মুক্তমন রিপোর্ট : পেশাজীবীদের অধিকার ও স্বাধিকার রক্ষায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিইএব) সবসময় জাগ্রত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদানকালে ডিইএবের নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নেতৃবৃন্দ মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন। এ সময় তারা বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর দেশের এক চরম ক্রান্তিকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বীর রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়।
তাদের মতে, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা এবং পেশাজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন এবং পেশাজীবীদের স্বাধিকার রক্ষায় ডিইএবও জাগ্রত থাকবে।
শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন ডিইএবের সদস্যসচিব প্রকৌশলী কাজী সাখাওয়াত হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন, সদস্য প্রকৌশলী সেলিমুর রহমান সেলিম, প্রকৌশলী মো. আশরাফুল হোসেন শাকিল, প্রকৌশলী মো. রাসেল, প্রকৌশলী মো. সৈকতসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ডিইএবের নেতারা বলেন, দেশ ও জাতির চরম সংকটকালে দুঃশাসনের মধ্যে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেও বিএনপি দুর্বার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। এ সময় দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে জেল, জুলুম, হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
তারা বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও দলের পাশে ছিলেন। তারা আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি পেশাজীবীদের নিয়ে রাজপথের কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা এখনো প্রকৌশলীদের স্বাধীনতা ও স্বাধিকার রক্ষায় জাগ্রত রয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। পেশাজীবীদের উন্নয়নে তারা বাতিঘর হিসেবে কাজ করে যাবেন।
ডিইএব নেতারা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন শহীদ জিয়াউর রহমান প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি দলের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি। এই ভিত্তির ওপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন।
তারা পেশাজীবীদের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংগঠনের কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।