মুক্তমন রিপোর্টার : হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের আশঙ্কায় দেশটির কয়েকটি কৌশলগত স্থাপনায় সীমিত হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে তিনজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানি দ্বীপগুলোতে রাডার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে তেহরান।
মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এসব সামরিক সক্ষমতা পুনরায় শক্তিশালী করতে পারলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে ইরান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সম্ভাব্য সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন ঠেকাতে সীমিত হামলার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। গত সপ্তাহে তৈরি করা ওই পরিকল্পনার প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সমর্থন জানিয়েছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তবে পরিকল্পনাটিতে এখনো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদন রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
গত রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার পরও ট্রাম্প তাৎক্ষণিকভাবে নতুন হামলার অনুমোদন দেননি। তবে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং ইরানের সামরিক তৎপরতার কারণে তিনি এখন অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই মাসে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইরানি সামরিক স্থাপনায় হামলা, সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণ এবং বাণিজ্যিক জাহাজকে সামরিক পাহারা দেওয়ার মাধ্যমে এই অবস্থান তৈরি হয়েছে।
এর ফলে হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারসহ বিভিন্ন জাহাজের চলাচল আগের তুলনায় বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের জাহাজে হামলার সক্ষমতাও কিছুটা কমেছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরান এখন আবারও সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।
সম্প্রতি একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় মার্কিন একটি F-35 যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন যুদ্ধবিমানটির জন্য কার্যকর হুমকি তৈরি করতে পারেনি। তারপরও ঘটনাটিকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।
সেন্টকম প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রেসিডেন্টের দপ্তরকে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক পদক্ষেপ প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্টকমের পক্ষ থেকে নতুন হামলার সুপারিশ করা হলেও প্রেসিডেন্টের দপ্তর শুরুতে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে চেয়েছিল।
তবে ইরান জর্ডানে নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের হিসাব বদলাতে শুরু করেছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ঠেকাতে সীমিত হামলার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
তবে শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হামলার অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
রমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের আশঙ্কায় দেশটির কয়েকটি কৌশলগত স্থাপনায় সীমিত হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে তিনজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানি দ্বীপগুলোতে রাডার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে তেহরান।
মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এসব সামরিক সক্ষমতা পুনরায় শক্তিশালী করতে পারলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে ইরান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সম্ভাব্য সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন ঠেকাতে সীমিত হামলার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। গত সপ্তাহে তৈরি করা ওই পরিকল্পনার প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সমর্থন জানিয়েছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তবে পরিকল্পনাটিতে এখনো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদন রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
গত রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার পরও ট্রাম্প তাৎক্ষণিকভাবে নতুন হামলার অনুমোদন দেননি। তবে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং ইরানের সামরিক তৎপরতার কারণে তিনি এখন অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই মাসে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইরানি সামরিক স্থাপনায় হামলা, সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণ এবং বাণিজ্যিক জাহাজকে সামরিক পাহারা দেওয়ার মাধ্যমে এই অবস্থান তৈরি হয়েছে।
এর ফলে হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারসহ বিভিন্ন জাহাজের চলাচল আগের তুলনায় বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের জাহাজে হামলার সক্ষমতাও কিছুটা কমেছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরান এখন আবারও সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।
সম্প্রতি একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় মার্কিন একটি F-35 যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন যুদ্ধবিমানটির জন্য কার্যকর হুমকি তৈরি করতে পারেনি। তারপরও ঘটনাটিকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র।
সেন্টকম প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রেসিডেন্টের দপ্তরকে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক পদক্ষেপ প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্টকমের পক্ষ থেকে নতুন হামলার সুপারিশ করা হলেও প্রেসিডেন্টের দপ্তর শুরুতে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে চেয়েছিল।
তবে ইরান জর্ডানে নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের হিসাব বদলাতে শুরু করেছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ঠেকাতে সীমিত হামলার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
তবে শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হামলার অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।