জোর সংসদীয় কূটনীতি ও ই-পার্লামেন্টে

ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নে ভারতের সহযোগিতা চাইলেন ডেপুটি স্পীকার

Photo : PID
Photo : PID

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, সংসদীয় কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পীকারের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সংসদীয় যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয়পক্ষ।

বৈঠকের শুরুতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের নকশায় নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলীর প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পারস্পরিক স্বার্থের বন্ধনে দুই দেশ আবদ্ধ। এ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে সংসদীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, নিয়মিত মতবিনিময় এবং দুই দেশের পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদের পারস্পরিক সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভারতের পার্লামেন্টকে একটি আধুনিক সংসদীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে একজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানকে পাওয়া সংসদীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলেও উল্লেখ করেন ডেপুটি স্পীকার।

তিনি বলেন, দুই দেশের সংসদীয় যোগাযোগ এবং বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরিতে ভারতীয় হাইকমিশনার সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি আশা করেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় কূটনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হলে তা দুই দেশের জন্য অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্মে পরিণত হতে পারে।

সাক্ষাৎকালে জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার, পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক আস্থা, স্থিতিশীলতা ও বিশ্বাসের জায়গা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয়পক্ষ।

এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।