুন টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ইংলিশ ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দেবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ (এপিএল) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অনুমোদন পেলে আগ্রহী ক্রিকেটারদের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া হবে।
এপিএলের প্রথম আসর আগামী ২৭ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। উদ্বোধনী মৌসুমের ম্যাচগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে টুর্নামেন্টটি পরিচালনা করছে ট্রান্স গ্রুপ ও আইটিডব্লিউ ইউনিভার্স। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আইসিসির অনুমোদন প্রয়োজন।
আফগানিস্তানের নারী ক্রিকেট দল না থাকায় দেশটির বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসিবি। এ কারণে এপিএলে ইংলিশ ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটকে এই নীতির বাইরে রাখছে ইসিবি।
অর্থাৎ আফগানিস্তানের জাতীয় দলের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ এবং দেশটির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে আলাদা বিষয় হিসেবে দেখছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড। ফলে প্রয়োজনীয় এনওসি পেলে ইংলিশ ক্রিকেটাররা এপিএলে অংশ নিতে পারবেন।
এপিএলের জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন ইংলিশ ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন অলি পোপ ও লুক উড। দুজনেরই ২০২৫-২৬ মৌসুমের ইসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি রয়েছে। এছাড়া জেমস ভিন্স, মঈন আলী, জেসন রয়, রিস টপলি, টম কোহলার-ক্যাডমোর ও লরি ইভান্সও নিবন্ধন করেছেন।
এদিকে এপিএলের খেলোয়াড় ড্রাফট নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে আগামী ২৪ অক্টোবর ড্রাফট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আইসিসির অনুমোদন পাওয়ার পরই ড্রাফট ও দল গঠনের পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।
এপিএলের প্রথম আসর ডিসেম্বরের শেষ দিকে হওয়ায় ইংল্যান্ডের ঘরোয়া মৌসুমের সঙ্গে এর সময়সূচিতে বড় ধরনের সংঘাতও নেই। ফলে ইংলিশ ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সূচিগত বড় কোনো বাধা থাকছে না।
Muktomon/TA