মুক্তমন রিপোর্ট : শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও এ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ।
২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় অনুযায়ী এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ এতে সই করেন।
সমঝোতা স্মারকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় এর প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশই জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তির সম্ভাব্য ভূমিকা স্বীকার করেছে।
এতে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মানের পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা, সেফগার্ডস এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধের নীতি অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।
সমঝোতা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস চুক্তি ও অতিরিক্ত প্রটোকল কার্যকর রয়েছে। দুই দেশই পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধসংক্রান্ত চুক্তি (এনপিটি)-এর পক্ষভুক্ত।
দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির উৎস সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্য আনার বাংলাদেশের উদ্যোগের মধ্যেই নতুন এ সমঝোতা হলো। বাংলাদেশ রাশিয়ার সহযোগিতায় রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। একই সঙ্গে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি খাতে বৃহত্তর সহযোগিতা নিয়ে আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই করেছিল। নতুন সমঝোতাটি বিশেষভাবে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা ও পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের ওপর কেন্দ্রীভূত।
Muktomon/TA