গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

এক দিনে দুই জয় বাংলাদেশের কিশোরদের। কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে হারানোর পর সেমিফাইনালে গ্যাবনকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ফাইনালে ওঠার পথে জয়সূচক গোলটি করেন রাতুল।

মুক্তমন স্পোর্টস ডেস্ক : ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে দারুণ সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলাররা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সেমিফাইনালে গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এর আগে একই দিনে কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে দলটি।

গ্যাবনের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক রাতুল। তাঁর করা একমাত্র গোলেই ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাতে বাংলাদেশের কিশোররা। টানা দুই ম্যাচে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে দলটি।

এক দিনে দুই জয়, ফাইনালে বাংলাদেশের কিশোররা

কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই সেমিফাইনালে গ্যাবনের মুখোমুখি হয় দলটি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ে রাতুলের গোল শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দেয়।

ফাইনালে ওঠার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার আরও একটি সুযোগ পেল বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলাররা। এখন তাদের লক্ষ্য শিরোপা জিতে টুর্নামেন্ট শেষ করা।

শুরুটা ছিল কঠিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ

টুর্নামেন্টের শুরুতে অবশ্য খুব একটা ধারাবাহিক ছিল না বাংলাদেশের পারফরম্যান্স। ওয়েলসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে দলটি। পরের ম্যাচে পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হারে বাংলাদেশের কিশোররা।

এরপর ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে বুরুন্ডির কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয় দলটি। তবে ফিজির বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ।

টাইব্রেকারেও দারুণ লড়াই

টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বেও কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। শেষ ৩২ দলের লড়াইয়ে সিশেলসের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হলে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

শেষ ষোলোর ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে সমতা ছিল। পরে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ।

এরপর মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে দলটি। আর গ্যাবনের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় এনে দেয় ফাইনালের টিকিট।

এবার শিরোপার অপেক্ষা

গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে নকআউট পর্বে একের পর এক জয় বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। বিশেষ করে চাপের ম্যাচে টাইব্রেকারে জয় এবং পরপর দুই ম্যাচে গোল হজম না করে জেতা দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ কে হবে এবং শিরোপার লড়াই কখন অনুষ্ঠিত হবে, তা নিশ্চিত হলে টুর্নামেন্টের পরবর্তী সূচি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

তথ্যসূত্র: আমার দেশ অনলাইনে প্রকাশিত ক্রীড়া প্রতিবেদন।