বিএনপি কর্মী হত্যা: হাসিনা-জয়সহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বিএনপি কর্মী হত্যা: হাসিনা-জয়সহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় গুলিতে বিএনপির কর্মী জাহিদ হোসেন রাব্বী নিহতের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালতে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাব্বীর মামা যুবদলের খিলগাঁও থানা ঝিলপাড় ইউনিটের সদস্য নাঈম কলিমুল্লাহ সরকার মামলার আবেদন করেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিপন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী নভেম্বর মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, পরিবেশ বনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী, বস্ত্র পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবীর নানক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বেসরকারি বিমান পরিবহন পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, শাজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, . আব্দুর রাজ্জাক।

 

আরও রয়েছেন- সাবেক অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল, সাবেক তিন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, মোহাম্মদ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক তিন সিটি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, আতিকুর রহমান জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক এমপি মাহবুব-উল-আলম হানিফ, শেখ হেলাল, বাহাউদ্দিন নাছিম, মির্জা আযম, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, নূর মোহাম্মদ, সাইফুজ্জামান শেখর, নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন, নজরুল ইসলাম বাবু, ডা. হাবিব মিল্লাত।

এছাড়াও সাবেক মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব হারুন অর রশীদ বিশ্বাস, সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস, আবুল ফজল মীর বাদল, সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা শিউলিকেও আসামি করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সাবেক চার আইজিপি- শহীদুল হক, বেনজীর আহম্মেদ, জাবেদ পাটোয়ারী, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, এনটিএমসির সাবেক ডিজি জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া হাবিবুর রহমান, ডিবির সাবেক প্রধান হারুন-অর-রশীদ, সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম, আব্দুল কাহার আকন্দেরও নাম আছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, রাব্বী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি একজন ফটোগ্রাফার গ্রাফিক্স ডিজাইনার। ২০২৪ সালের অগাস্ট খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন রাব্বী। দুপুর ২টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। তাকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাব্বীকে মৃত ঘোষণা করেন।