বিএমইউতে ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিপিএ ও ই-জিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা


মুক্তমন ডেস্ক : বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এ ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট এ্যাক্ট (পিপিএ) ২০০৬, পিপিআর ২০২৫ এবং ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৬ মে ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। সভাপতিত্ব করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ই-জিপি বিষয়ক কনসালটেন্ট অধ্যাপক আবু সৈয়দ মজুমদার।
বিএমইউর পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাফা কামাল এবং প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সার্বিক সহায়তা করেন অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. মাসুদ আলম, নাছির উদ্দিন ভূঁঞা এবং মোহাম্মদ বদরুল হুদা। দিনব্যাপী এ কর্মশালায় ৫৩ জন শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ই-জিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, অর্থবছরের শেষ দিকে তাড়াহুড়ো করে ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গিয়ে ভুলভ্রান্তির ঝুঁকি বাড়ে। তাই সময়মতো পরিকল্পনা ও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, পিপিএ, পিপিআর এবং ই-জিপি বিষয়ক এই প্রশিক্ষণ দুর্নীতি ও অনিয়ম কমাতে সহায়ক হবে এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।
তারা আরও বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্পেসিফিকেশন নির্ধারণের ক্ষেত্রে তা হতে হবে নির্ভুল, পূর্ণাঙ্গ এবং বাস্তবসম্মত, যাতে ভবিষ্যতের প্রয়োজনও বিবেচনায় থাকে।
কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, চিকিৎসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



