আইন-অপরাধনির্বাচনরাজনীতিসারাদেশ

নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা চাই যাত্রী কল্যাণ সমিতি

মুক্তমন রিপোর্ট : সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়—এই বাস্তবতার মধ্যে স্থানীয় যাত্রী সংগঠনগুলো নির্বাচন ও নীতিনির্ধারণে সড়ক নিরাপত্তার গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এমনই একটি দাবি তুলে ধরেছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা ও উন্নত গণপরিবহনের অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত করার জন্য।

সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে অদূরদর্শিতা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের কিছু অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনায় ঘাটতি ও ছোট যানবাহন নির্ভর ব্যবস্থা সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিয়ন্ত্রণহীন করে তুলেছে, যার ফলশ্রুতিতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত দুর্ভোগ অতিরিক্ত বেড়েছে।

সংগঠনটি বিশেষ করে শহর ও শহরতলীর বাস যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ভাঙা, অরাজকতা, ভাড়া নৈরাজ্য ও সড়ক বিশৃঙ্খলার মতো সমস্যা তুলে ধরে থমকে যাওয়া নাগরিক গণপরিবহন ব্যবস্থার সংস্কারের আহ্বান জানায়। সড়ক দুর্ঘটনা ঠেকাতে ও মানুষের প্রাণহানি রোধ করতে ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা এবং উন্নত গণপরিবহনের নিশ্চয়তা থাকা জরুরি বলে তারা মনে করে।

এই দাবি সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে এসেছে যখন দেশের বিভিন্ন সড়ক নিরাপত্তা ও পথচারী সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট সংগঠনও নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির আহ্বান করছে। উদাহরণস্বরূপ, একই সময়ে অন্য সংগঠনও নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তা আইন ও প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্তির উপর জোর দিয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল, মালিক ও শ্রমিক সংগঠন ও নাগরিক সমাজ একযোগে কাজ করলে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা কমানো সম্ভব। নির্বাচনী ইশতেহারগুলোতে এমন প্রতিশ্রুতি রাখলে পরবর্তী সরকারের জন্য নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণও সহজ হবে বলে তাদের ধারণা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button