মুক্তমন রিপোর্ট: গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট সেবায় গতি আনতে এবং সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানি কমাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে অফিসের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অফিসের সার্বিক পরিবেশ ও সেবা কার্যক্রম নিয়ে তারা সন্তুষ্ট।
নবীনবাগ এলাকার বাসিন্দা গৌরাঙ্গ শীল বলেন, “পাসপোর্টের কাজে এসে এখানকার পরিবেশ খুব ভালো মনে হয়েছে। কর্মকর্তারা সহযোগিতা করছেন। সেবার পরিবেশও বেশ শৃঙ্খলাপূর্ণ মনে হয়েছে।”
অফিস সূত্রে জানা গেছে, ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই থেকে শুরু করে পাসপোর্ট বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা হচ্ছে। সেবাপ্রত্যাশীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।
দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভর না করে সরাসরি সরকারি নিয়মে পাসপোর্টের আবেদন করার জন্য নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দিলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সেবা পাওয়া সম্ভব বলেও জানানো হয়েছে।
গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নাহিদ নেওয়াজ বলেন, “নাগরিকদের হয়রানিমুক্ত, স্বচ্ছ ও দ্রুত ই-পাসপোর্ট সেবা দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করলে দালালের কোনো প্রয়োজন নেই। সেবাপ্রত্যাশীদের সরাসরি অফিসে এসে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সেবা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি সেবা পেতে দালালের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নাগরিকদের সরাসরি সেবাকেন্দ্রে আসার প্রবণতা তৈরি করা গেলে হয়রানি কমার পাশাপাশি সরকারি সেবাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়বে।
দালালমুক্ত পরিবেশ, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।