নির্বাচনবৃহত্তর উত্তরা

ঢাকা-১৮ আসনে আরিফুল ইসলামের বিজয় নিশ্চিত, শুধু রায়ের অপেক্ষা: সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘ঢাকা-১৮ আসনে শাপলা কলি প্রতীকের পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আরিফুল ইসলামের বিজয় সুনিশ্চিত। জনগণ ইতোমধ্যেই তাদের রায় দিয়ে দিয়েছে। এখন কেবল আগামী ১২ তারিখে সেই চূড়ান্ত রায়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি।’

সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টায় উত্তরার মুগ্ধ মঞ্চে উত্তরা ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ঢাকা ১৮ মিটস দ্য জুলাই হিরোস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, রাত ৯টায় উত্তরার ১২/১৩ মোড় থেকে আরিফুল ইসলাম ও সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি মুগ্ধ মঞ্চে এসে শেষ হয়।

সাদিক কায়েম বলেন, ‘আরিফুল ইসলাম ভাই দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তিনি সামনে থেকে ও নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও কারফিউয়ের মতো সংকটময় সময়ে তিনি সবার সঙ্গে সমন্বয় করেছেন। এছাড়া জুলাই পরবর্তী দেড় বছর তিনি সবসময় জনতার কাতারেই ছিলেন। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কথা বলেছেন এবং নতুন বাংলাদেশ ও নতুন রাজনীতি বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘আরিফুল ইসলাম উত্তরার মাটি ও মানুষের নেতা। তিনি এই এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন এবং উত্তরাবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তাই আরিফুল ইসলাম ভাইকে বিজয়ী করে ১১ দলীয় জোটের নেতা ও আগামীর প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমানকে এই আসনটি উপহার দিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা কথা ও কাজের মিল দেখেই সিদ্ধান্ত নেবে। যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করবে, সংস্কারের পক্ষে থাকবে এবং চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মামলা বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করবে- তাদেরকেই তরুণরা ভোট দিবে।’

সাদিক কায়েম বলেন, ‘যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেড় বছর ধরে চাঁদাবাজি করেছে, পাথর মেরে মানুষ হত্যা করেছে, আমাদের বোনদের ধর্ষণ ও হত্যা করেছে- তাদের ওপর জনগণের আর কোনো আস্থা নেই। তরুণ সমাজ তাদের বিশ্বাস করবে না।’

তিনি বলেন বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণরা ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে- তারা ১১ দলীয় জোটকে বিজয়ী করে সংসদে পাঠাবে, ইনশাআল্লাহ। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তারা ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তা প্রমাণ করেছে। আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও পরাজয়ের ভয়ে ষড়যন্ত্র করে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button