মুক্তমন রিপোর্ট : প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনষ্ট করে পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনো ধরনের পর্যটন বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে না বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তিনি বলেন, পরিবেশকে সঙ্গে নিয়েই পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। পরিবেশ অক্ষত রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে সরকার কাজ করবে।
রাঙামাটি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
দুর্নীতি প্রসঙ্গে মীর হেলাল বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোথাও দুর্নীতির আলামত বা প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করে পার্বত্য অঞ্চলকে অন্যতম সমৃদ্ধ ও সম্প্রীতির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আমাদের দলের আদর্শিক নেতা ও প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তিনি সরকারবিরোধীদের সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা করার পথ খুলে দিয়েছিলেন এবং আমি মনে করি এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। ওরা সমালোচনা করবে, আমরা তার জবাব দেব।”
লংমার্চে এক হাজার গাড়ি ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, “শুনলাম তারা লংমার্চে এক হাজার গাড়ি নিয়ে যাচ্ছে। যে বিষয়টির বিরুদ্ধে তারা লংমার্চ করছে, অর্থাৎ জ্বালানি নেই; কিন্তু এই লংমার্চে তারা এক হাজার গাড়িতে দুই লাখ লিটার জ্বালানি খরচ করবে। তবে এতে আমাদের জ্বালানি খাতে কিছু আয় হবে।”
সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপু, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অলি আহাদ ও সাধারণ সম্পাদক নাইমুল ইসলাম রনিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।