মন্ত্রিসভায় আসছেন আরও দুই নতুন মুখ

  ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছবিটির শেষ দুই দিনের শুটিং চলছিল। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী একটি জটিল অ্যাকশন সিকোয়েন্সের দৃশ্য ধারণের কাজ করছিলেন কার্তিক। দক্ষ ও পেশাদার অ্যাকশন কোচের অধীনে দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ নেওয়া সত্ত্বেও স্টান্ট করার একপর্যায়ে হাঁটুতে মারাত্মকভাবে আঘাত পান এই অভিনেতা।  আরও পড়ুন মেয়ে সোনাক্ষীকে ট্রল করা নিয়ে সরব শত্রুঘ্ন সিনহা জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২ : ফিরছে তিন বন্ধুর গল্প এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মায়ের মৃত্যু, শোক কাটিয়ে ভুবন এখন তারকা বিজ্ঞাপন   দুর্ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত শুটিং স্থগিত করে তাকে মুম্বাইয়ের ‘ফোর্টিস রাহেজা’ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রযোজনা সংস্থা জানিয়েছে, চিকিৎসকরা দ্রুত তার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করবেন। সার্জারির পর চিকিৎসকদের কড়া নির্দেশনায় বেশ কিছুদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে কার্তিককে। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার পরই তিনি আবার শুটিং ফ্লোরে ফিরবেন এবং অনুরাগ বসুর পরবর্তী নতুন সিনেমার কাজ শুরু করবেন।  ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর দুর্দান্ত সাফল্যের পর কবীর খান ও কার্তিক আরিয়ান জুটির এটি দ্বিতীয় কাজ। ছবিটিতে প্রযোজক হিসেবে যুক্ত রয়েছে কার্তিকের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ডোপামিন স্টুডিওস’। এছাড়া বর্তমানে কার্তিকের হাতে রয়েছে ‘নাগজিলা’ ও ‘ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া’-র মতো  বিগ বাজেটের আলোচিত প্রজেক্ট। make seo ,meta description ,meta title ,keyword in coma with smart title rewrite this news for muktomon online portal news ,alt ,tag  ChatGPT said: নিচে Muktomon Online Portal-এর জন্য SEO-ফ্রেন্ডলি করে শিরোনাম, নিউজ কপি, মেটা ডেটা, কীওয়ার্ড, ট্যাগ ও ALT টেক্সট সাজিয়ে দিলাম।  শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত    শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত বিনোদন ডেস্ক  বলিউড অভিনেতা {"fallbackMarkdown":"Kartik Aaryan","reference":{"alt":"Kartik Aaryan","category":"known_celebrity","extra_params":{"disambiguation":"Indian actor"},"name":"Kartik Aaryan","prompt_text":"Kartik Aaryan","status":"done","type":"entity"},"referenceKey":"0","showLoginRequiredCard":false} শুটিং সেটে গুরুতর আহত হয়েছেন। কবীর খানের নতুন সিনেমার একটি হাই-অক্টেন অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান তিনি। আঘাতের পর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কবীর খানের নতুন সিনেমার শেষ দুই দিনের শুটিং চলছিল। পূর্বপরিকল্পিত একটি জটিল অ্যাকশন সিকোয়েন্সের দৃশ্য ধারণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হন কার্তিক। দীর্ঘদিন পেশাদার অ্যাকশন কোচের অধীনে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও স্টান্টের একপর্যায়ে তার হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লাগে।  দুর্ঘটনার পরপরই শুটিং বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে কার্তিককে মুম্বাইয়ের ফোর্টিস রাহেজা হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা হবে। সার্জারির পর কিছুদিন তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে বলে জানা গেছে।  চিকিৎসকদের ছাড়পত্র ও পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পরই আবার শুটিংয়ে ফিরবেন কার্তিক। ফলে অনুরাগ বসুর পরবর্তী সিনেমার কাজও তার সুস্থতার ওপর নির্ভর করবে।  ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার সাফল্যের পর কবীর খান ও কার্তিক আরিয়ানের এটি দ্বিতীয় কাজ। নতুন সিনেমাটিতে প্রযোজক হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন কার্তিকের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ডোপামিন স্টুডিওস’।  এদিকে কার্তিক আরিয়ানের হাতে রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি আলোচিত সিনেমা। এর মধ্যে ‘নাগজিলা’ ও ‘ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া’ উল্লেখযোগ্য। শুটিং সেটে তার এই দুর্ঘটনার খবরে ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।  SEO Meta Title: শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, হবে জরুরি অস্ত্রোপচার  Meta Description: কবীর খানের নতুন সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে হাঁটুতে গুরুতর চোট পেয়েছেন কার্তিক আরিয়ান। হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতার জরুরি অস্ত্রোপচার হবে।  Focus Keywords: কার্তিক আরিয়ান, কার্তিক আরিয়ান আহত, Kartik Aaryan injured, কার্তিক আরিয়ানের অস্ত্রোপচার, কার্তিক আরিয়ান শুটিং, কবীর খান, বলিউড খবর, কার্তিক আরিয়ান সিনেমা, চান্দু চ্যাম্পিয়ন, কার্তিক আরিয়ান নতুন সিনেমা  SEO Tags: কার্তিক আরিয়ান, Kartik Aaryan, কার্তিক আরিয়ান আহত, বলিউড, বলিউড নিউজ, কবীর খান, চান্দু চ্যাম্পিয়ন, নাগজিলা, ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া, বিনোদন সংবাদ, সিনেমা খবর, Bollywood News  Image ALT: শুটিং সেটে আহত বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান  Image Caption: শুটিং সেটে অ্যাকশন দৃশ্যের সময় আহত কার্তিক আরিয়ান    You said:  muktomon reporter  ChatGPT said: আপনি যদি “বিনোদন ডেস্ক”-এর বদলে “মুক্তমন রিপোর্টার” রাখতে চান, তাহলে নিউজের বাইলাইন হবে:  মুক্তমন রিপোর্টার  এবং শিরোনামটি আরও স্মার্টভাবে হতে পারে:  শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত    You said:  কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার ওপর হামলার ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩৩ কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার ওপর হামলার ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের কুষ্টিয়ায় জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করেছে জামায়াত ইসলামী।  বিজ্ঞাপন   শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়। এ সময় কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ আমির হামজা উপস্থিত ছিলেন।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার কটূক্তির বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে জেলা গণঅধিকার পরিষদ।   এ সময় সংসদ সদস্য আমির হামজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি শেষে গাড়িযোগে নিজ বাড়ি ফেরার সময় ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করছিলেন। তখন জামায়াতের নেতাকর্মী ও গণধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলা চালানো হয় এমপি আমির হামজার গাড়িতে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন।   বিজ্ঞাপন   এ বিষয়ে এমপি আমির হামজা অভিযোগে জানান, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়।  তিনি বলেন, ভিডিও দেখে হামলার সঙ্গে যারা জড়িত চিনেছেন তাদের নামেই এজাহার দায়ের করা হয়েছে।  এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি এজাহার পেয়েছেন তারা। তদন্ত সাপেক্ষে নেবেন আইনগত ব্যবস্থা।  ChatGPT said: নিচে Muktomon Online Portal-এর স্টাইলে সম্পাদনা করে দিলাম। বাইলাইন রাখা হয়েছে মুক্তমন রিপোর্টার।  কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগ, থানায় এজাহার    কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগ, থানায় এজাহার মুক্তমন রিপোর্টার, কুষ্টিয়া  কুষ্টিয়ায় জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এজাহারটি দায়ের করা হয়। এ সময় কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা উপস্থিত ছিলেন।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে জেলা গণঅধিকার পরিষদ।  এদিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি শেষে গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন সংসদ সদস্য আমির হামজা। তিনি ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করার সময় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে।  সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।  এজাহারে এমপি আমির হামজা অভিযোগ করেন, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়।  আমির হামজা বলেন, হামলার ঘটনার ভিডিও দেখে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের নামেই এজাহার দায়ের করা হয়েছে।  কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে একটি এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  SEO Meta Title: কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা, থানায় এজাহার  Meta Description: কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।  Keywords: কুষ্টিয়া, আমির হামজা, এমপি আমির হামজা, আমির হামজার গাড়িতে হামলা, কুষ্টিয়ায় হামলা, কুষ্টিয়া সংঘর্ষ, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, কুষ্টিয়া মডেল থানা, থানায় এজাহার, কুষ্টিয়া খবর, বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবর  Tags: কুষ্টিয়া, আমির হামজা, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, কুষ্টিয়া সংঘর্ষ, হামলা, এজাহার, রাজনৈতিক সংবাদ, কুষ্টিয়া সংবাদ, জাতীয় সংবাদ  Image ALT: কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার ঘটনায় থানায় এজাহার  Image Caption: কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগে থানায় এজাহার    You said:  ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৩ ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব বাইরে র‍্যাবের সাইরেন আর হ্যান্ডমাইকের শব্দ। ভেতরে বন্দিদের নিয়ে সাজানো হলো দৃশ্য। এর মধ্যেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একটি ল্যাপটপে। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ল ধোঁয়া। এরপর বাইরে থেকে দরজা ভেঙে একে একে বের করা হয় বন্দিদের। দীর্ঘদিন গুম করে রাখার পর এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজিয়ে চালান দেওয়া হয়েছিল বলে বর্ণনা দিয়েছেন নুরে আলম। তার সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন বন্দি।  বিজ্ঞাপন   জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট)। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি ১৩ জন।  সাক্ষ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে গুমের শিকার হন নুরে আলম। এরই মধ্যে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় তাকে রাখার পর একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেক সংস্থার সেলে নেওয়া হয়। বরাবরের মতোই বন্দিশালায় নিয়ে হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে দেন কর্মকর্তারা।  জবানবন্দিতে নুর আলম বলেন, এ বন্দিশালায় এনে আমার হাতে একটি কালো রঙের হাফপ্যান্ট দেওয়া হয়। এটি পরে আগের জামাকাপড় তাদের দেওয়ার নির্দেশ দেন। কথামতো কাপড় পরিবর্তনের পর তারা আবারও আমার হাতে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে সেলে নিয়ে যান। সেলে সারাদিন চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা থাকতো। এই সেলটি ছিল ৯ ফিট বাই ৩ ফিট। এখানে পাশাপাশি দুই ধাপে ছয়টি সেল ছিল। প্রতি তিনটি সেলের জন্য ছিল একটা করে স্ট্যান্ড ফ্যান। খাওয়ার জন্য তিনবেলা সেল থেকে বের করা হতো। সেলের পাশেই ছিল বাথরুম।  বিজ্ঞাপন   তিনি বলেন, বাথরুমে গেলে দেয়ালে থাকা খোপ খোপ ছিদ্র দিয়ে বাইরে র‍্যাব-৪ লেখা দেখতে পাই। এখানে বারান্দায় বসে আলাদা প্লেটে বন্দিদের খাবার দেওয়া হতো। খাবার খাওয়ার সময় বাকিদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি তাজুল ইসলাম, রাজিব, ডা. ইকবাল ও রাকিব নামে আরও ব্যক্তি ছিলেন। খাবার খাওয়ার সময় স্ট্যান্ড ফ্যানের নিচেও র‍্যাব-৪ লেখা দেখে বুঝতে পারি আমাকে গুম করে রাখা হয়েছে। এখানে কয়েক মাস থাকার পরে আমাকে ও তাজুল ইসলামকে সেল থেকে বের করে বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা আমাদের হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে আগের পরিধেয় বস্ত্র পরতে বলেন। এরপর আবারও জমটুপি পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়িয়ে দুজনকে বের করে অন্য আরেকটি সেলে নেন তারা। যা র‍্যাব-১০ এর ছিল। এই সেলের প্রস্থ ছিল আড়াই থেকে তিন ফিট ও দৈর্ঘ্য সাড়ে ছয়-সাত ফিট। সংকীর্ণ এ সেলের ভেতরে একটি বাথরুম ও পানির ট্যাপ ছিল। সেলের সামনে ছিল একটি সিসি ক্যামেরা।  জবানবন্দিতে নুরে আলম উল্লেখ করেন, পাশের সেলেই ছিলেন নাজিম উদ্দিন, তাজুল ইসলাম, আবু জর গিফারী ও সামি। এক রাত রাখার পর ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকাল ৬টার সময় সবাইকে সেল থেকে বের করে হাতে হাতকড়া লাগিয়ে চোখ বেঁধে গলা পর্যন্ত জমটুপি পরান কর্মকর্তারা। এরপর একটি গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি আট-দশ ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়ায়।  নুরে আলম বলেন, আমাদের গাড়ি থেকে বের করে মাথার ওপরে ছাতা ধরেন কর্মকর্তারা। কারণ আশপাশের উঁচু ভবন থেকে যেন কেউ দেখতে না পারেন। এরপর সবাইকে সেলের ভেতরে নেন। এখানেও পাশাপাশি কয়েকটি সেল ছিল। শোবার পর পা টয়লেট পর্যন্ত চলে যেতো। বাম দিকে নড়াচড়া করলে পানির ট্যাপে পা লাগতো। অর্থাৎ আগের সেলের মতো সংকীর্ণ ছিল। এখানে কয়েকদিন রাখার পর আমাদের সেল থেকে বের করা হয়। এরপর নাজিম ও তাজুলকে একটি গাড়িতে এবং আমাকে, গিফারী ও সামিকে আরেটিতে তোলা হয়। আগের গাড়িটি অন্যদিকে চলে যাওয়ার পর আমাদের বাহনটি চলতে শুরু করে। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পরে একটি স্থানে দাঁড়ায়।   বিজ্ঞাপন   ভুক্তভোগী জানান, গাড়ি থেকে তাদের তিনজনকে নামিয়ে একটি ভবনের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় তুলে খাটে বসানো হয়। ৪০-৪৫ মিনিট পর নাজিম ও তাজুলকেও আনা হয়। এর মধ্যেই কর্মকর্তারা বিভিন্ন ধরনের ভারী মালামাল এনে মেঝেতে রাখেন। যা শব্দ শুনে বুঝতে পারেন নুরে আলম। এরপর ভেতরের দিক থেকে দরজা বন্ধ করে দেন র‍্যাবের লোকজন। একপর্যায়ে কোনো এক ব্যক্তি ফোন করে বলেন, ‘স্যার সবকিছু ঠিক আছে’।   নুরে আলম বলেন, এভাবে আমাদের সবাইকে দোতলার একটি কক্ষে বন্দি রেখে নিচে সাইরেন বাজিয়ে টহল দিতে থাকে র‍্যাবের গাড়ি। হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন কর্মকর্তারা। তারা তিন-চার ঘণ্টা ধরে মিথ্যা জঙ্গি উদ্ধারের নাটক সাজান। কক্ষের ভেতরে থাকা র‍্যাবের লোকজন বলামাত্রই বাইরে থেকে দরজা ভাঙতে থাকেন অন্য কর্মকর্তারা। বাইরে কোনো এক ভবনের ছাদ থেকে এক সাংবাদিক ভিডিও করলে জানালা লাগিয়ে দেন তারা। একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে তারা ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ধোঁয়া তৈরি করেন। তাদের কথাবার্তা থেকে আমি এসব বুঝতে পারি।  তিনি বলেন, ওই ভবনে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭ এর প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ আসেন। তিনি আমাদের চোখ খুলে দিতে বলেন। চোখ খোলার পর আমরা সেখানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পাই। এরপর এসবের তালিকা হাতে দিতে বলেন মিফতাহ উদ্দিন। একইসঙ্গে সব মালামাল নিচে সঠিকভাবে সাজাতে বলেন। এভাবে তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে নিজেদের সফল অভিযান চালান। তারা আমাদের নিচে নামিয়ে দ্রুত র‍্যাবের গাড়িতে তোলেন। সেখানে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে কাছে আসতে দেননি। পরে দ্রুত র‍্যাব-৭ এ নিয়ে যাওয়া হয়।  সাক্ষ্যে আরও বলা হয়, ওই দিন রাত ৩টার সময় তারা নুরে আলমসহ সবাইকে আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠায় পুলিশ। নুরে আলম, গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি এবং তাজুল ও নাজিমের নামে তিনটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় তিনদিন করে মোট ছয়দিন তাদের আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব ও পুলিশ।  নুরে আলম ট্রাইব্যুনালে বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন আমাকে বলেন, ‘তোমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে এসেছেন ডিজিএফআইের লোকজন। প্রথমে রাখা হয়েছিল জেআইসিতে। পরেরটি ছিল টিএফআই সেল। এরপর তারা আমাদের কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘ ১১ মাস মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকার পর বর্তমানে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে মুক্ত।   তিনি বলেন, আমাকে বাসা থেকে অপহরণের পরই নীলফামারী সদর থানায় জিডি করেন মা। এর কয়েকদিন পর আদালতে অপহরণ মামলা করেন। জেলা প্রসাশক ও নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছিল। প্রেস ব্রিফিংয়ে বিধবা মায়ের কোলে নিজের সন্তানকে ফেরত দিতে আকুতি জানিয়েছিলেন তিনি। নীলফামারী সরকারি কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় লোকজন মিলে চৌরঙ্গীর মোড়ে মানববন্ধন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই মানববন্ধনে লাঠিচার্জ করে কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী নূর স্যারকে তুলে নেন পুলিশ সদস্যরা। আমার গুম হওয়ার পেছনে যারা দায়ী তাদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআইয়ের ও র‍্যাবের লোকজন। আমি তাদের শাস্তি চাই। একইসঙ্গে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।  প্রসিকিউশনের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও শাইখ মাহদী। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।  এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।  ChatGPT said: আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে Muktomon Online Portal-এর জন্য ভাষা আরও নিরপেক্ষ, সংবাদধর্মী ও SEO-ফ্রেন্ডলি করে সাজালাম। যেহেতু বিষয়টি আদালতে সাক্ষ্য ও গুরুতর অভিযোগসংক্রান্ত, তাই অভিযোগগুলোকে সাক্ষ্য/দাবি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।  ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’—ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের বিস্ফোরক সাক্ষ্য   ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’—ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের বিস্ফোরক সাক্ষ্য মুক্তমন রিপোর্টার  ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি, বাইরে র‍্যাবের গাড়ির সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে ঘোষণা—এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ করেছেন গুমের শিকার নুরে আলম। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) ও অন্যান্য বন্দিশালায় গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।  ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর সামনে মামলার সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন।  নুরে আলমের সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে তাকে গুম করা হয়। পরে তাকে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় রাখা হয়। একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেকটি সেলে নেওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানান তিনি।  সাক্ষ্যে নুরে আলম বলেন, ওই বন্দিশালায় নেওয়ার পর তার চোখ বাঁধা ও হাতে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হতো। সেলটি ছিল আনুমানিক ৯ ফুট বাই ৩ ফুট। বাথরুমে যাওয়ার সময় দেয়ালের ফাঁক দিয়ে বাইরে ‘র‍্যাব-৪’ লেখা দেখতে পান বলে জানান তিনি। খাবারের সময় স্ট্যান্ড ফ্যানেও একই লেখা দেখতে পেয়ে তিনি বুঝতে পারেন, তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি স্থাপনায় রাখা হয়েছে।  পরে তাকে ও তাজুল ইসলামকে একটি গাড়িতে করে অন্য একটি সেলে নেওয়া হয়। নুরে আলমের দাবি, ওই সেলটি র‍্যাব-১০-এর ছিল। সেলটি ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং সামনে একটি সিসি ক্যামেরা ছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।  নুরে আলম আরও জানান, ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকালে তাদের চোখ বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তোলা হয়। দীর্ঘ সময় গাড়িতে চলার পর একটি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজনকে একটি কক্ষে রাখা হয়।  তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষে তাদের আটকে রেখে বাইরে র‍্যাবের গাড়ি দিয়ে সাইরেন বাজানো হয় এবং কর্মকর্তারা হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন। কয়েক ঘণ্টা ধরে এভাবে ‘জঙ্গি উদ্ধারের’ একটি দৃশ্য তৈরি করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।  নুরে আলমের অভিযোগ, একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে একটি ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি করা হয়। পরে বাইরে থেকে কর্মকর্তারা দরজা ভাঙার দৃশ্য তৈরি করেন। তিনি আরও বলেন, ভবনের ছাদ থেকে একজন সাংবাদিক ভিডিও করছিলেন। তখন জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয়।  সাক্ষ্যে নুরে আলম জানান, পরে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭-এর তৎকালীন প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ সেখানে আসেন। তার নির্দেশে চোখ খুলে দেওয়া হলে তিনি কক্ষে বিভিন্ন অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পান বলে দাবি করেন।  তার অভিযোগ, এসব সামগ্রী সাজিয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি ‘সফল অভিযান’-এর দৃশ্য তৈরি করা হয়। পরে তাদের নিচে নামিয়ে র‍্যাবের গাড়িতে তোলা হয় এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি।  সাক্ষ্য অনুযায়ী, ওই রাতেই নুরে আলমসহ অন্যদের আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। নুরে আলম, আবু জর গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি করে এবং তাজুল ইসলাম ও নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনটি করে মামলা করা হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানানো হয়।  নুরে আলম আরও বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন তাকে জানিয়েছিলেন, তাকে বাসা থেকে ডিজিএফআইয়ের লোকজন তুলে নিয়ে গিয়েছিল এবং প্রথমে জেআইসিতে রাখা হয়েছিল।  ট্রাইব্যুনালে নিজের গুমের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআই ও র‍্যাবের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করেন নুরে আলম। তিনি দায়ীদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।  মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে তিনজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।  SEO Meta Title: ল্যাপটপে আগুন দিয়ে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য  Meta Description: ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’ নাটক সাজানোর অভিযোগ করেছেন গুমের শিকার নুরে আলম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দিয়েছেন সাক্ষ্য।  Keywords: নুরে আলম, নুরে আলমের সাক্ষ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, গুম, গুমের ঘটনা, র‍্যাব, র‍্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জঙ্গি নাটক, ল্যাপটপে আগুন, জেআইসি, জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার, মানবতাবিরোধী অপরাধ, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, গুম নির্যাতন, ট্রাইব্যুনালের সাক্ষ্য  Tags: নুরে আলম, গুম, র‍্যাব, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, জেআইসি, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম নির্যাতন, আদালত, ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ সংবাদ  Image ALT: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের ঘটনায় নুরে আলমের সাক্ষ্য  Image Caption: গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন নুরে আলম  Suggested URL Slug: nure-alam-testimony-tribunal-accuses-rab-staged-militant-rescue    You said:  ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৩ ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব বাইরে র‍্যাবের সাইরেন আর হ্যান্ডমাইকের শব্দ। ভেতরে বন্দিদের নিয়ে সাজানো হলো দৃশ্য। এর মধ্যেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একটি ল্যাপটপে। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ল ধোঁয়া। এরপর বাইরে থেকে দরজা ভেঙে একে একে বের করা হয় বন্দিদের। দীর্ঘদিন গুম করে রাখার পর এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজিয়ে চালান দেওয়া হয়েছিল বলে বর্ণনা দিয়েছেন নুরে আলম। তার সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন বন্দি।  বিজ্ঞাপন   জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট)। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি ১৩ জন।  সাক্ষ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে গুমের শিকার হন নুরে আলম। এরই মধ্যে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় তাকে রাখার পর একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেক সংস্থার সেলে নেওয়া হয়। বরাবরের মতোই বন্দিশালায় নিয়ে হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে দেন কর্মকর্তারা।  জবানবন্দিতে নুর আলম বলেন, এ বন্দিশালায় এনে আমার হাতে একটি কালো রঙের হাফপ্যান্ট দেওয়া হয়। এটি পরে আগের জামাকাপড় তাদের দেওয়ার নির্দেশ দেন। কথামতো কাপড় পরিবর্তনের পর তারা আবারও আমার হাতে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে সেলে নিয়ে যান। সেলে সারাদিন চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা থাকতো। এই সেলটি ছিল ৯ ফিট বাই ৩ ফিট। এখানে পাশাপাশি দুই ধাপে ছয়টি সেল ছিল। প্রতি তিনটি সেলের জন্য ছিল একটা করে স্ট্যান্ড ফ্যান। খাওয়ার জন্য তিনবেলা সেল থেকে বের করা হতো। সেলের পাশেই ছিল বাথরুম।  বিজ্ঞাপন   তিনি বলেন, বাথরুমে গেলে দেয়ালে থাকা খোপ খোপ ছিদ্র দিয়ে বাইরে র‍্যাব-৪ লেখা দেখতে পাই। এখানে বারান্দায় বসে আলাদা প্লেটে বন্দিদের খাবার দেওয়া হতো। খাবার খাওয়ার সময় বাকিদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি তাজুল ইসলাম, রাজিব, ডা. ইকবাল ও রাকিব নামে আরও ব্যক্তি ছিলেন। খাবার খাওয়ার সময় স্ট্যান্ড ফ্যানের নিচেও র‍্যাব-৪ লেখা দেখে বুঝতে পারি আমাকে গুম করে রাখা হয়েছে। এখানে কয়েক মাস থাকার পরে আমাকে ও তাজুল ইসলামকে সেল থেকে বের করে বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা আমাদের হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে আগের পরিধেয় বস্ত্র পরতে বলেন। এরপর আবারও জমটুপি পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়িয়ে দুজনকে বের করে অন্য আরেকটি সেলে নেন তারা। যা র‍্যাব-১০ এর ছিল। এই সেলের প্রস্থ ছিল আড়াই থেকে তিন ফিট ও দৈর্ঘ্য সাড়ে ছয়-সাত ফিট। সংকীর্ণ এ সেলের ভেতরে একটি বাথরুম ও পানির ট্যাপ ছিল। সেলের সামনে ছিল একটি সিসি ক্যামেরা।  জবানবন্দিতে নুরে আলম উল্লেখ করেন, পাশের সেলেই ছিলেন নাজিম উদ্দিন, তাজুল ইসলাম, আবু জর গিফারী ও সামি। এক রাত রাখার পর ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকাল ৬টার সময় সবাইকে সেল থেকে বের করে হাতে হাতকড়া লাগিয়ে চোখ বেঁধে গলা পর্যন্ত জমটুপি পরান কর্মকর্তারা। এরপর একটি গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি আট-দশ ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়ায়।  নুরে আলম বলেন, আমাদের গাড়ি থেকে বের করে মাথার ওপরে ছাতা ধরেন কর্মকর্তারা। কারণ আশপাশের উঁচু ভবন থেকে যেন কেউ দেখতে না পারেন। এরপর সবাইকে সেলের ভেতরে নেন। এখানেও পাশাপাশি কয়েকটি সেল ছিল। শোবার পর পা টয়লেট পর্যন্ত চলে যেতো। বাম দিকে নড়াচড়া করলে পানির ট্যাপে পা লাগতো। অর্থাৎ আগের সেলের মতো সংকীর্ণ ছিল। এখানে কয়েকদিন রাখার পর আমাদের সেল থেকে বের করা হয়। এরপর নাজিম ও তাজুলকে একটি গাড়িতে এবং আমাকে, গিফারী ও সামিকে আরেটিতে তোলা হয়। আগের গাড়িটি অন্যদিকে চলে যাওয়ার পর আমাদের বাহনটি চলতে শুরু করে। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পরে একটি স্থানে দাঁড়ায়।   বিজ্ঞাপন   ভুক্তভোগী জানান, গাড়ি থেকে তাদের তিনজনকে নামিয়ে একটি ভবনের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় তুলে খাটে বসানো হয়। ৪০-৪৫ মিনিট পর নাজিম ও তাজুলকেও আনা হয়। এর মধ্যেই কর্মকর্তারা বিভিন্ন ধরনের ভারী মালামাল এনে মেঝেতে রাখেন। যা শব্দ শুনে বুঝতে পারেন নুরে আলম। এরপর ভেতরের দিক থেকে দরজা বন্ধ করে দেন র‍্যাবের লোকজন। একপর্যায়ে কোনো এক ব্যক্তি ফোন করে বলেন, ‘স্যার সবকিছু ঠিক আছে’।   নুরে আলম বলেন, এভাবে আমাদের সবাইকে দোতলার একটি কক্ষে বন্দি রেখে নিচে সাইরেন বাজিয়ে টহল দিতে থাকে র‍্যাবের গাড়ি। হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন কর্মকর্তারা। তারা তিন-চার ঘণ্টা ধরে মিথ্যা জঙ্গি উদ্ধারের নাটক সাজান। কক্ষের ভেতরে থাকা র‍্যাবের লোকজন বলামাত্রই বাইরে থেকে দরজা ভাঙতে থাকেন অন্য কর্মকর্তারা। বাইরে কোনো এক ভবনের ছাদ থেকে এক সাংবাদিক ভিডিও করলে জানালা লাগিয়ে দেন তারা। একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে তারা ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ধোঁয়া তৈরি করেন। তাদের কথাবার্তা থেকে আমি এসব বুঝতে পারি।  তিনি বলেন, ওই ভবনে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭ এর প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ আসেন। তিনি আমাদের চোখ খুলে দিতে বলেন। চোখ খোলার পর আমরা সেখানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পাই। এরপর এসবের তালিকা হাতে দিতে বলেন মিফতাহ উদ্দিন। একইসঙ্গে সব মালামাল নিচে সঠিকভাবে সাজাতে বলেন। এভাবে তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে নিজেদের সফল অভিযান চালান। তারা আমাদের নিচে নামিয়ে দ্রুত র‍্যাবের গাড়িতে তোলেন। সেখানে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে কাছে আসতে দেননি। পরে দ্রুত র‍্যাব-৭ এ নিয়ে যাওয়া হয়।  সাক্ষ্যে আরও বলা হয়, ওই দিন রাত ৩টার সময় তারা নুরে আলমসহ সবাইকে আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠায় পুলিশ। নুরে আলম, গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি এবং তাজুল ও নাজিমের নামে তিনটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় তিনদিন করে মোট ছয়দিন তাদের আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব ও পুলিশ।  নুরে আলম ট্রাইব্যুনালে বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন আমাকে বলেন, ‘তোমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে এসেছেন ডিজিএফআইের লোকজন। প্রথমে রাখা হয়েছিল জেআইসিতে। পরেরটি ছিল টিএফআই সেল। এরপর তারা আমাদের কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘ ১১ মাস মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকার পর বর্তমানে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে মুক্ত।   তিনি বলেন, আমাকে বাসা থেকে অপহরণের পরই নীলফামারী সদর থানায় জিডি করেন মা। এর কয়েকদিন পর আদালতে অপহরণ মামলা করেন। জেলা প্রসাশক ও নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছিল। প্রেস ব্রিফিংয়ে বিধবা মায়ের কোলে নিজের সন্তানকে ফেরত দিতে আকুতি জানিয়েছিলেন তিনি। নীলফামারী সরকারি কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় লোকজন মিলে চৌরঙ্গীর মোড়ে মানববন্ধন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই মানববন্ধনে লাঠিচার্জ করে কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী নূর স্যারকে তুলে নেন পুলিশ সদস্যরা। আমার গুম হওয়ার পেছনে যারা দায়ী তাদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআইয়ের ও র‍্যাবের লোকজন। আমি তাদের শাস্তি চাই। একইসঙ্গে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।  প্রসিকিউশনের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও শাইখ মাহদী। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।  এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।  ChatGPT said: ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য    ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য মুক্তমন রিপোর্টার  ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি, বাইরে র‍্যাবের গাড়ির সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে চিৎকার—এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ করেছেন গুমের শিকার নুরে আলম। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) ও অন্যান্য বন্দিশালায় গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।  ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর সামনে মামলার সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন।  নুরে আলমের সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে তাকে গুম করা হয়। পরে তাকে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় রাখা হয়। একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেকটি সেলে নেওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানান তিনি।  জবানবন্দিতে নুরে আলম বলেন, ওই বন্দিশালায় তাকে হাতকড়া পরিয়ে ও চোখ বেঁধে রাখা হতো। সেলটি ছিল প্রায় ৯ ফুট বাই ৩ ফুট। বাথরুমে যাওয়ার সময় দেয়ালের ফাঁক দিয়ে বাইরে ‘র‍্যাব-৪’ লেখা দেখতে পান বলে জানান তিনি। স্ট্যান্ড ফ্যানেও একই লেখা দেখে তিনি বুঝতে পারেন, তাকে র‍্যাবের একটি স্থাপনায় রাখা হয়েছে।  পরে তাকে ও তাজুল ইসলামকে গাড়িতে করে অন্য একটি সেলে নেওয়া হয়। নুরে আলমের দাবি, সেটি র‍্যাব-১০-এর একটি সেল ছিল। সেলটি ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং সামনে একটি সিসি ক্যামেরা ছিল।  নুরে আলম জানান, ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকালে তাকে ও অন্যদের হাতকড়া পরিয়ে, চোখ বেঁধে গাড়িতে তোলা হয়। দীর্ঘ সময় গাড়িতে চলার পর একটি ভবনে নিয়ে তাদের একটি কক্ষে রাখা হয়।  তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষে তাদের আটকে রেখে বাইরে র‍্যাবের গাড়ি দিয়ে সাইরেন বাজানো হয়। কর্মকর্তারা হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন। এভাবে তিন থেকে চার ঘণ্টা ধরে ‘জঙ্গি উদ্ধারের’ একটি দৃশ্য তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।  নুরে আলমের অভিযোগ, একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে একটি ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি করা হয়। এরপর বাইরে থেকে কর্মকর্তারা দরজা ভাঙার দৃশ্য তৈরি করেন। ভবনের ছাদ থেকে এক সাংবাদিক ভিডিও ধারণ করছিলেন বলেও জানান তিনি। তখন জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে তার দাবি।  সাক্ষ্যে নুরে আলম আরও জানান, পরে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭-এর তৎকালীন প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ সেখানে আসেন। তার নির্দেশে চোখ খুলে দেওয়া হলে কক্ষে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি।  নুরে আলমের অভিযোগ, এসব সামগ্রী সাজিয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি ‘সফল অভিযান’-এর দৃশ্য তৈরি করা হয়। পরে তাদের নিচে নামিয়ে র‍্যাবের গাড়িতে তোলা হয় এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি।  সাক্ষ্য অনুযায়ী, ওই রাত ৩টার দিকে নুরে আলমসহ অন্যদের আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। নুরে আলম, গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি করে এবং তাজুল ইসলাম ও নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনটি করে মামলা করা হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানানো হয়।  নুরে আলম আরও বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন তাকে জানিয়েছিলেন, তাকে বাসা থেকে ডিজিএফআইয়ের লোকজন তুলে নিয়ে গিয়েছিল এবং প্রথমে জেআইসিতে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে টিএফআই সেলে নেওয়া হয়।  নিজের গুমের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআই ও র‍্যাবের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করেন নুরে আলম। তিনি দায়ীদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।  মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে তিনজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।  SEO Meta Title ল্যাপটপে আগুন দিয়ে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য  Meta Description ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’ নাটক সাজানোর অভিযোগ করেছেন নুরে আলম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের ঘটনায় সাক্ষ্য দেন তিনি।  Keywords নুরে আলম, নুরে আলমের সাক্ষ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, গুম, গুমের ঘটনা, র‍্যাব, র‍্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জঙ্গি নাটক, ল্যাপটপে আগুন, জেআইসি, জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার, মানবতাবিরোধী অপরাধ, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, গুম নির্যাতন, ট্রাইব্যুনালের সাক্ষ্য  Tags নুরে আলম, গুম, র‍্যাব, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, জেআইসি, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম নির্যাতন, আদালত, ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ সংবাদ  Image ALT আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের ঘটনায় নুরে আলমের সাক্ষ্য  Image Caption গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন নুরে আলম  Suggested URL Slug nure-alam-testimony-rab-staged-militant-rescue    You said:  অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বললেন ক্যারি ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:২০ অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বললেন ক্যারি বাংলাদেশের কাছে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া তাদের ১৩ জনের দলে একটি পরিবর্তন এনেছে। মাত্র এক টেস্ট পরই স্কোয়াডে পরিবর্তন আনার মতো ঘটনা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে দেখা যায়নি বলেই জানা গেছে। দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ পড়েছেন জেক ওয়েদারাল্ড। ফেরানো হয়েছে ২০২৩ সালে শেষ টেস্ট খেলা ম্যাট রেনশকে। নির্বাচকদের এমন ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেছেন উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি।  বিজ্ঞাপন   ওয়েদারাল্ডের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে ক্যারি বলেছেন, ‘দল থেকে যখন কেউ বাদ পড়ে, সেটা আসলে সবসময়ই কঠিন ব্যাপার। তবে এটাই ক্রিকেট। তাকে (ওয়েদারাল্ডকে) আমি বার্তা দিয়েছি এবং আমার সহানুভূতি জানিয়েছি। আশা করছি সে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং আমাদেরকে আরও একটি ফাইনালে নিয়ে যেতে পারবে। তার বয়স ৩০ এর ঘরে এবং দারুণ ক্লাসও রয়েছে।’  আরও পড়ুন বাংলাদেশের কাছে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দলে পরিবর্তন রেনশর দলে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘সে (ম্যাট রেনশ) আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগেও খেলেছে, যদিও অনেক আগে। তার উন্নতিটা আমি দেখেছি। মানসিকভাবে সে ভালো জায়গায় আছে। সাদা বলে বেশ ভালো খেলেছে সে। গত কয়েক বছরে যত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে, সেগুলো সে ভালোভাবেই সামলেছে। সে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারে আরও একটি সুযোগ পেয়েছে, অবশ্যই এটা লুফে নিতে মুখিয়ে আছে। শিল্ডে গত মৌসুমে দারুণ খেলেছে। আমরা সবাই জানি সে কতটা ভালো খেলোয়াড়। এই গ্রুপে সে বেশ ভালোভাবে এসেছে। আশা করি ট্র্যাভের (ট্রাভিস হেড) সঙ্গে সে ভালোই করবে (ওপেনিংয়ে)।’  বিজ্ঞাপন   রেনশর ব্যাটিংয়ের আগ্রাসন এবং উন্নতির ব্যাপারটিও নজর এড়ায়নি ক্যারির, ‘হ্যাঁ সে এখন অনেক পরিণত ক্রিকেটার। বয়স ৩০ বছর হতে হতে আপনি নিজের সম্পর্কে এবং খেলাটা সম্পর্কেও অনেক কিছু জানতে-বুঝতে পারবেন। সে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলেছে। চ্যালেঞ্জ সম্পর্কেও ভালো যায়। অ্যাটাক ডিফেন্সের মাঝে সে ব্যালেন্সটাও ভালোভাবেই জানে। কুইন্সল্যান্ডের হয়ে ব্যাটিং ওপেন করেছিল শেফিল্ড শিল্ডে। গত বছর তিনটি সেঞ্চুরিও করেছে। সে সব কন্ডিশনেই আসলে ভালো করতে সক্ষম। ভারতেও সেঞ্চুরি আছে। সিডনিতে টেস্ট সেঞ্চুরি আছে। এখন সে আরও ভালো প্লেয়ার। দারুণ সুযোগ, আশা করি সে লুফে নেবে।’  ChatGPT said: অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ দল পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন অ্যালেক্স ক্যারি    অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ দল পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন অ্যালেক্স ক্যারি মুক্তমন রিপোর্টার  বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া দলে এসেছে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন। মাত্র এক টেস্ট পরই ১৩ সদস্যের স্কোয়াডে পরিবর্তন এনে জেক ওয়েদারাল্ডকে বাদ দিয়ে দলে ফেরানো হয়েছে ম্যাট রেনশকে। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে এমন ঘটনা খুব একটা দেখা যায়নি বলে এটিকে ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।  নির্বাচকদের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার-ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি। ওয়েদারাল্ডকে বাদ দেওয়ায় সহানুভূতি জানিয়ে ক্যারি বলেন, দল থেকে বাদ পড়া সবসময়ই কঠিন। তবে ক্রিকেটে এমন পরিস্থিতি আসতেই পারে।  ক্যারি বলেন, “দল থেকে যখন কেউ বাদ পড়ে, সেটা আসলে সবসময়ই কঠিন ব্যাপার। তবে এটাই ক্রিকেট। তাকে আমি বার্তা দিয়েছি এবং আমার সহানুভূতি জানিয়েছি। আশা করছি সে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং আমাদের আরও একটি ফাইনালে নিয়ে যেতে পারবে।”  ওয়েদারাল্ডের সামর্থ্যের প্রশংসা করে ক্যারি আরও বলেন, তার বয়স ৩০-এর ঘরে এবং যথেষ্ট প্রতিভা রয়েছে। তাই দ্রুতই তিনি নিজের ছন্দে ফিরবেন বলে আশা করছেন ক্যারি।  এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর ম্যাট রেনশর দলে ফেরাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অস্ট্রেলিয়ার এই উইকেটকিপার। ২০২৩ সালের পর আবারও টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়া রেনশর মানসিকভাবে ভালো অবস্থায় রয়েছেন বলে মনে করেন তিনি।  ক্যারি বলেন, রেনশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগেও খেলেছে। গত কয়েক বছরে তার উন্নতি তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। সাদা বলের ক্রিকেটেও রেনশ ভালো খেলেছেন এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে মোকাবিলা করেছেন।  রেনশর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে ক্যারি বলেন, গত মৌসুমে শেফিল্ড শিল্ডে দারুণ খেলেছেন তিনি। কুইন্সল্যান্ডের হয়ে ওপেন করার পাশাপাশি গত বছর তিনটি সেঞ্চুরিও করেছেন রেনশ।  রেনশর ব্যাটিংয়ের পরিণতিও ক্যারির নজর কেড়েছে। তার মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে নিজের খেলা ও সামর্থ্য সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়েছে রেনশর। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও রক্ষণাত্মক খেলার মধ্যে ভালো ভারসাম্যও তৈরি করেছেন তিনি।  ক্যারি বলেন, রেনশ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলেছেন। ভারত ও সিডনিতে তার টেস্ট সেঞ্চুরি রয়েছে। ফলে বিভিন্ন কন্ডিশনে ভালো করার সামর্থ্য তার আছে।  ট্রাভিস হেডের সঙ্গে রেনশ ওপেনিংয়ে ভালো করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন ক্যারি। তার মতে, জাতীয় দলে ফিরে আসার এই সুযোগ রেনশ অবশ্যই কাজে লাগাতে মুখিয়ে থাকবেন।  SEO Meta Title অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ দল পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন অ্যালেক্স ক্যারি  Meta Description বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দলে পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন অ্যালেক্স ক্যারি। বাদ পড়েছেন জেক ওয়েদারাল্ড, ফিরেছেন ম্যাট রেনশ।  Keywords অ্যালেক্স ক্যারি, Alex Carey, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, ম্যাট রেনশ, জেক ওয়েদারাল্ড, অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দল, অস্ট্রেলিয়া দল পরিবর্তন, ক্রিকেট খবর, টেস্ট ক্রিকেট, বাংলাদেশ ক্রিকেট, Australia Test, Matt Renshaw  Tags অ্যালেক্স ক্যারি, ম্যাট রেনশ, জেক ওয়েদারাল্ড, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, টেস্ট ক্রিকেট, ক্রিকেট সংবাদ, বাংলাদেশ ক্রিকেট, Australia Cricket, Alex Carey  Image ALT অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি  Image Caption অস্ট্রেলিয়া দলে ‘অভূতপূর্ব’ পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন অ্যালেক্স ক্যারি  Suggested URL Slug alex-carey-australia-unprecedented-test-squad-change    You said:  বাংলাদেশের সাফল্যকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা! ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫১ বাংলাদেশের সাফল্যকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা! অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজের প্রথম টেস্টে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ দল। এবার শেষ ম্যাচে মাঠে নামার অপেক্ষায় তারা। প্রথম ম্যাচে জয়ের সেই আনন্দ নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স কথা বললেন।  বিজ্ঞাপন   অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো চাট্টিখানি  কথা নয়। তৃতীয়বারের চেষ্টাতেই বাংলাদেশ সফল হয়েছে। ঈর্ষণীয় এই সাফল্যের বিশ্বের নানান জায়গা থেকে প্রশংসার ঢল আসছে। এমন জয়ের পর দলের অনুভূতি কেমন ছিল, সেটা রেভস্পোর্টজ-কে বললেন সিমন্স, ‘আমরা বিষয়টিকে খানিকটা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সাথে তুলনা করছিলাম, কারণ বিশ্বকাপের সময় ঢাকার রাস্তাঘাটের চিত্রটা বিশ্বাস করার মতো ছিল না। গতকালও আমরা বলছিলাম যে ঘটনাটা অনেকটাই সেরকম।’  একেবারে অন্যরকম অনুভূতির মধ্যে দিয়ে গেছেন ক্যারিবিয়ান কোচ, ‘মানুষের উদযাপন, বাংলাদেশ থেকে আমায় পাঠানো বার্তাগুলো মিলিয়ে ব্যাপারটা আসলেই বিশেষ কিছু। কিছু মানুষ তো বিশ্বাসই করতে পারছিল না যে এমনটা ঘটতে পারে, বিশেষ করে এই সফরে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য ব্যাপারটা কেমন হতে পারে তা আমি কল্পনা করতে পারি, কারণ আমার নিজের জন্য ব্যাপারটা কেমন তা আমি জানি।’  সিরিজের এখনও একটি ম্যাচ বাকি। তাই খেলোয়াড়দের বাঁধভাঙা উদযাপন করতে দেখে সিমন্সের মনে অস্বস্তি কাজ করছিল। তিনি বললেন, ‘সাধারণত আমি হলে বড় কোনো উদ্‌যাপনের অনুমতি দিতাম না, কারণ আমাদের সামনে এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। কিন্তু এবার আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। এমনকি ড্রেসিংরুমেও আমাকে শুধু একপাশে বসে তাদের আনন্দ উদযাপন উপভোগ করতে হয়েছে, কারণ জয়টা সত্যিই অনেক বড় ছিল।’  বিজ্ঞাপন   তিনি বলে গেলেন, ‘আর মুশফিকুর রহিমের মতো একজন মানুষের জন্য, যে দীর্ঘদিন ধরে দলের সাথে আছে এবং অনেক কঠিন সময় পার করেছে, তার মুখে এই আনন্দ দেখতে পাওয়াটা ছিল দারুণ অনুভূতির। আমি তাদের উদ্‌যাপন এবং এই ম্যাচ জয় উপভোগ করার ধরনটা সত্যিই খুব উপভোগ করেছি।’  ChatGPT said: বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা সিমন্সের    বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা সিমন্সের মুক্তমন রিপোর্টার  অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম টেস্টে দারুণ জয়ের পর এখন দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচের অপেক্ষায় টাইগাররা। ঐতিহাসিক এই জয়ের পর বাংলাদেশের মানুষের উচ্ছ্বাসকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের সময়ের উদযাপনের সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।  অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে জয় পাওয়া বাংলাদেশের জন্য সহজ ছিল না। তৃতীয় প্রচেষ্টায় অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যের পর দেশে-বিদেশে প্রশংসা পাচ্ছে দলটি।  প্রথম টেস্ট জয়ের পর দলের অনুভূতি কেমন ছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে রেভস্পোর্টজকে ফিল সিমন্স বলেন, বাংলাদেশের উদযাপনকে তিনি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা করছিলেন।  সিমন্স বলেন, “আমরা বিষয়টিকে খানিকটা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা করছিলাম। বিশ্বকাপের সময় ঢাকার রাস্তাঘাটের চিত্রটা বিশ্বাস করার মতো ছিল না। গতকালও আমরা বলছিলাম, ঘটনাটা অনেকটাই সেরকম।”  বাংলাদেশের মানুষের উচ্ছ্বাস এবং ভক্তদের পাঠানো অসংখ্য বার্তা সিমন্সের কাছে জয়টিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। তিনি বলেন, অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে অস্ট্রেলিয়ার এই সফরে এমন একটি জয় সম্ভব।  ক্যারিবিয়ান এই কোচ বলেন, মানুষের উদযাপন এবং বাংলাদেশ থেকে পাওয়া বার্তাগুলো মিলিয়ে পুরো বিষয়টি তার কাছে বিশেষ অনুভূতির। বাংলাদেশের মানুষের জন্য এই জয় কতটা আনন্দের হতে পারে, সেটি তিনি অনুভব করতে পারছেন বলেও জানান।  তবে সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি থাকায় বড় উদযাপন নিয়ে শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন সিমন্স। সাধারণ পরিস্থিতিতে এমন জয়ের পরও খেলোয়াড়দের বড় ধরনের উদযাপনের অনুমতি দিতেন না বলে জানান তিনি।  কিন্তু এবার নিজেকে আটকে রাখতে পারেননি সিমন্স। ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের আনন্দ-উদযাপন উপভোগ করেই সময় কাটিয়েছেন তিনি।  সিমন্স বলেন, “সাধারণত আমি হলে বড় কোনো উদযাপনের অনুমতি দিতাম না, কারণ আমাদের সামনে এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। কিন্তু এবার আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। ড্রেসিংরুমেও আমাকে একপাশে বসে তাদের আনন্দ উপভোগ করতে হয়েছে, কারণ জয়টা সত্যিই অনেক বড় ছিল।”  দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের আনন্দও বিশেষভাবে ছুঁয়ে গেছে সিমন্সকে। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা এবং নানা কঠিন সময় পেরিয়ে আসা মুশফিকের মুখে এমন আনন্দ দেখতে পাওয়া তার কাছে দারুণ অনুভূতির ছিল বলে জানান প্রধান কোচ।  সিমন্স বলেন, মুশফিকুর রহিমের মতো দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থাকা একজন ক্রিকেটারের মুখে এই আনন্দ দেখা ছিল অসাধারণ। পুরো দল যেভাবে জয়টি উদযাপন করেছে এবং মুহূর্তটি উপভোগ করেছে, সেটিও তার কাছে অত্যন্ত আনন্দের ছিল।  এখন সেই আনন্দকে পেছনে রেখে দ্বিতীয় টেস্টে মনোযোগ দিতে হবে বাংলাদেশকে। ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে শেষ ম্যাচে আরও একবার নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে টাইগারদের।  SEO Meta Title বাংলাদেশের জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা সিমন্সের  Meta Description অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। দলের উদযাপন নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।  Keywords বাংলাদেশ ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, ফিল সিমন্স, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ টেস্ট জয়, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ, ফিল সিমন্সের মন্তব্য, মুশফিকুর রহিম, টাইগার ক্রিকেট, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, Australia vs Bangladesh Test, Phil Simmons  Tags ফিল সিমন্স, বাংলাদেশ ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, মুশফিকুর রহিম, টাইগার, ক্রিকেট সংবাদ, আর্জেন্টিনা, বিশ্বকাপ, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, ক্রীড়া সংবাদ  Image ALT অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় নিয়ে কথা বলছেন ফিল সিমন্স  Image Caption বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন ফিল সিমন্স  Suggested URL Slug phil-simmons-bangladesh-win-argentina-world-cup-comparison    You said:  মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন : বিটিআরসি চেয়ারম্যান নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪১ মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন : বিটিআরসি চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেছেন, শুধু ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ডিজিটাল বিভাজন দূর হয় না। মানসম্মত ইন্টারনেটের অভাবও এখন বড় ধরনের ডিজিটাল বিভাজন তৈরি করছে। সময়ের সঙ্গে ডিজিটাল বিভাজনের ধারণা পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই সবার জন্য মানসম্মত ও কার্যকর ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে।  বিজ্ঞাপন   বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ‘পাওয়ারিং দ্য ফিউচার : রবি কমপ্লিটস ঢাকা মডার্নাইজেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে সহায়তার লক্ষ্যেই টেলিযোগাযোগ খাতের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সে সময় সবার কাছে সংযোগ পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু সংযোগের গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন ধরনের বৈষম্য সামনে আসে, যা পরে ডিজিটাল বিভাজন হিসেবে চিহ্নিত হয়।  তিনি বলেন, একসময় সংযোগ না থাকাকে ডিজিটাল বিভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পরে দেখা গেল, শুধু সংযোগ যথেষ্ট নয়, ইন্টারনেটের সুযোগও থাকতে হবে। এরপর স্পষ্ট হয়েছে, ইন্টারনেট থাকলেই হবে না, এর মানও ভালো হতে হবে। মানসম্মত ইন্টারনেটের সুযোগ থেকে বঞ্চিত মানুষ উন্নয়নের দৌড়ে আরও পিছিয়ে পড়েন। এ কারণে ডিজিটাল বিভাজন দূর করার ক্ষেত্রে রবির নেটওয়ার্কের গুণগত মানে গুরুত্ব দেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসনীয়।  বিজ্ঞাপন   রবির কার্যক্রমের প্রশংসা করে এমদাদ উল বারী বলেন, একজন নিয়ন্ত্রক হিসেবে রাজস্বের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভয়েস ও ডেটা রাজস্বের মধ্যে রবির একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য রয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ডেটা রাজস্বও ক্রমাগত বাড়ছে।  তিনি বলেন, শুধু ঢাকায় নেটওয়ার্কের মান উন্নত করলেই হবে না এর সুবিধা সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একইসঙ্গে নেটওয়ার্কের গুণগত মানে কী পরিবর্তন এসেছে এবং এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা কী সুবিধা পাচ্ছেন, সে বিষয়েও মানুষকে জানাতে হবে।  বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, উন্নত নেটওয়ার্কের সুফল মানুষ একদিনে বুঝতে পারবে না। পরিবর্তন উপলব্ধি করতে সময় লাগবে। তবে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া দ্রুত করা সম্ভব। এ কাজ শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়িত্ব নয়, মোবাইল অপারেটরদেরও এতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।  বিজ্ঞাপন   ডেটা প্যাকের মেয়াদ ও মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমাহীন মেয়াদের ডেটা চালুর বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে। সব ডেটার মেয়াদ সীমাহীন করা হলে এর মূল্য বেড়ে যেতে পারে, যা অনেক গ্রাহকের সামর্থ্যের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই এ বিষয়ে গ্রাহকদের বাস্তবতা ও খরচের বিষয়টি বোঝানো প্রয়োজন।  ২০২৯ সালের মধ্যে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে এমদাদ উল বারী বলেন, লক্ষ্য নির্ধারণ করা সহজ হলেও তা বাস্তবায়ন জটিল। কারণ দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহার করছেন। ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে হলে তাই মানুষের হাতে ডেটা ব্যবহারের উপযোগী স্মার্টফোন বা হ্যান্ডসেট পৌঁছে দেওয়া জরুরি।  হ্যান্ডসেট সহজলভ্য করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। হ্যান্ডসেট কেনার ক্ষেত্রে কিস্তি বা ইএমআই সুবিধা বাড়াতেও নিয়ন্ত্রক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মোবাইল অপারেটরদের এ ধরনের কার্যক্রম আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।  নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও আধুনিক করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে হবে। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, চাহিদার পূর্বাভাস ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।  তিনি বলেন, নেটওয়ার্কের দক্ষতা বাড়াতে কী ধরনের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা প্রয়োজন এবং কোথায় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে অপারেটরদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিটিআরসি সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত এবং প্রস্তাবগুলো মূল্যায়ন করবে।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক ও টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।  এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রবি আজিয়াটা পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াদ সাতারা এবং রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম।  ChatGPT said: মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান    মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান মুক্তমন রিপোর্টার  শুধু ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ডিজিটাল বিভাজন দূর হয় না। মানসম্মত ও কার্যকর ইন্টারনেটের অভাবও বর্তমানে বড় ধরনের ডিজিটাল বিভাজন তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী।  বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ‘পাওয়ারিং দ্য ফিউচার: রবি কমপ্লিটস ঢাকা মডার্নাইজেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, সময়ের সঙ্গে ডিজিটাল বিভাজনের ধারণাও পরিবর্তিত হচ্ছে। একসময় ইন্টারনেট সংযোগ না থাকাকেই ডিজিটাল বিভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পরে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ এবং এখন এর গুণগত মানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।  তিনি বলেন, শুধু সংযোগ থাকলেই হবে না, মানুষের জন্য মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে। যারা ভালো মানের ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত, তারা উন্নয়নের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন। এ কারণে ডিজিটাল বিভাজন কমাতে নেটওয়ার্কের গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।  রবির নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের উদ্যোগের প্রশংসা করে এমদাদ উল বারী বলেন, শুধু ঢাকায় নেটওয়ার্কের মান উন্নত করলেই হবে না, এর সুফল সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একইসঙ্গে নেটওয়ার্কের উন্নয়নের ফলে গ্রাহকেরা কী সুবিধা পাচ্ছেন, সে বিষয়েও তাদের জানাতে হবে।  বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, উন্নত নেটওয়ার্কের সুফল মানুষ একদিনে উপলব্ধি করতে পারবে না। এ পরিবর্তন বুঝতে সময় লাগবে। তবে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়া দ্রুত করা সম্ভব। এ দায়িত্ব শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থার নয়, মোবাইল অপারেটরদেরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।  ডেটা প্যাকের মেয়াদ ও মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমাহীন মেয়াদের ডেটা চালু নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে। সব ডেটার মেয়াদ সীমাহীন করা হলে এর দাম বেড়ে যেতে পারে, যা অনেক গ্রাহকের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে গ্রাহকদের বাস্তবতা ও খরচের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।  ২০২৯ সালের মধ্যে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে এমদাদ উল বারী বলেন, লক্ষ্য নির্ধারণ করা সহজ হলেও বাস্তবায়ন বেশ জটিল। দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহার করেন। ফলে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার আগে তাদের হাতে ডেটা ব্যবহারের উপযোগী স্মার্টফোন বা হ্যান্ডসেট পৌঁছে দেওয়া জরুরি।  হ্যান্ডসেট সহজলভ্য করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। হ্যান্ডসেট কেনার ক্ষেত্রে কিস্তি বা ইএমআই সুবিধা বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সহায়তা করছে বলেও জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান। একইসঙ্গে মোবাইল অপারেটরদেরও এ ধরনের উদ্যোগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।  নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করার ওপরও গুরুত্ব দেন এমদাদ উল বারী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকেও আধুনিক করতে হবে।  সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, চাহিদার পূর্বাভাস এবং নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব বলেও জানান তিনি।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক ও টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।  এ সময় রবি আজিয়াটা পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াদ সাতারা এবং চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  SEO Meta Title মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান  Meta Description শুধু ইন্টারনেট সংযোগ নয়, মানসম্মত ইন্টারনেটের অভাবও বড় ডিজিটাল বিভাজন তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী।  Keywords বিটিআরসি চেয়ারম্যান, এমদাদ উল বারী, ডিজিটাল বিভাজন, মানসম্মত ইন্টারনেট, ইন্টারনেট সংযোগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ, বিটিআরসি, রবি নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন, ২জি নেটওয়ার্ক, ২০২৯ সালে ২জি বন্ধ, স্মার্টফোন, ডেটা প্যাক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, টেলিযোগাযোগ খাত  Tags বিটিআরসি, এমদাদ উল বারী, ইন্টারনেট, ডিজিটাল বিভাজন, রবি, টেলিযোগাযোগ, ২জি, স্মার্টফোন, ডেটা প্যাক, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি সংবাদ  Image ALT বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী  Image Caption মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী  Suggested URL Slug quality-internet-digital-divide-btrc-chairman-emdad-ul-bari    You said:  মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান DIFFERENT  ChatGPT said: কিছু ডিফারেন্ট ও স্মার্ট SEO-ফ্রেন্ডলি শিরোনাম:  শুধু সংযোগ নয়, ভালো ইন্টারনেটও জরুরি: বিটিআরসি চেয়ারম্যান ইন্টারনেট থাকলেই হবে না, মানও নিশ্চিত করতে হবে: বিটিআরসি ভালো ইন্টারনেটের অভাবও তৈরি করছে ডিজিটাল বৈষম্য ডিজিটাল বিভাজন কমাতে মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিতের তাগিদ ইন্টারনেটের গতি ও মান নিয়েও ভাবতে হবে: বিটিআরসি চেয়ারম্যান সংযোগের পর এবার চ্যালেঞ্জ মানসম্মত ইন্টারনেট: বিটিআরসি ইন্টারনেটের মানে বৈষম্য থাকলে কমবে না ডিজিটাল বিভাজন সবার জন্য মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিতের আহ্বান বিটিআরসি চেয়ারম্যানের ডিজিটাল উন্নয়নে বাধা নিম্নমানের ইন্টারনেট: বিটিআরসি চেয়ারম্যান ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে মানসম্মত নেটওয়ার্কের ওপর জোর বিটিআরসির আমার পছন্দ:  ইন্টারনেট থাকলেই হবে না, মানও নিশ্চিত করতে হবে: বিটিআরসি   You said:  তুর্কি বৈরী রুশপন্থী চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবার নামে পার্কের নামকরণ  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:৪৯  অনলাইন ডেস্ক তুর্কি বৈরী রুশপন্থী চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবার নামে পার্কের নামকরণ সংগৃহীত ছবি  তুরস্কের আঙ্কারা প্রদেশের অন্তর্গত কেচিওরেন পৌরসভায় রুশপন্থী চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবা ‘আহমত-হাজি কাদিরভ পার্ক’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগটি তুর্কি ও চেচেন জনগণের মধ্যকার গভীর ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক অনন্য নজির।  সম্প্রতি অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে কেচিওরেনের মেয়র তুর্কি ও ককেশাস অঞ্চলের বিশেষ করে চেচেন জনগণের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।   পার্কটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং এর তাৎপর্যপূর্ণ দিকগুলো:   তুর্কি এবং চেচেন জনগণের বহু বছরের পুরোনো ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই পার্কটি উৎসর্গ করা হয়েছে।   ককেশাসের সাথে বন্ধন, তুরস্কের ককেশাস অঞ্চলের জনগণের প্রতি ঐতিহাসিক সহানুভূতি ও সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।  পার্কটির নামকরণ ও উদ্দেশ্যআহমত-হাজি কাদিরভ, চেচেন প্রজাতন্ত্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং ধর্মীয় নেতা আখমত কাদিরভের স্মরণে এই পার্কের নামকরণ করা হয়েছে।    সাংস্কৃতিক মিলনমেলা, কেচিওরেন পৌরসভা এটিকে এমন একটি স্থান হিসেবে গড়ে তুলেছে যা স্থানীয় তুর্কি এবং সেখানে বসবাসরত চেচেন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা হিসেবে কাজ করবে।  কেচিওরেন পৌরসভার ভূমিকাআন্তর্জাতিক সংহতি, কেচিওরেন পৌরসভা ঐতিহ্যগতভাবেই বিভিন্ন মুসলিম ও ককেশাস অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বিভিন্ন পার্ক ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে থাকে।মেয়রের প্রতিশ্রুতি: মেয়র তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের সামাজিক প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দুই দেশের নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।  ChatGPT said: রমজান কাদিরভের বাবার নামে তুরস্কে পার্ক, ঘিরে ঐতিহাসিক সম্পর্কের বার্তা    রমজান কাদিরভের বাবার নামে তুরস্কে পার্ক, ঘিরে ঐতিহাসিক সম্পর্কের বার্তা মুক্তমন রিপোর্টার  তুরস্কের আঙ্কারা প্রদেশের কেচিওরেন পৌরসভায় চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবা আহমত-হাজি কাদিরভের নামে একটি পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘আহমত-হাজি কাদিরভ পার্ক’ নামে প্রস্তাবিত এই উদ্যোগকে তুর্কি ও চেচেন জনগণের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।  সম্প্রতি পার্কটির উদ্বোধন-সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে কেচিওরেনের মেয়র তুরস্ক ও ককেশাস অঞ্চলের জনগণ, বিশেষ করে চেচেন সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।  পৌরসভা সূত্রে বলা হয়েছে, তুর্কি ও চেচেন জনগণের দীর্ঘদিনের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই পার্কটির নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ককেশাস অঞ্চলের জনগণের প্রতি তুরস্কের ঐতিহাসিক সহানুভূতি ও সংহতিরও প্রতিফলন রয়েছে এই উদ্যোগে।  আহমত-হাজি কাদিরভের নামে পার্ক আহমত-হাজি কাদিরভ ছিলেন চেচেন প্রজাতন্ত্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ধর্মীয় নেতা এবং রমজান কাদিরভের বাবা। তার স্মরণে পার্কটির নামকরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেচিওরেন পৌরসভা।  পৌরসভার পরিকল্পনা অনুযায়ী, পার্কটি স্থানীয় তুর্কি জনগোষ্ঠী এবং তুরস্কে বসবাসরত চেচেন সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।  তুর্কি-চেচেন সম্পর্কের বার্তা কেচিওরেন পৌরসভা বিভিন্ন মুসলিম ও ককেশাস অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন পার্ক ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে থাকে। নতুন এই উদ্যোগও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে জানানো হয়েছে।  অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের মাধ্যমে দুই জনগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক সম্পর্ক সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানানো সম্ভব হবে। একইসঙ্গে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।  SEO Meta Title রমজান কাদিরভের বাবার নামে তুরস্কে পার্ক, জানুন কারণ  Meta Description তুরস্কের কেচিওরেন পৌরসভায় চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবা আহমত-হাজি কাদিরভের নামে পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রয়েছে তুর্কি-চেচেন সম্পর্কের বার্তা।  Keywords রমজান কাদিরভ, আহমত-হাজি কাদিরভ, কাদিরভ, তুরস্ক, চেচেন নেতা, চেচেন প্রজাতন্ত্র, কেচিওরেন, আঙ্কারা, আহমত কাদিরভ পার্ক, তুর্কি চেচেন সম্পর্ক, ককেশাস, তুরস্কের খবর, আন্তর্জাতিক সংবাদ  Tags রমজান কাদিরভ, আহমত কাদিরভ, তুরস্ক, চেচেন, কেচিওরেন, আঙ্কারা, ককেশাস, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব সংবাদ, পার্ক, তুর্কি-চেচেন সম্পর্ক  Image ALT তুরস্কের কেচিওরেনে আহমত-হাজি কাদিরভের নামে পার্ক  Image Caption রমজান কাদিরভের বাবা আহমত-হাজি কাদিরভের নামে তুরস্কে পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ  Suggested URL Slug ahmat-haji-kadyrov-park-turkey-kecioren    You said:  সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিস ছাঁটাই, ইসরায়েলে প্রশংসা  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫০  অনলাইন ডেস্ক সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিস ছাঁটাই, ইসরায়েলে প্রশংসা সংগৃহীত ছবি  সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ দেশটির স্কুলের পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছেড়ে দেবে না’—এই বাক্যটি সরিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় সৌদি আরবের ব্যাপক প্রশংসা করেছে ইসরায়েলভিত্তিক একটি সংস্থা।  ইসরায়েলি গবেষণা সংস্থা ইমপ্যাক্ট-সে জুলাইয়ের শেষ দিকে সৌদি পাঠ্যক্রমের ওপর তাদের পর্যালোচনা প্রকাশ করে। সেখানেই এ তথ্য জানা গেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বক্তব্যটি ইঙ্গিত করত যে জেরুজালেমের ওপর মুসলিম নিয়ন্ত্রণ বা সেখানে মুসলিমদের উপস্থিতি হুমকির মুখে রয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এই উল্লেখকে ‘জেরুজালেমকে মুসলিম ও অন্যান্য গোষ্ঠীর, বিশেষ করে ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের একটি কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।।’  এতে আরও বলা হয়েছে, ইমপ্যাক্ট-সে যেসব বিষয়কে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে, তার ‘সবগুলো উদাহরণ’ পাঠ্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।  প্রতিবেদনটি কোরআন ও হাদিস থেকে কিছু অংশ সরিয়ে দেয়াকে একটি ‘ইতিবাচক উন্নয়ন’ হিসেবে প্রশংসা করেছে। সৌদি পাঠ্যবই থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে এমন একটি সুপরিচিত হাদিস বাদ দেয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ (সা.) এক অসুস্থ ইহুদি বালককে দেখতে গিয়েছিলেন এবং পরে সেই বালক ইসলাম গ্রহণ করেছিল।   ইমপ্যাক্ট-সে বলেছে, ২০২৫ সালের সংস্করণে এই উদাহরণটি সরিয়ে দেয়া ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে একটি উন্নতি, কারণ এখন শিক্ষার্থীদের আর শেখানো হচ্ছে না যে ইসলামে অবিশ্বাসের কারণে অভিশাপ বা শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়।  সংস্থাটি অবিশ্বাস ও পাপের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা কোরআনের আয়াতগুলো ‘সংক্ষিপ্ত’ করার বিষয়টিকেও স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা সৌদি স্কুলগুলোর সমালোচনা করেছে, কারণ সেখানে এখনও মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে যে ইসলামই মানবজাতির স্বাভাবিক ধর্ম।  ChatGPT said: সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ, ইসরায়েলি সংস্থার প্রশংসা    সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ, ইসরায়েলি সংস্থার প্রশংসা মুক্তমন রিপোর্টার  সৌদি আরবের স্কুল পাঠ্যক্রমে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশটির পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছেড়ে দেবে না’—এমন একটি বক্তব্য বাদ দেওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। একইসঙ্গে কোরআন ও হাদিসের কিছু অংশ সংশোধন বা সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টিকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে ইসরায়েলভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইমপ্যাক্ট-সে।  জুলাইয়ের শেষ দিকে সৌদি আরবের পাঠ্যক্রম নিয়ে একটি পর্যালোচনা প্রকাশ করে ইমপ্যাক্ট-সে। ওই প্রতিবেদনে সৌদি পাঠ্যবইয়ের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোতে বিভিন্ন পরিবর্তনের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।  প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছেড়ে দেবে না’—এই বক্তব্যটি সৌদি পাঠ্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইমপ্যাক্ট-সের ব্যাখ্যায়, বক্তব্যটি জেরুজালেমের ওপর মুসলিম নিয়ন্ত্রণ বা সেখানে মুসলিমদের উপস্থিতিকে হুমকির মুখে থাকার ধারণার সঙ্গে যুক্ত ছিল।  সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, তাদের নির্ধারিত ‘ইহুদিবিদ্বেষ’-এর উদাহরণগুলোর উল্লেখও সৌদি পাঠ্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।  কোরআন-হাদিসের কিছু অংশে পরিবর্তন ইমপ্যাক্ট-সে সৌদি পাঠ্যবইয়ে কোরআন ও হাদিসের কিছু অংশ বাদ বা সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টিকেও ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করেছে।  সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের সংস্করণে একটি পরিচিত হাদিসের উল্লেখ বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই হাদিসে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর এক অসুস্থ ইহুদি বালককে দেখতে যাওয়ার এবং পরবর্তী সময়ে তার ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণিত ছিল।  ইমপ্যাক্ট-সের মতে, এই অংশ বাদ দেওয়াকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা যেতে পারে।  এছাড়া অবিশ্বাস ও পাপের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা কোরআনের কিছু আয়াত সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টিও প্রশংসা করেছে সংস্থাটি।  তবে ইমপ্যাক্ট-সে সৌদি পাঠ্যক্রমের কিছু বিষয় নিয়ে এখনও সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, সৌদি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের ইসলামকে মানবজাতির স্বাভাবিক ধর্ম হিসেবে শেখানো হচ্ছে।  সৌদি আরবের পাঠ্যক্রমে এসব পরিবর্তন দেশটির শিক্ষা ও সামাজিক নীতিতে চলমান পরিবর্তনের অংশ কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।  SEO Meta Title সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ, প্রশংসায় ইসরায়েলি সংস্থা  Meta Description সৌদি আরবের স্কুল পাঠ্যবই থেকে জেরুজালেম ও কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ দেওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছে ইমপ্যাক্ট-সে। পরিবর্তনগুলোকে ইতিবাচক বলেছে সংস্থাটি।  Keywords সৌদি আরব, সৌদির পাঠ্যবই, কোরআন হাদিস, সৌদি শিক্ষা, সৌদি পাঠ্যক্রম, জেরুজালেম, ইমপ্যাক্ট-সে, ইসরায়েলি গবেষণা সংস্থা, সৌদি আরবের শিক্ষা, মুসলিম বিশ্ব, সৌদি স্কুল, আন্তর্জাতিক সংবাদ, সৌদি পাঠ্যবই পরিবর্তন  Tags সৌদি আরব, কোরআন, হাদিস, সৌদি পাঠ্যক্রম, জেরুজালেম, ইসরায়েল, ইমপ্যাক্ট-সে, সৌদি শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সংবাদ, মধ্যপ্রাচ্য, বিশ্ব সংবাদ  Image ALT সৌদি আরবের স্কুলের পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের অংশ পরিবর্তন  Image Caption সৌদি আরবের পাঠ্যক্রমে কোরআন-হাদিস ও জেরুজালেম-সংক্রান্ত কিছু বিষয় পরিবর্তনের দাবি  Suggested URL Slug saudi-textbook-quran-hadith-changes-impact-se    You said:  স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ জানায় সরকার: রিজভী  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪:১০  নিজস্ব প্রতিবেদক স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ জানায় সরকার: রিজভী কথা বলছেন রুহুল কবির রিজভী। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদষ্টা রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে তাকে সাধুবাদ জানায় সরকার। তিনি বলেন, তবে স্বার্থ থাকলে এগোবেনা বাংলাদেশ। বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে।  আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।   বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের নেয়া নানা কল্যাণমুখী কাজ জনগণের কাছে তুলে ধরতে স্বেচ্ছাসেবকদল মাঠে থাকবে বলে এসময় আশা করেন রিজভী।  এছাড়া যেকোন ষড়যন্ত্র ও প্রতিবন্ধকতা বিএনপির নেতাকর্মীরা শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও জানান বিএনপির এ স্থায়ী কমিটির সদস্য।  ChatGPT said: স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ: রিজভী    স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ: রিজভী মুক্তমন রিপোর্টার  স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ সরকার সেটিকে সাধুবাদ জানাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তবে কোনো ধরনের স্বার্থ জড়িত থাকলে বাংলাদেশ তাতে এগোবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।  বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।  স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রিজভী।  রিজভী বলেন, বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে। তাই বন্ধুত্বপূর্ণ ও নিঃস্বার্থ কোনো আমন্ত্রণ এলে বাংলাদেশ তা ইতিবাচকভাবে দেখবে। তবে জাতীয় স্বার্থের বাইরে কোনো উদ্যোগে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে না।  এ সময় বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় থাকবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।  রিজভী আরও বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র ও প্রতিবন্ধকতা বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করবেন।  SEO Meta Title স্বার্থ ছাড়া ভারতের আমন্ত্রণে সাধুবাদ, স্বার্থ থাকলে নয়: রিজভী  Meta Description স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ সরকার তা সাধুবাদ জানাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভী।  Keywords রুহুল কবির রিজভী, রিজভী, ভারত, বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক, ভারতের আমন্ত্রণ, বিএনপি, বিএনপির স্থায়ী কমিটি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, স্বেচ্ছাসেবক দল, বিএনপি সংবাদ, রাজনৈতিক সংবাদ  Tags রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি, ভারত, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, স্বেচ্ছাসেবক দল, জিয়া উদ্যান, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, রাজনৈতিক সংবাদ, জাতীয় সংবাদ  Image ALT ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন রুহুল কবির রিজভী  Image Caption স্বার্থ ছাড়া ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণকে সাধুবাদ জানাবে বাংলাদেশ: রিজভী  Suggested URL Slug india-friendly-invitation-rizvi-bangladesh-national-interest    You said:  দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার নতুন উদ্যোগ  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:২৭  অনলাইন ডেস্ক দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার নতুন উদ্যোগ  দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পবিত্র কোরআন শেখানো, মুখস্থ করা ও তিলাওয়াতের সুযোগ বাড়াতে নতুন একটি বিশেষায়িত প্রকল্প চালু করেছে সিরিয়া।  দামেস্কের আল-তিজারা এলাকার আল-কুসুর মসজিদে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির উদ্বোধন করে দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরীয় আরব প্রজাতন্ত্রের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ওসামা আব্দুল করিম আল-রিফাই এবং ধর্মীয় ওয়াকফমন্ত্রী মুহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি।  ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সমাজের কোনো মানুষ যেন প্রতিবন্ধকতার কারণে কোরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে না থাকেন—এ লক্ষ্যেই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে বিশেষায়িত শিক্ষাক্রম ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি তৈরি করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা পবিত্র কোরআন শিখতে, মুখস্থ করতে ও সঠিকভাবে তিলাওয়াত করতে সক্ষম হবে।  পাশাপাশি ধর্মীয় ও কোরআনিক শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং সমাজে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি আরো দৃঢ় হবে। এ জন্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ, আচরণ ও শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে দক্ষ বিশেষজ্ঞ শিক্ষক তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হবে। প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের মাধ্যমে তাদের জন্য উপযোগী শিক্ষা-পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে, যাতে তারা ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমে কার্যকরভাবে অংশ নিতে পারেন।   দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তরের এসব উদ্যোগ ধর্মীয় শিক্ষায় প্রতিবন্ধী ও সাধারণ—সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা এবং কোরআন শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল ক্যাম্প আয়োজনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় শিক্ষাকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবিক ও অংশগ্রহণমূলক করার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা মানুষের হৃদয়কে আলোকিত করে। সেই আলো থেকে কোনো মানুষ যেন প্রতিবন্ধকতার কারণে বঞ্চিত না হয়—সে লক্ষ্যেই এই আশাব্যঞ্জক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  ChatGPT said: প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার বিশেষ উদ্যোগ মুক্তমন রিপোর্টার  দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পবিত্র কোরআন শেখা, মুখস্থ করা ও তিলাওয়াতের সুযোগ বাড়াতে বিশেষায়িত একটি প্রকল্প চালু করেছে সিরিয়া।  দামেস্কের আল-তিজারা এলাকার আল-কুসুর মসজিদে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকল্পটির উদ্বোধন করে দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরীয় আরব প্রজাতন্ত্রের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ওসামা আব্দুল করিম আল-রিফাই এবং ধর্মীয় ওয়াকফমন্ত্রী মুহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি।  ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রতিবন্ধকতার কারণে যেন কোনো মানুষ কোরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।  প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রয়োজন বিবেচনায় বিশেষায়িত শিক্ষাক্রম ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে তারা কোরআন শেখা, মুখস্থ করা এবং সঠিকভাবে তিলাওয়াতের সুযোগ পাবেন।  এ উদ্যোগের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, আচরণ ও শিক্ষাদানের বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক তৈরির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।  প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উপযোগী শিক্ষা-পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে, যাতে তারা ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমে আরও কার্যকরভাবে অংশ নিতে পারেন।  দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তরের এই উদ্যোগকে ধর্মীয় শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য পৃথক শিক্ষাব্যবস্থা ও কোরআন শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।  স্মার্ট SEO Title প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার বিশেষ উদ্যোগ  Meta Title প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার নতুন উদ্যোগ | মুক্তমন  Meta Description দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শেখা, মুখস্থ ও তিলাওয়াতের সুযোগ বাড়াতে বিশেষায়িত প্রকল্প চালু করেছে সিরিয়ার ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর।  Keywords সিরিয়া, কোরআন শিক্ষা, প্রতিবন্ধী, প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, দামেস্ক, ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর, আল-কুসুর মসজিদ, কোরআন মুখস্থ, কোরআন তিলাওয়াত, ইসলামিক শিক্ষা, ধর্মীয় শিক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা  Tags সিরিয়া, কোরআন, কোরআন শিক্ষা, প্রতিবন্ধী, দামেস্ক, ইসলাম, ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামিক সংবাদ, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন  Image ALT সিরিয়ায় প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষার বিশেষ উদ্যোগ  Image Caption দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার বিশেষ প্রকল্প  URL Slug syrian-initiative-quran-education-for-disabled    You said:  বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা  আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:৫১  অনলাইন ডেস্ক বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা  বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন স্তর বা গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।  বিএসইসি প্রতিষ্ঠার পর একসঙ্গে এত কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানা গেছে।   সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার এসব সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আজ বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।  জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কয়েকজন কমিশনারকে চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় মোট ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  ওই ঘটনার পর ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি সরকারি বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে মোট ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তবে তাদের মধ্যে একজন এরই মধ্যে অন্য একটি অভিযোগে চাকরিচ্যুত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।   ২০২৫ সালের ৫ মার্চ বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।  বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কর্মসূচি পালন করেছিলেন। একই সঙ্গে কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তারা কর্মবিরতিও পালন করেন। এর ফলে কয়েক দিন বিএসইসিতে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।  ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, কমিশনের সভা চলাকালে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী জোর করে সভাকক্ষে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করেন। পরে কমিশনের মূল ফটকে তালা দেওয়া হয়।  এ ছাড়া সিসিটিভি ও ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া, লিফট অচল করা এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে সেখানে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।  সরকারি তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে এবার ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো। এর মাধ্যমে বিএসইসির ইতিহাসে একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা ঘটল।  ChatGPT said: বিএসইসিতে বড় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বাধ্যতামূলক অবসরে ১৭ কর্মকর্তা মুক্তমন রিপোর্টার  বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপ বা গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।  বিএসইসি প্রতিষ্ঠার পর একসঙ্গে এত কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানা গেছে।  সরকারের নির্দেশনার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এসব সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।  ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কয়েকজন কমিশনারকে চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় মোট ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  ওই ঘটনার পর ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি সরকারি বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেওয়া হয়। পরে সরকারের পক্ষ থেকে মোট ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।  তবে ওই তালিকায় থাকা একজন কর্মকর্তা এরই মধ্যে অন্য একটি অভিযোগে চাকরিচ্যুত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।  কী ঘটেছিল ৫ মার্চ? ২০২৫ সালের ৫ মার্চ বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।  বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কর্মসূচি পালন করেছিলেন। একই সঙ্গে কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তারা কর্মবিরতিও পালন করেন। এতে কয়েক দিন বিএসইসিতে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।  ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, কমিশনের সভা চলাকালে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী জোর করে সভাকক্ষে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করেন। পরে কমিশনের মূল ফটকে তালা দেওয়া হয়।  মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, সিসিটিভি ও ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া, লিফট অচল করা এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে সেখানে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।  সরকারি তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে এবার ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো। এর ফলে বিএসইসির ইতিহাসে একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা ঘটল।  SEO Meta Title বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, আরও ৫ জনের পদাবনতি  Meta Description বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে সর্বনিম্ন বেতন গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।  Keywords বিএসইসি, বিএসইসি কর্মকর্তা, বাধ্যতামূলক অবসর, ১৭ কর্মকর্তা, বিএসইসি শাস্তি, পুঁজিবাজার, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ৫ মার্চ বিএসইসি, খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ, বিএসইসি তদন্ত, অর্থ মন্ত্রণালয়, পদাবনতি, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা  Tags বিএসইসি, পুঁজিবাজার, বাধ্যতামূলক অবসর, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিএসইসি কর্মকর্তা, জাতীয় সংবাদ  Image ALT বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর খবর  Image Caption বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, আরও পাঁচজনের পদাবনতি  Suggested URL Slug bsec-17-officials-compulsory-retirement-5-demoted    You said:  চার দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:০২  অনলাইন ডেস্ক চার দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস সংগৃহীত ছবি রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বুখারেস্টের বাংলাদেশ দূতাবাস। জনসচেতনতামূলক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় দূতাবাস।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বা শেয়ার করা পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কনটেন্ট অনেক সময় আইনি বা অন্য ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে।  বিশেষ করে ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা কিংবা অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয়সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।  কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই এবং তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে দূতাবাস বলেছে, এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার করা উচিত নয়, যা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের পরিপন্থি, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।  বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো কনটেন্ট থেকে সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করা হচ্ছে বলে মনে হতে পারে— এমন বিষয় থেকেও বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় দেশের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি স্থানীয় আইন-কানুন, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংবেদনশীলতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে নিরাপদ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার ব্যক্তিকে সম্ভাব্য আইনি ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে বিদেশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী নাগরিকদের মর্যাদা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।  রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত সব বাংলাদেশীকে সচেতন ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল, সংযত, সম্মানজনক ও আইনসম্মতভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।  ChatGPT said: চার দেশে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল দূতাবাস মুক্তমন রিপোর্টার  রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বুখারেস্টে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।  জনসচেতনতামূলক এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৯ আগস্ট) এ আহ্বান জানানো হয়।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে সেখানে প্রকাশিত বা শেয়ার করা পোস্ট, মন্তব্য, ছবি ও ভিডিও অনেক সময় আইনি বা অন্য ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে।  বিশেষ করে ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।  কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে তা ভালোভাবে যাচাই এবং তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে দূতাবাস বলেছে, সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের পরিপন্থি, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে—এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার করা উচিত নয়।  এ ছাড়া কোনো কনটেন্ট থেকে সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থনের ধারণা তৈরি হতে পারে—এমন বিষয় থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় দেশের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি স্থানীয় আইন-কানুন, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংবেদনশীলতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  দূতাবাসের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার ব্যক্তিকে সম্ভাব্য আইনি ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে বিদেশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি নাগরিকদের মর্যাদা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি বজায় রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ।  রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল, সংযত, সম্মানজনক ও আইনসম্মত আচরণের আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।  SEO Meta Title চার দেশে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা  Meta Description রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় থাকা বাংলাদেশিদের অনলাইনে ধর্ম, রাজনীতি ও সংবেদনশীল কনটেন্টে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।  Keywords বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশিদের সতর্কতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন ব্যবহার, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, মলদোভা, বুখারেস্ট দূতাবাস, বিদেশে বাংলাদেশি, প্রবাসী বাংলাদেশি, অনলাইন সতর্কতা, স্থানীয় আইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইন  Tags বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী বাংলাদেশি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, মলদোভা, উত্তর মেসিডোনিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন সতর্কতা, বিদেশে বাংলাদেশি, আন্তর্জাতিক সংবাদ  Image ALT চার দেশে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল বাংলাদেশ দূতাবাস  Image Caption রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় থাকা বাংলাদেশিদের অনলাইনে সতর্ক থাকার আহ্বান  Suggested URL Slug bangladesh-embassy-warns-citizens-four-countries-social-media    You said:  পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৩১  অনলাইন ডেস্ক পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানি মিসাইল  যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে তেহরানও পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের এক আইনপ্রণেতা। তবে ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে—এমন কোনো দাবি তিনি করেননি।  ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য ফাদা হোসেইন মালেকি বুধবার ইরানি সংবাদমাধ্যম খবর অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন।   যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মালেকি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ পদক্ষেপের সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তবে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস ট্রাম্প দেখাবেন বলে তিনি মনে করেন না। কারণ, এর ফলে বিশ্ব একটি বিপজ্জনক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।  মালেকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে এমন কোনো হামলা চালায়, তাহলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান অবশ্যই জবাব দেবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিক্রিয়া হবে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।  যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে ইরানও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্রই ব্যবহার করুক না কেন, ইরান তার জবাব দেবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেননি, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে কি না।   ওয়াশিংটনকে আরও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করে মালেকি বলেন, ইরানের হাতে এখনো ‘একাধিক বিকল্প’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো পদক্ষেপের জবাব ‘সমপর্যায়ের বা তার চেয়েও বেশি’ হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।  ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে তিনি দাবি করেন, তেহরানের হাতে থাকা অনেক অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তার মতে, ইরান এখন আর কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে নেই; বরং “সক্রিয় ও আক্রমণাত্মক প্রতিরোধের” সক্ষমতা অর্জন করেছে।  এদিকে স্থগিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন এই আইনপ্রণেতা। তার অভিযোগ, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অধীনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করলে তেহরান আলোচনায় ফিরবে না বলেও জানান তিনি।  মালেকির ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও অমীমাংসিত থেকে যাবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা একটি পৃথক দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে।  যুদ্ধ শেষ করা এবং চূড়ান্ত চুক্তির পথ তৈরি করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনের মাঝামাঝি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। তবে স্মারকটির বাস্তবায়ন এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিরোধের পর দুই দেশের আলোচনা থমকে যায়।   এর মধ্যেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে। কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের পর তেহরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু এবং মার্কিন সম্পদের ওপর পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের একজন আইনপ্রণেতার পারমাণবিক হামলার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দুই দেশের সংঘাতকে আরও উদ্বেগজনক মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।  ChatGPT said: পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের মুক্তমন রিপোর্টার  যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে তেহরানও পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের এক আইনপ্রণেতা। তবে ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে—এমন কোনো দাবি করেননি তিনি।  ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য ফাদা হোসেইন মালেকি বুধবার ইরানি সংবাদমাধ্যম খবর অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন।  যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা প্রসঙ্গে মালেকি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ পদক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস ট্রাম্প দেখাবেন বলে তিনি মনে করেন না। কারণ, এর ফলে বিশ্ব আরও বিপজ্জনক একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।  মালেকির ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হামলা চালালে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান অবশ্যই তার জবাব দেবে। ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন অনুযায়ী প্রতিক্রিয়াও নির্ধারিত হবে বলে জানান তিনি।  যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে ইরানও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মালেকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্রই ব্যবহার করুক না কেন, ইরান তার জবাব দেবে। তবে ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো দাবি করেননি।  ‘একাধিক বিকল্প’ রয়েছে ইরানের ওয়াশিংটনকে আরও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করে মালেকি বলেন, ইরানের হাতে এখনো ‘একাধিক বিকল্প’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো পদক্ষেপের জবাব ‘সমপর্যায়ের বা তার চেয়েও বেশি’ হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।  ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে এই আইনপ্রণেতা দাবি করেন, তেহরানের হাতে থাকা অনেক অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তার মতে, ইরান এখন শুধু প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে নেই; বরং সক্রিয় প্রতিরোধের সক্ষমতাও অর্জন করেছে।  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়েও অনড় তেহরান স্থগিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মালেকি। তার অভিযোগ, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ওয়াশিংটন বাস্তবায়ন করেনি।  যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করলে তেহরান আলোচনায় ফিরবে না বলেও জানান তিনি।  মালেকির ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত থেকে যেতে পারে। একইসঙ্গে ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা আলাদা একটি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও জানান তিনি।  ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যে এই বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা এবং এর সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিক্রিয়া নিয়ে মালেকির মন্তব্য দুই দেশের চলমান উত্তেজনাকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে।  SEO Meta Title পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে জবাব দেবে ইরান: মালেকি  Meta Description যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হামলা চালালে তেহরান পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের আইনপ্রণেতা ফাদা হোসেইন মালেকি।  Keywords ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত, পারমাণবিক হামলা, ইরানের হুঁশিয়ারি, ফাদা হোসেইন মালেকি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের সামরিক সক্ষমতা, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র, হরমুজ প্রণালি, ইরান যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব সংবাদ  Tags ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ডোনাল্ড ট্রাম্প, পারমাণবিক অস্ত্র, পারমাণবিক হামলা, ফাদা হোসেইন মালেকি, হরমুজ প্রণালি, মধ্যপ্রাচ্য, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব রাজনীতি  Image ALT পারমাণবিক হামলার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান  Image Caption যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের  Suggested URL Slug iran-warns-us-retaliation-nuclear-attack    You said:  এখন ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি  আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫২  অনলাইন ডেস্ক এখন ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি  ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছে। তার দাবি, আরব দেশগুলো এখন বুঝতে পারছে—আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিদেশি সামরিক ঘাঁটির ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না; বরং তা হতে হবে সম্মিলিত ও আঞ্চলিক।  রাষ্ট্রপতির যোগাযোগ দপ্তরকে দেওয়া এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে বহিরাগত শক্তি ও তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতার উৎসে পরিণত হয়েছে।   তার দাবি, যেসব দেশে বিদেশি সামরিক ঘাঁটি ছিল না, তারা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি ছিল, সেই ঘাঁটিগুলো তাদের রক্ষার পরিবর্তে সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে।  আরাঘচি বলেন, যুদ্ধের পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে একটি নতুন উপলব্ধি তৈরি হয়েছে। তার মতে, এই নিরাপত্তা হতে হবে সম্মিলিত এবং এর সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকেও যুক্ত করতে হবে। রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ভারসাম্যহীনতা বজায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  ইরানের যুদ্ধ-পরবর্তী পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে আরাঘচি বলেন, এটি যুদ্ধের আগের নীতির তুলনায় “সম্পূর্ণ ভিন্ন” হবে।   তিনি দাবি করেন, যুদ্ধের আগে ইরানকে দুর্বল হিসেবে দেখার একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়েছিল এবং সেই ধারণাই আক্রমণের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে ৪০ দিনের প্রতিরোধের পর ইরানের সেই ভাবমূর্তি বদলে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। এখন ইরানকে এমন একটি শক্তিশালী ও সহনশীল দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম।  ইরানের জনকূটনীতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন আরাঘচি। তার দাবি, যুদ্ধ চলাকালে ইরানের জনকূটনীতি “অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রভাবশালী” ছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে তা পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে গেছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মরত ইরানি কূটনীতিকদেরও প্রশংসা করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাপক চাপের মধ্যেও কোনো কূটনীতিক পদত্যাগ করেননি।  সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পেজেশকিয়ান ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।  আরাঘচির ভাষ্য অনুযায়ী, ১২ দিনের যুদ্ধের পর পেজেশকিয়ান কেবল একটি সাধারণ যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেন এবং এমন একটি যুদ্ধের সমাপ্তি চেয়েছিলেন, যাতে একই ধরনের সংঘাত আবার ফিরে না আসে।  তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ১৫ দফা প্রস্তাব কার্যত একটি “আত্মসমর্পণ দলিলের” মতো ছিল। পরে ১৪ দফার যে সমঝোতা স্মারক তৈরি হয়, সেটি আলোচনায় ইরানের অবস্থান কতটা এগিয়েছে তার প্রমাণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   পেজেশকিয়ানকে আরাঘচি একজন সংস্কারবাদী নেতা হিসেবে বর্ণনা করলেও বলেন, নীতিগত প্রশ্নে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়। ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের কল্যাণের প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার রয়েছে বলেও দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  সবশেষে আরাঘচি বলেন, যুদ্ধের পর ইরানিরা এমন একটি পররাষ্ট্রনীতির প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবে, যা হবে আরও শক্তিশালী, দৃঢ় ও মর্যাদাপূর্ণ এবং যার মূল লক্ষ্য থাকবে জাতীয় স্বার্থ, জনগণের অধিকার ও ইরানের মর্যাদা রক্ষা করা।  ChatGPT said: যুদ্ধের পর ইরানকে এখন শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি মুক্তমন রিপোর্টার  সাম্প্রতিক যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে প্রচলিত ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার দাবি, যুদ্ধের পর ইরানকে এখন একটি শক্তিশালী ও প্রতিরোধক্ষম দেশ হিসেবে দেখছে বিশ্ব।  রাষ্ট্রপতির যোগাযোগ দপ্তরকে দেওয়া এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আরাঘচি।  তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাত প্রমাণ করেছে, বিদেশি সামরিক ঘাঁটি সবসময় কোনো দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। বরং অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘাঁটি নিরাপত্তাহীনতার উৎস হয়ে উঠতে পারে।  আরাঘচির দাবি, যেসব দেশে বিদেশি সামরিক ঘাঁটি ছিল না, তারা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সংঘাতের সময় সেগুলো সংশ্লিষ্ট দেশকে রক্ষার পরিবর্তে সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে।  আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন ভাবনা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উপলব্ধি তৈরি হয়েছে। তার মতে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা হতে হবে সম্মিলিত ও আঞ্চলিক। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকেও যুক্ত করতে হবে।  রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ভারসাম্যহীনতা রেখে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  ‘ইরানকে দুর্বল ভাবার ধারণা বদলে গেছে’ যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানের পররাষ্ট্রনীতি আগের তুলনায় ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন’ হবে বলে জানান আরাঘচি।  তার দাবি, যুদ্ধের আগে ইরানকে দুর্বল হিসেবে দেখার একটি ধারণা তৈরি হয়েছিল, যা আক্রমণের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে ৪০ দিনের প্রতিরোধের পর সেই ধারণা বদলে গেছে।  আরাঘচির ভাষ্য, এখন ইরানকে এমন একটি শক্তিশালী ও সহনশীল দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম।  ইরানের জনকূটনীতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তার দাবি, যুদ্ধের সময় ইরানের জনকূটনীতি অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে গেছে।  পেজেশকিয়ানের প্রশংসা সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন আরাঘচি। ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পেজেশকিয়ান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি।  আরাঘচির ভাষ্য অনুযায়ী, ১২ দিনের যুদ্ধের পর পেজেশকিয়ান শুধু সাধারণ যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না; বরং এমনভাবে যুদ্ধের অবসান চেয়েছিলেন, যাতে একই ধরনের সংঘাত আবার ফিরে না আসে।  তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ১৫ দফা প্রস্তাব কার্যত ‘আত্মসমর্পণ দলিলের’ মতো ছিল। পরে ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক তৈরি হওয়াকে আলোচনায় ইরানের অবস্থান শক্তিশালী হওয়ার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।  পেজেশকিয়ানকে সংস্কারবাদী নেতা হিসেবে বর্ণনা করলেও আরাঘচি বলেন, নীতিগত প্রশ্নে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়। ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণের প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার রয়েছে বলেও দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  সবশেষে আরাঘচি বলেন, যুদ্ধের পর ইরানিরা আরও শক্তিশালী, দৃঢ় ও মর্যাদাপূর্ণ একটি পররাষ্ট্রনীতির প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবে। জাতীয় স্বার্থ, জনগণের অধিকার ও ইরানের মর্যাদা রক্ষাই এই নীতির মূল লক্ষ্য হবে।  SEO Meta Title যুদ্ধের পর ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি  Meta Description সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর ইরানের ভাবমূর্তি বদলে গেছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার মতে, এখন ইরানকে শক্তিশালী ও প্রতিরোধক্ষম দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  Keywords ইরান, আব্বাস আরাঘচি, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ইরান যুদ্ধ, ইরানের শক্তি, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, পারস্য উপসাগর, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, মাসুদ পেজেশকিয়ান, ইরান যুক্তরাষ্ট্র, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইরানের প্রতিরোধ, ইসলামাবাদ সমঝোতা, আন্তর্জাতিক সংবাদ  Tags ইরান, আব্বাস আরাঘচি, পেজেশকিয়ান, মধ্যপ্রাচ্য, ইরান যুদ্ধ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, যুক্তরাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব রাজনীতি  Image ALT ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি  Image Caption যুদ্ধের পর ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে দাবি আব্বাস আরাঘচির  Suggested URL Slug iran-seen-as-strong-country-after-war-araghchi    You said:  মাইক্রোবাসে তল্লাশি, উদ্ধার হলো ৬৪ হাজার পিচ ইয়াবা দুই কারবারি গ্রেপ্তার  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫২  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি মাইক্রোবাসে তল্লাশি, উদ্ধার হলো ৬৪ হাজার পিচ ইয়াবা বিপুল পরিমাণ মাদক সহ ধরা দুই কারবারি  গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা, নগদ ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বিলাস বহুল মাইক্রোবাসসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  গ্রেপ্তাররা হলেন- গোপালগঞ্জের উজ্জ্বল মোল্লা (৪০) ও তার সহযোগী ওয়াসিম মোল্লা (২৫)।    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিনগত রাত ৩টার দিকে শহরের এলজিইডি মোড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে এলজিইডি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় ডিবি পুলিশের একটি দল। এ সময় সন্দেহভাজন একটি সাদা রঙের নতুন মডেলের মাইক্রোবাস ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় সেটিতে তল্লাশি চালানো হয়।  তল্লাশির একপর্যায়ে মাইক্রোবাসে থাকা উজ্জ্বল মোল্লা ও ওয়াসিম মোল্লার কাছ থেকে প্রথমে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। পরে তাদের সঙ্গে থাকা একটি লাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। ওই লাগেজের ভেতর থেকে আরও ৫৯ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।   এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সাদা রঙের বিলাসবহুল মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়।  পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তাররা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে গাড়িতে ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে টেকনাফ ও কক্সবাজার এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করতেন। পরে সেগুলো গোপালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন।  গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাসানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা, নগদ টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।  তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার মাদক কারবারি উজ্জ্বল মোল্লার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১০টিরও বেশি মাদক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্ট একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।  এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  ChatGPT said: মাইক্রোবাসে তল্লাশি, মিলল ৬৪ হাজার ইয়াবা: গোপালগঞ্জে দুই কারবারি গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | মুক্তমন রিপোর্টার  গোপালগঞ্জে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা, নগদ ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বিলাসবহুল মাইক্রোবাস জব্দ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জের উজ্জ্বল মোল্লা (৪০) ও তার সহযোগী ওয়াসিম মোল্লা (২৫)।  মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের এলজিইডি মোড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে এলজিইডি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এ সময় সন্দেহজনক একটি সাদা রঙের নতুন মডেলের মাইক্রোবাস সেখানে পৌঁছালে সেটিতে তল্লাশি চালানো হয়।  তল্লাশির প্রথম পর্যায়ে মাইক্রোবাসে থাকা উজ্জ্বল মোল্লা ও ওয়াসিম মোল্লার কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা একটি লাগেজে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৫৯ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।  এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জব্দ করেছে পুলিশ।  পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে তারা গাড়িতে ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে টেকনাফ ও কক্সবাজার এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করতেন। পরে গোপালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সেগুলো সরবরাহ করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।  গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাসানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা, নগদ টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ করা হয়।  তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার উজ্জ্বল মোল্লার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১০টির বেশি মাদক মামলা রয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এই মাদক কারবারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।  SEO Meta Title গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসে ৬৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২  Meta Description গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা, ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও গাড়ি জব্দ করেছে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই।  Keywords গোপালগঞ্জে ইয়াবা উদ্ধার, ৬৪ হাজার ইয়াবা, ইয়াবা উদ্ধার, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, গোপালগঞ্জ ডিবি পুলিশ, গোপালগঞ্জ মাদক, উজ্জ্বল মোল্লা, ওয়াসিম মোল্লা, ইয়াবা ব্যবসা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, কক্সবাজার ইয়াবা, টেকনাফ ইয়াবা, মাদক বিরোধী অভিযান  Tags গোপালগঞ্জ, ইয়াবা, মাদক, মাদক কারবারি, ডিবি পুলিশ, গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা, বাংলাদেশ  Image ALT গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাস থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গ্রেপ্তার দুই মাদক কারবারি  Image Caption গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ  Suggested URL Slug gopalganj-microbus-64000-yaba-seized-two-arrested    You said:  চাকরি নিলেন নায়িকা তমা মির্জা  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫০  অনলাইন ডেস্ক চাকরি নিলেন নায়িকা তমা মির্জা তমা মির্জা, সংগৃহীত ছবি।  অভিনয়ের পাশাপাশি এবার ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা।  প্রায় তিন মাস ধরে একটি বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি-ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।   ব্যাংকে চাকরির পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তমা। তার ভাষায়, অভিনয়ই তার প্রথম ভালোলাগা ও ভালোবাসার জায়গা। তাই অভিনয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তার।  তমা মির্জা বলেন, অভিনয় আমার প্রথম ভালো লাগা এবং ভালোবাসার জায়গা। এখানে সবসময় কাজ করে যাবো। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমার অভিনয়ের ব্যাপারে আন্তরিক। তাই অভিনয় চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা নেই।  সর্বশেষ আফরান নিশোর বিপরীতে ‘সুড়ঙ্গ’ এবং ‘দাগি’ সিনেমার মাধ্যমে নজর কাড়েন তমা। তবুও সিনেমায় তার অনেক বেশি ব্যস্ততা নেই।   তমা জানান, তিনি বেছে বেছে বছরে এক-দুটি সিনেমায় অভিনয় করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন পেশায় নিজেকে যুক্ত করার সুযোগকে জীবনের নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন তমা।  শুধু সিনেমা নয়, ওটিটিতেও তমার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক। তার অভিনীত জানোয়ার, খাঁচার ভিতর অচিন পাখি, ফ্রাইডে কনটেন্টগুলো আলোচিত।  তমা মির্জা বলেন, ‘আমি খুব বেছে বেছে বছরে দুই-একটি সিনেমা করি। জীবনের বাকিটা অন্য কিছুতে এক্সপ্লোর করতে পারার এই সুযোগটা দারুণ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চাই।’  শিগগির তমা মির্জা শুরু করবেন ভিকি জাহেদের পরিচালনায় নতুন ছবি ‘খলনায়ক’। এতে তার বিপরীতে থাকবেন আফরান নিশো।  ChatGPT said: অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাংকে চাকরি নিলেন তমা মির্জা মুক্তমন রিপোর্টার  অভিনয়ের জগতের পাশাপাশি এবার ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। প্রায় তিন মাস ধরে একটি বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি—ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।  তবে নতুন পেশায় যুক্ত হলেও অভিনয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তমার। বরং ব্যাংকের চাকরির পাশাপাশি নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যেতে চান এই অভিনেত্রী।  তমা মির্জা বলেন, “অভিনয় আমার প্রথম ভালো লাগা এবং ভালোবাসার জায়গা। এখানে সবসময় কাজ করে যাব। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমার অভিনয়ের ব্যাপারে আন্তরিক। তাই অভিনয় চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা নেই।”  সিনেমায় বর্তমানে তুলনামূলক কম ব্যস্ত তমা। সর্বশেষ আফরান নিশোর বিপরীতে ‘সুড়ঙ্গ’ ও ‘দাগি’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি।  অভিনেত্রী জানান, তিনি বেছে বেছে বছরে এক-দুটি সিনেমায় কাজ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন পেশায় যুক্ত হওয়ার সুযোগকে জীবনের নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন।  তমার ভাষায়, “আমি খুব বেছে বেছে বছরে দুই-একটি সিনেমা করি। জীবনের বাকিটা অন্য কিছুতে এক্সপ্লোর করতে পারার এই সুযোগটা দারুণ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চাই।”  শুধু বড় পর্দায় নয়, ওটিটিতেও নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকের প্রশংসা পেয়েছেন তমা মির্জা। তার অভিনীত ‘জানোয়ার’, ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ ও ‘ফ্রাইডে’ আলোচিত হয়েছে।  এদিকে শিগগিরই নতুন সিনেমার কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন তমা। ভিকি জাহেদের পরিচালনায় ‘খলনায়ক’ সিনেমায় তাকে আবারও আফরান নিশোর বিপরীতে দেখা যাবে।  SEO Meta Title ব্যাংকে চাকরি নিলেন অভিনেত্রী তমা মির্জা, চলবে অভিনয়ও  Meta Description অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। বেসরকারি ব্যাংকে এভিপি পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাবেন তিনি।  Keywords তমা মির্জা, তমা মির্জার চাকরি, তমা মির্জা ব্যাংকে চাকরি, অভিনেত্রী তমা মির্জা, তমা মির্জা নতুন পেশা, তমা মির্জা অভিনয়, আফরান নিশো, খলনায়ক সিনেমা, ভিকি জাহেদ, সুড়ঙ্গ, দাগি, বাংলাদেশি অভিনেত্রী, ঢালিউড  Tags তমা মির্জা, বিনোদন, ঢালিউড, সিনেমা, ব্যাংক চাকরি, অভিনেত্রী, আফরান নিশো, খলনায়ক, ভিকি জাহেদ, ওটিটি  Image ALT ব্যাংকের চাকরিতে যুক্ত হওয়া অভিনেত্রী তমা মির্জা  Image Caption অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন তমা মির্জা  Suggested URL Slug actress-toma-mirza-joins-bank-job    You said:  ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন ডা. দীপু মনি  আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫৬  অনলাইন ডেস্ক ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন ডা. দীপু মনি  বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে প্যারোলে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোল দেওয়া হয়েছে তাকে।  দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে তার প্যারোল আবেদন মেয়ে তানি দিপাবলি নেওয়াজ।   আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মা দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে ভেতরে প্রবেশ করেন তানি। কারাগার থেকে বেরিয়ে প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে দুপুর পৌনে ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে আবেদন জমা দিলে ১২ ঘণ্টার প্যারোল দেওয়া হয়।  জানা গেছে, দীপু মনির চার দিনের প্যারোল মুক্তি চাওয়া হয়ে। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই মন্ত্রী।  উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।  ChatGPT said: স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি মুক্তমন রিপোর্টার  সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেত্রী ডা. দীপু মনিকে স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।  আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি প্যারোলে মুক্ত থাকবেন।  দীপু মনির প্যারোলের জন্য আবেদন করেন তার মেয়ে তানি দিপাবলি নেওয়াজ। বুধবার দুপুরে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে তিনি কারাগারে যান। পরে দুপুর পৌনে ২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে প্যারোলের আবেদন জমা দেন। আবেদনটি অনুমোদনের পর ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করা হয়।  জানা গেছে, দীপু মনির পক্ষ থেকে চার দিনের প্যারোলের আবেদন করা হয়েছিল। তবে কর্তৃপক্ষ তাকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দিয়েছে।  বর্তমানে দীপু মনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।  এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তার স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ।  দীপু মনি সমাজকল্যাণ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী এবং সাবেক সংসদ সদস্য।  SEO Meta Title স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি  Meta Description স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে সাবেক মন্ত্রী দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি মুক্ত থাকবেন।  Keywords দীপু মনি, দীপু মনির প্যারোল, ১২ ঘণ্টার প্যারোল, দীপু মনি মুক্তি, তৌফিক নেওয়াজ, দীপু মনির স্বামী, মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার, দীপু মনি খবর, আওয়ামী লীগ, সাবেক মন্ত্রী, প্যারোলে মুক্তি, তানি দিপাবলি নেওয়াজ  Tags দীপু মনি, প্যারোল, তৌফিক নেওয়াজ, আওয়ামী লীগ, সাবেক মন্ত্রী, মুন্সীগঞ্জ, জাতীয় সংবাদ, বাংলাদেশ রাজনীতি  Image ALT ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি  Image Caption স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোল পেয়েছেন দীপু মনি  Suggested URL Slug dipu-moni-parole-12-hours-husband-death    You said:  মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই নতুন মুখ  প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৬:০২  অনলাইন ডেস্ক মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই নতুন মুখ প্রতীকী ছবি  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় আপাতত বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে সংযুক্ত হচ্ছেন আরও নতুন দুই মুখ।  মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হওয়া নিয়ে আরও বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও এই ধাপে বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।   আগামীকাল বৃহস্পতিবার কিংবা রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদের নতুন এ দুই সদস্য আগামী ২২ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের পর তাঁর কাছ থেকে শপথ নেবেন। কারণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তিন কার্যদিবসের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।  সেই অর্থে ২২ আগস্টের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি শপথ নিতে পারেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।  সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করা হবে। শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার আলোচনা কয়েক দিন ধরেই চলছে।   আরও পড়ুন ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ? ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ? ১৮ আগস্ট, ২০২৬   নতুন রাষ্ট্রপতি তাঁদের শপথ পড়াবেন। আগামী বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকায় পরদিন ২১ আগস্ট শুক্রবার শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। এ ছাড়া ২২ আগস্টও ছুটির দিন রয়েছে। সেই লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।  পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সাচিং প্রু জেরীকে আনার বিষয়টি পার্বত্য এলাকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বান্দরবান থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়ন ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ১ জুন তিনি পদত্যাগ করেন। প্রায় দুই মাসের মাথায় নতুন মন্ত্রী পেতে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে আছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন মীর হেলাল।  এ ছাড়া গাইবান্ধা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এক লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।  আরও পড়ুন যেদিন বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পে স্কেল যেদিন বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পে স্কেল ১৮ আগস্ট, ২০২৬   সব মিলিয়ে নতুন করে দুই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার মধ্য দিয়ে সরকারের মন্ত্রিসভায় আরেক দফা পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। এখন দেখার বিষয় বৃহস্পতিবারই তাঁদের নিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, নাকি শপথগ্রহণের জন্য ২০ কিংবা ২১ আগস্ট চূড়ান্ত করা হয়।   মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য গণমাধ্যমকে জানান, দুজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা হচ্ছে। তাঁদের নাম ও মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করা আছে। আগামী ২০ আগস্ট ঘোষণা করা হবে। তাঁরা নতুন রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে শপথ নেবেন।  জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব বলতে পারবেন।’  জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।’  উল্লেখ্য, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা ৫০। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে। মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার।  এদিকে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি চলছে। তবে শপথ অনুষ্ঠান কবে হবে তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।   ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলীয় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মানোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাইয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।  রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মো. সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির শপথের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি নেওয়া আছে। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের পর কোন দিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে সে বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।’  শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সহকারী প্রেসসচিব এস এম রাহাত হাসনাত কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি চলছে।’ সূত্র: কালের কণ্ঠ  ChatGPT said: মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই নতুন মুখ, দায়িত্বে আসছেন সাচিং প্রু জেরী ও শামীম কায়সার মুক্তমন রিপোর্টার  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও নতুন করে আরও দুই সংসদ সদস্যকে যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।  সূত্র জানায়, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।  নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের পর এই দুই সংসদ সদস্য তাঁর কাছ থেকে শপথ নেবেন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।  পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বান্দরবান থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ১ জুন তিনি পদত্যাগ করেন। প্রায় দুই মাস পর মন্ত্রণালয়টিতে নতুন মন্ত্রী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  বর্তমানে এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন।  ধর্ম মন্ত্রণালয়ে আসছেন শামীম কায়সার গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। তিনি ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।  তাকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা কয়েক দিন ধরেই চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।  তবে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী গণমাধ্যমকে বলেছেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই।  অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিবের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন।  মন্ত্রিসভায় সদস্য ৫০ বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ৫০ জন। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন।  দুই নতুন সদস্য যুক্ত হলে মন্ত্রিসভায় আবারও পরিবর্তন আসবে। তবে তাঁদের নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে দেওয়া হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।  সূত্র: কালের কণ্ঠ  SEO Meta Title মন্ত্রিসভায় আসছেন আরও দুই নতুন মুখ, দায়িত্ব পাচ্ছেন সাচিং প্রু জেরী ও শামীম কায়সার  Meta Description প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই সংসদ সদস্য। সাচিং প্রু জেরী পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন।  Keywords মন্ত্রিসভা, তারেক রহমান, সাচিং প্রু জেরী, শামীম কায়সার লিংকন, নতুন মন্ত্রী, নতুন প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ সরকার, মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন, বিএনপি সরকার, বান্দরবান এমপি, গাইবান্ধা-৪, জাতীয় সংসদ  Tags মন্ত্রিসভা, তারেক রহমান, সাচিং প্রু জেরী, শামীম কায়সার, বিএনপি, বাংলাদেশ সরকার, নতুন মন্ত্রী, নতুন প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় রাজনীতি  Image ALT
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছবিটির শেষ দুই দিনের শুটিং চলছিল। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী একটি জটিল অ্যাকশন সিকোয়েন্সের দৃশ্য ধারণের কাজ করছিলেন কার্তিক। দক্ষ ও পেশাদার অ্যাকশন কোচের অধীনে দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ নেওয়া সত্ত্বেও স্টান্ট করার একপর্যায়ে হাঁটুতে মারাত্মকভাবে আঘাত পান এই অভিনেতা। আরও পড়ুন মেয়ে সোনাক্ষীকে ট্রল করা নিয়ে সরব শত্রুঘ্ন সিনহা জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২ : ফিরছে তিন বন্ধুর গল্প এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মায়ের মৃত্যু, শোক কাটিয়ে ভুবন এখন তারকা বিজ্ঞাপন দুর্ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত শুটিং স্থগিত করে তাকে মুম্বাইয়ের ‘ফোর্টিস রাহেজা’ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রযোজনা সংস্থা জানিয়েছে, চিকিৎসকরা দ্রুত তার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করবেন। সার্জারির পর চিকিৎসকদের কড়া নির্দেশনায় বেশ কিছুদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে কার্তিককে। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার পরই তিনি আবার শুটিং ফ্লোরে ফিরবেন এবং অনুরাগ বসুর পরবর্তী নতুন সিনেমার কাজ শুরু করবেন। ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর দুর্দান্ত সাফল্যের পর কবীর খান ও কার্তিক আরিয়ান জুটির এটি দ্বিতীয় কাজ। ছবিটিতে প্রযোজক হিসেবে যুক্ত রয়েছে কার্তিকের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ডোপামিন স্টুডিওস’। এছাড়া বর্তমানে কার্তিকের হাতে রয়েছে ‘নাগজিলা’ ও ‘ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া’-র মতো বিগ বাজেটের আলোচিত প্রজেক্ট। make seo ,meta description ,meta title ,keyword in coma with smart title rewrite this news for muktomon online portal news ,alt ,tag ChatGPT said: নিচে Muktomon Online Portal-এর জন্য SEO-ফ্রেন্ডলি করে শিরোনাম, নিউজ কপি, মেটা ডেটা, কীওয়ার্ড, ট্যাগ ও ALT টেক্সট সাজিয়ে দিলাম। শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত বিনোদন ডেস্ক বলিউড অভিনেতা {"fallbackMarkdown":"Kartik Aaryan","reference":{"alt":"Kartik Aaryan","category":"known_celebrity","extra_params":{"disambiguation":"Indian actor"},"name":"Kartik Aaryan","prompt_text":"Kartik Aaryan","status":"done","type":"entity"},"referenceKey":"0","showLoginRequiredCard":false} শুটিং সেটে গুরুতর আহত হয়েছেন। কবীর খানের নতুন সিনেমার একটি হাই-অক্টেন অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান তিনি। আঘাতের পর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কবীর খানের নতুন সিনেমার শেষ দুই দিনের শুটিং চলছিল। পূর্বপরিকল্পিত একটি জটিল অ্যাকশন সিকোয়েন্সের দৃশ্য ধারণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হন কার্তিক। দীর্ঘদিন পেশাদার অ্যাকশন কোচের অধীনে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও স্টান্টের একপর্যায়ে তার হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লাগে। দুর্ঘটনার পরপরই শুটিং বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে কার্তিককে মুম্বাইয়ের ফোর্টিস রাহেজা হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা হবে। সার্জারির পর কিছুদিন তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে বলে জানা গেছে। চিকিৎসকদের ছাড়পত্র ও পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পরই আবার শুটিংয়ে ফিরবেন কার্তিক। ফলে অনুরাগ বসুর পরবর্তী সিনেমার কাজও তার সুস্থতার ওপর নির্ভর করবে। ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার সাফল্যের পর কবীর খান ও কার্তিক আরিয়ানের এটি দ্বিতীয় কাজ। নতুন সিনেমাটিতে প্রযোজক হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন কার্তিকের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ডোপামিন স্টুডিওস’। এদিকে কার্তিক আরিয়ানের হাতে রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি আলোচিত সিনেমা। এর মধ্যে ‘নাগজিলা’ ও ‘ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া’ উল্লেখযোগ্য। শুটিং সেটে তার এই দুর্ঘটনার খবরে ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। SEO Meta Title: শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, হবে জরুরি অস্ত্রোপচার Meta Description: কবীর খানের নতুন সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে হাঁটুতে গুরুতর চোট পেয়েছেন কার্তিক আরিয়ান। হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতার জরুরি অস্ত্রোপচার হবে। Focus Keywords: কার্তিক আরিয়ান, কার্তিক আরিয়ান আহত, Kartik Aaryan injured, কার্তিক আরিয়ানের অস্ত্রোপচার, কার্তিক আরিয়ান শুটিং, কবীর খান, বলিউড খবর, কার্তিক আরিয়ান সিনেমা, চান্দু চ্যাম্পিয়ন, কার্তিক আরিয়ান নতুন সিনেমা SEO Tags: কার্তিক আরিয়ান, Kartik Aaryan, কার্তিক আরিয়ান আহত, বলিউড, বলিউড নিউজ, কবীর খান, চান্দু চ্যাম্পিয়ন, নাগজিলা, ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া, বিনোদন সংবাদ, সিনেমা খবর, Bollywood News Image ALT: শুটিং সেটে আহত বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান Image Caption: শুটিং সেটে অ্যাকশন দৃশ্যের সময় আহত কার্তিক আরিয়ান You said: muktomon reporter ChatGPT said: আপনি যদি “বিনোদন ডেস্ক”-এর বদলে “মুক্তমন রিপোর্টার” রাখতে চান, তাহলে নিউজের বাইলাইন হবে: মুক্তমন রিপোর্টার এবং শিরোনামটি আরও স্মার্টভাবে হতে পারে: শুটিং সেটে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান, জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত You said: কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার ওপর হামলার ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩৩ কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার ওপর হামলার ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের কুষ্টিয়ায় জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করেছে জামায়াত ইসলামী। বিজ্ঞাপন শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়। এ সময় কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ আমির হামজা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার কটূক্তির বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে জেলা গণঅধিকার পরিষদ। এ সময় সংসদ সদস্য আমির হামজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি শেষে গাড়িযোগে নিজ বাড়ি ফেরার সময় ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করছিলেন। তখন জামায়াতের নেতাকর্মী ও গণধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলা চালানো হয় এমপি আমির হামজার গাড়িতে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন। বিজ্ঞাপন এ বিষয়ে এমপি আমির হামজা অভিযোগে জানান, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়। তিনি বলেন, ভিডিও দেখে হামলার সঙ্গে যারা জড়িত চিনেছেন তাদের নামেই এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি এজাহার পেয়েছেন তারা। তদন্ত সাপেক্ষে নেবেন আইনগত ব্যবস্থা। ChatGPT said: নিচে Muktomon Online Portal-এর স্টাইলে সম্পাদনা করে দিলাম। বাইলাইন রাখা হয়েছে মুক্তমন রিপোর্টার। কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগ, থানায় এজাহার কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগ, থানায় এজাহার মুক্তমন রিপোর্টার, কুষ্টিয়া কুষ্টিয়ায় জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এজাহারটি দায়ের করা হয়। এ সময় কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে জেলা গণঅধিকার পরিষদ। এদিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি শেষে গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন সংসদ সদস্য আমির হামজা। তিনি ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করার সময় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এজাহারে এমপি আমির হামজা অভিযোগ করেন, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়। আমির হামজা বলেন, হামলার ঘটনার ভিডিও দেখে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের নামেই এজাহার দায়ের করা হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে একটি এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। SEO Meta Title: কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা, থানায় এজাহার Meta Description: কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। Keywords: কুষ্টিয়া, আমির হামজা, এমপি আমির হামজা, আমির হামজার গাড়িতে হামলা, কুষ্টিয়ায় হামলা, কুষ্টিয়া সংঘর্ষ, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, কুষ্টিয়া মডেল থানা, থানায় এজাহার, কুষ্টিয়া খবর, বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবর Tags: কুষ্টিয়া, আমির হামজা, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, কুষ্টিয়া সংঘর্ষ, হামলা, এজাহার, রাজনৈতিক সংবাদ, কুষ্টিয়া সংবাদ, জাতীয় সংবাদ Image ALT: কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার ঘটনায় থানায় এজাহার Image Caption: কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগে থানায় এজাহার You said: ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৩ ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব বাইরে র‍্যাবের সাইরেন আর হ্যান্ডমাইকের শব্দ। ভেতরে বন্দিদের নিয়ে সাজানো হলো দৃশ্য। এর মধ্যেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একটি ল্যাপটপে। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ল ধোঁয়া। এরপর বাইরে থেকে দরজা ভেঙে একে একে বের করা হয় বন্দিদের। দীর্ঘদিন গুম করে রাখার পর এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজিয়ে চালান দেওয়া হয়েছিল বলে বর্ণনা দিয়েছেন নুরে আলম। তার সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন বন্দি। বিজ্ঞাপন জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট)। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি ১৩ জন। সাক্ষ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে গুমের শিকার হন নুরে আলম। এরই মধ্যে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় তাকে রাখার পর একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেক সংস্থার সেলে নেওয়া হয়। বরাবরের মতোই বন্দিশালায় নিয়ে হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে দেন কর্মকর্তারা। জবানবন্দিতে নুর আলম বলেন, এ বন্দিশালায় এনে আমার হাতে একটি কালো রঙের হাফপ্যান্ট দেওয়া হয়। এটি পরে আগের জামাকাপড় তাদের দেওয়ার নির্দেশ দেন। কথামতো কাপড় পরিবর্তনের পর তারা আবারও আমার হাতে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে সেলে নিয়ে যান। সেলে সারাদিন চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা থাকতো। এই সেলটি ছিল ৯ ফিট বাই ৩ ফিট। এখানে পাশাপাশি দুই ধাপে ছয়টি সেল ছিল। প্রতি তিনটি সেলের জন্য ছিল একটা করে স্ট্যান্ড ফ্যান। খাওয়ার জন্য তিনবেলা সেল থেকে বের করা হতো। সেলের পাশেই ছিল বাথরুম। বিজ্ঞাপন তিনি বলেন, বাথরুমে গেলে দেয়ালে থাকা খোপ খোপ ছিদ্র দিয়ে বাইরে র‍্যাব-৪ লেখা দেখতে পাই। এখানে বারান্দায় বসে আলাদা প্লেটে বন্দিদের খাবার দেওয়া হতো। খাবার খাওয়ার সময় বাকিদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি তাজুল ইসলাম, রাজিব, ডা. ইকবাল ও রাকিব নামে আরও ব্যক্তি ছিলেন। খাবার খাওয়ার সময় স্ট্যান্ড ফ্যানের নিচেও র‍্যাব-৪ লেখা দেখে বুঝতে পারি আমাকে গুম করে রাখা হয়েছে। এখানে কয়েক মাস থাকার পরে আমাকে ও তাজুল ইসলামকে সেল থেকে বের করে বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা আমাদের হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে আগের পরিধেয় বস্ত্র পরতে বলেন। এরপর আবারও জমটুপি পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়িয়ে দুজনকে বের করে অন্য আরেকটি সেলে নেন তারা। যা র‍্যাব-১০ এর ছিল। এই সেলের প্রস্থ ছিল আড়াই থেকে তিন ফিট ও দৈর্ঘ্য সাড়ে ছয়-সাত ফিট। সংকীর্ণ এ সেলের ভেতরে একটি বাথরুম ও পানির ট্যাপ ছিল। সেলের সামনে ছিল একটি সিসি ক্যামেরা। জবানবন্দিতে নুরে আলম উল্লেখ করেন, পাশের সেলেই ছিলেন নাজিম উদ্দিন, তাজুল ইসলাম, আবু জর গিফারী ও সামি। এক রাত রাখার পর ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকাল ৬টার সময় সবাইকে সেল থেকে বের করে হাতে হাতকড়া লাগিয়ে চোখ বেঁধে গলা পর্যন্ত জমটুপি পরান কর্মকর্তারা। এরপর একটি গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি আট-দশ ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়ায়। নুরে আলম বলেন, আমাদের গাড়ি থেকে বের করে মাথার ওপরে ছাতা ধরেন কর্মকর্তারা। কারণ আশপাশের উঁচু ভবন থেকে যেন কেউ দেখতে না পারেন। এরপর সবাইকে সেলের ভেতরে নেন। এখানেও পাশাপাশি কয়েকটি সেল ছিল। শোবার পর পা টয়লেট পর্যন্ত চলে যেতো। বাম দিকে নড়াচড়া করলে পানির ট্যাপে পা লাগতো। অর্থাৎ আগের সেলের মতো সংকীর্ণ ছিল। এখানে কয়েকদিন রাখার পর আমাদের সেল থেকে বের করা হয়। এরপর নাজিম ও তাজুলকে একটি গাড়িতে এবং আমাকে, গিফারী ও সামিকে আরেটিতে তোলা হয়। আগের গাড়িটি অন্যদিকে চলে যাওয়ার পর আমাদের বাহনটি চলতে শুরু করে। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পরে একটি স্থানে দাঁড়ায়। বিজ্ঞাপন ভুক্তভোগী জানান, গাড়ি থেকে তাদের তিনজনকে নামিয়ে একটি ভবনের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় তুলে খাটে বসানো হয়। ৪০-৪৫ মিনিট পর নাজিম ও তাজুলকেও আনা হয়। এর মধ্যেই কর্মকর্তারা বিভিন্ন ধরনের ভারী মালামাল এনে মেঝেতে রাখেন। যা শব্দ শুনে বুঝতে পারেন নুরে আলম। এরপর ভেতরের দিক থেকে দরজা বন্ধ করে দেন র‍্যাবের লোকজন। একপর্যায়ে কোনো এক ব্যক্তি ফোন করে বলেন, ‘স্যার সবকিছু ঠিক আছে’। নুরে আলম বলেন, এভাবে আমাদের সবাইকে দোতলার একটি কক্ষে বন্দি রেখে নিচে সাইরেন বাজিয়ে টহল দিতে থাকে র‍্যাবের গাড়ি। হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন কর্মকর্তারা। তারা তিন-চার ঘণ্টা ধরে মিথ্যা জঙ্গি উদ্ধারের নাটক সাজান। কক্ষের ভেতরে থাকা র‍্যাবের লোকজন বলামাত্রই বাইরে থেকে দরজা ভাঙতে থাকেন অন্য কর্মকর্তারা। বাইরে কোনো এক ভবনের ছাদ থেকে এক সাংবাদিক ভিডিও করলে জানালা লাগিয়ে দেন তারা। একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে তারা ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ধোঁয়া তৈরি করেন। তাদের কথাবার্তা থেকে আমি এসব বুঝতে পারি। তিনি বলেন, ওই ভবনে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭ এর প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ আসেন। তিনি আমাদের চোখ খুলে দিতে বলেন। চোখ খোলার পর আমরা সেখানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পাই। এরপর এসবের তালিকা হাতে দিতে বলেন মিফতাহ উদ্দিন। একইসঙ্গে সব মালামাল নিচে সঠিকভাবে সাজাতে বলেন। এভাবে তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে নিজেদের সফল অভিযান চালান। তারা আমাদের নিচে নামিয়ে দ্রুত র‍্যাবের গাড়িতে তোলেন। সেখানে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে কাছে আসতে দেননি। পরে দ্রুত র‍্যাব-৭ এ নিয়ে যাওয়া হয়। সাক্ষ্যে আরও বলা হয়, ওই দিন রাত ৩টার সময় তারা নুরে আলমসহ সবাইকে আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠায় পুলিশ। নুরে আলম, গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি এবং তাজুল ও নাজিমের নামে তিনটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় তিনদিন করে মোট ছয়দিন তাদের আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব ও পুলিশ। নুরে আলম ট্রাইব্যুনালে বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন আমাকে বলেন, ‘তোমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে এসেছেন ডিজিএফআইের লোকজন। প্রথমে রাখা হয়েছিল জেআইসিতে। পরেরটি ছিল টিএফআই সেল। এরপর তারা আমাদের কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘ ১১ মাস মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকার পর বর্তমানে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে মুক্ত। তিনি বলেন, আমাকে বাসা থেকে অপহরণের পরই নীলফামারী সদর থানায় জিডি করেন মা। এর কয়েকদিন পর আদালতে অপহরণ মামলা করেন। জেলা প্রসাশক ও নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছিল। প্রেস ব্রিফিংয়ে বিধবা মায়ের কোলে নিজের সন্তানকে ফেরত দিতে আকুতি জানিয়েছিলেন তিনি। নীলফামারী সরকারি কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় লোকজন মিলে চৌরঙ্গীর মোড়ে মানববন্ধন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই মানববন্ধনে লাঠিচার্জ করে কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী নূর স্যারকে তুলে নেন পুলিশ সদস্যরা। আমার গুম হওয়ার পেছনে যারা দায়ী তাদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআইয়ের ও র‍্যাবের লোকজন। আমি তাদের শাস্তি চাই। একইসঙ্গে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। প্রসিকিউশনের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও শাইখ মাহদী। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা। এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। ChatGPT said: আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে Muktomon Online Portal-এর জন্য ভাষা আরও নিরপেক্ষ, সংবাদধর্মী ও SEO-ফ্রেন্ডলি করে সাজালাম। যেহেতু বিষয়টি আদালতে সাক্ষ্য ও গুরুতর অভিযোগসংক্রান্ত, তাই অভিযোগগুলোকে সাক্ষ্য/দাবি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’—ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের বিস্ফোরক সাক্ষ্য ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’—ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের বিস্ফোরক সাক্ষ্য মুক্তমন রিপোর্টার ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি, বাইরে র‍্যাবের গাড়ির সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে ঘোষণা—এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ করেছেন গুমের শিকার নুরে আলম। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) ও অন্যান্য বন্দিশালায় গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর সামনে মামলার সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন। নুরে আলমের সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে তাকে গুম করা হয়। পরে তাকে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় রাখা হয়। একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেকটি সেলে নেওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানান তিনি। সাক্ষ্যে নুরে আলম বলেন, ওই বন্দিশালায় নেওয়ার পর তার চোখ বাঁধা ও হাতে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হতো। সেলটি ছিল আনুমানিক ৯ ফুট বাই ৩ ফুট। বাথরুমে যাওয়ার সময় দেয়ালের ফাঁক দিয়ে বাইরে ‘র‍্যাব-৪’ লেখা দেখতে পান বলে জানান তিনি। খাবারের সময় স্ট্যান্ড ফ্যানেও একই লেখা দেখতে পেয়ে তিনি বুঝতে পারেন, তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি স্থাপনায় রাখা হয়েছে। পরে তাকে ও তাজুল ইসলামকে একটি গাড়িতে করে অন্য একটি সেলে নেওয়া হয়। নুরে আলমের দাবি, ওই সেলটি র‍্যাব-১০-এর ছিল। সেলটি ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং সামনে একটি সিসি ক্যামেরা ছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি। নুরে আলম আরও জানান, ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকালে তাদের চোখ বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তোলা হয়। দীর্ঘ সময় গাড়িতে চলার পর একটি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজনকে একটি কক্ষে রাখা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষে তাদের আটকে রেখে বাইরে র‍্যাবের গাড়ি দিয়ে সাইরেন বাজানো হয় এবং কর্মকর্তারা হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন। কয়েক ঘণ্টা ধরে এভাবে ‘জঙ্গি উদ্ধারের’ একটি দৃশ্য তৈরি করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। নুরে আলমের অভিযোগ, একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে একটি ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি করা হয়। পরে বাইরে থেকে কর্মকর্তারা দরজা ভাঙার দৃশ্য তৈরি করেন। তিনি আরও বলেন, ভবনের ছাদ থেকে একজন সাংবাদিক ভিডিও করছিলেন। তখন জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সাক্ষ্যে নুরে আলম জানান, পরে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭-এর তৎকালীন প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ সেখানে আসেন। তার নির্দেশে চোখ খুলে দেওয়া হলে তিনি কক্ষে বিভিন্ন অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পান বলে দাবি করেন। তার অভিযোগ, এসব সামগ্রী সাজিয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি ‘সফল অভিযান’-এর দৃশ্য তৈরি করা হয়। পরে তাদের নিচে নামিয়ে র‍্যাবের গাড়িতে তোলা হয় এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। সাক্ষ্য অনুযায়ী, ওই রাতেই নুরে আলমসহ অন্যদের আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। নুরে আলম, আবু জর গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি করে এবং তাজুল ইসলাম ও নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনটি করে মামলা করা হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানানো হয়। নুরে আলম আরও বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন তাকে জানিয়েছিলেন, তাকে বাসা থেকে ডিজিএফআইয়ের লোকজন তুলে নিয়ে গিয়েছিল এবং প্রথমে জেআইসিতে রাখা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালে নিজের গুমের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআই ও র‍্যাবের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করেন নুরে আলম। তিনি দায়ীদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে তিনজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। SEO Meta Title: ল্যাপটপে আগুন দিয়ে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য Meta Description: ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’ নাটক সাজানোর অভিযোগ করেছেন গুমের শিকার নুরে আলম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দিয়েছেন সাক্ষ্য। Keywords: নুরে আলম, নুরে আলমের সাক্ষ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, গুম, গুমের ঘটনা, র‍্যাব, র‍্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জঙ্গি নাটক, ল্যাপটপে আগুন, জেআইসি, জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার, মানবতাবিরোধী অপরাধ, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, গুম নির্যাতন, ট্রাইব্যুনালের সাক্ষ্য Tags: নুরে আলম, গুম, র‍্যাব, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, জেআইসি, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম নির্যাতন, আদালত, ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ সংবাদ Image ALT: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের ঘটনায় নুরে আলমের সাক্ষ্য Image Caption: গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন নুরে আলম Suggested URL Slug: nure-alam-testimony-tribunal-accuses-rab-staged-militant-rescue You said: ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৩ ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে যেভাবে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজাতো র‍্যাব বাইরে র‍্যাবের সাইরেন আর হ্যান্ডমাইকের শব্দ। ভেতরে বন্দিদের নিয়ে সাজানো হলো দৃশ্য। এর মধ্যেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একটি ল্যাপটপে। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ল ধোঁয়া। এরপর বাইরে থেকে দরজা ভেঙে একে একে বের করা হয় বন্দিদের। দীর্ঘদিন গুম করে রাখার পর এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজিয়ে চালান দেওয়া হয়েছিল বলে বর্ণনা দিয়েছেন নুরে আলম। তার সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন বন্দি। বিজ্ঞাপন জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট)। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি ১৩ জন। সাক্ষ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে গুমের শিকার হন নুরে আলম। এরই মধ্যে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় তাকে রাখার পর একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেক সংস্থার সেলে নেওয়া হয়। বরাবরের মতোই বন্দিশালায় নিয়ে হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে দেন কর্মকর্তারা। জবানবন্দিতে নুর আলম বলেন, এ বন্দিশালায় এনে আমার হাতে একটি কালো রঙের হাফপ্যান্ট দেওয়া হয়। এটি পরে আগের জামাকাপড় তাদের দেওয়ার নির্দেশ দেন। কথামতো কাপড় পরিবর্তনের পর তারা আবারও আমার হাতে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে সেলে নিয়ে যান। সেলে সারাদিন চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা থাকতো। এই সেলটি ছিল ৯ ফিট বাই ৩ ফিট। এখানে পাশাপাশি দুই ধাপে ছয়টি সেল ছিল। প্রতি তিনটি সেলের জন্য ছিল একটা করে স্ট্যান্ড ফ্যান। খাওয়ার জন্য তিনবেলা সেল থেকে বের করা হতো। সেলের পাশেই ছিল বাথরুম। বিজ্ঞাপন তিনি বলেন, বাথরুমে গেলে দেয়ালে থাকা খোপ খোপ ছিদ্র দিয়ে বাইরে র‍্যাব-৪ লেখা দেখতে পাই। এখানে বারান্দায় বসে আলাদা প্লেটে বন্দিদের খাবার দেওয়া হতো। খাবার খাওয়ার সময় বাকিদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি তাজুল ইসলাম, রাজিব, ডা. ইকবাল ও রাকিব নামে আরও ব্যক্তি ছিলেন। খাবার খাওয়ার সময় স্ট্যান্ড ফ্যানের নিচেও র‍্যাব-৪ লেখা দেখে বুঝতে পারি আমাকে গুম করে রাখা হয়েছে। এখানে কয়েক মাস থাকার পরে আমাকে ও তাজুল ইসলামকে সেল থেকে বের করে বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা আমাদের হাতের হাতকড়া ও চোখের বাঁধন খুলে আগের পরিধেয় বস্ত্র পরতে বলেন। এরপর আবারও জমটুপি পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়িয়ে দুজনকে বের করে অন্য আরেকটি সেলে নেন তারা। যা র‍্যাব-১০ এর ছিল। এই সেলের প্রস্থ ছিল আড়াই থেকে তিন ফিট ও দৈর্ঘ্য সাড়ে ছয়-সাত ফিট। সংকীর্ণ এ সেলের ভেতরে একটি বাথরুম ও পানির ট্যাপ ছিল। সেলের সামনে ছিল একটি সিসি ক্যামেরা। জবানবন্দিতে নুরে আলম উল্লেখ করেন, পাশের সেলেই ছিলেন নাজিম উদ্দিন, তাজুল ইসলাম, আবু জর গিফারী ও সামি। এক রাত রাখার পর ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকাল ৬টার সময় সবাইকে সেল থেকে বের করে হাতে হাতকড়া লাগিয়ে চোখ বেঁধে গলা পর্যন্ত জমটুপি পরান কর্মকর্তারা। এরপর একটি গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িটি আট-দশ ঘণ্টা চলার পর একটি স্থানে দাঁড়ায়। নুরে আলম বলেন, আমাদের গাড়ি থেকে বের করে মাথার ওপরে ছাতা ধরেন কর্মকর্তারা। কারণ আশপাশের উঁচু ভবন থেকে যেন কেউ দেখতে না পারেন। এরপর সবাইকে সেলের ভেতরে নেন। এখানেও পাশাপাশি কয়েকটি সেল ছিল। শোবার পর পা টয়লেট পর্যন্ত চলে যেতো। বাম দিকে নড়াচড়া করলে পানির ট্যাপে পা লাগতো। অর্থাৎ আগের সেলের মতো সংকীর্ণ ছিল। এখানে কয়েকদিন রাখার পর আমাদের সেল থেকে বের করা হয়। এরপর নাজিম ও তাজুলকে একটি গাড়িতে এবং আমাকে, গিফারী ও সামিকে আরেটিতে তোলা হয়। আগের গাড়িটি অন্যদিকে চলে যাওয়ার পর আমাদের বাহনটি চলতে শুরু করে। গাড়িটি এক থেকে দেড় ঘণ্টা চলার পরে একটি স্থানে দাঁড়ায়। বিজ্ঞাপন ভুক্তভোগী জানান, গাড়ি থেকে তাদের তিনজনকে নামিয়ে একটি ভবনের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় তুলে খাটে বসানো হয়। ৪০-৪৫ মিনিট পর নাজিম ও তাজুলকেও আনা হয়। এর মধ্যেই কর্মকর্তারা বিভিন্ন ধরনের ভারী মালামাল এনে মেঝেতে রাখেন। যা শব্দ শুনে বুঝতে পারেন নুরে আলম। এরপর ভেতরের দিক থেকে দরজা বন্ধ করে দেন র‍্যাবের লোকজন। একপর্যায়ে কোনো এক ব্যক্তি ফোন করে বলেন, ‘স্যার সবকিছু ঠিক আছে’। নুরে আলম বলেন, এভাবে আমাদের সবাইকে দোতলার একটি কক্ষে বন্দি রেখে নিচে সাইরেন বাজিয়ে টহল দিতে থাকে র‍্যাবের গাড়ি। হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন কর্মকর্তারা। তারা তিন-চার ঘণ্টা ধরে মিথ্যা জঙ্গি উদ্ধারের নাটক সাজান। কক্ষের ভেতরে থাকা র‍্যাবের লোকজন বলামাত্রই বাইরে থেকে দরজা ভাঙতে থাকেন অন্য কর্মকর্তারা। বাইরে কোনো এক ভবনের ছাদ থেকে এক সাংবাদিক ভিডিও করলে জানালা লাগিয়ে দেন তারা। একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে তারা ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ধোঁয়া তৈরি করেন। তাদের কথাবার্তা থেকে আমি এসব বুঝতে পারি। তিনি বলেন, ওই ভবনে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭ এর প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ আসেন। তিনি আমাদের চোখ খুলে দিতে বলেন। চোখ খোলার পর আমরা সেখানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পাই। এরপর এসবের তালিকা হাতে দিতে বলেন মিফতাহ উদ্দিন। একইসঙ্গে সব মালামাল নিচে সঠিকভাবে সাজাতে বলেন। এভাবে তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে নিজেদের সফল অভিযান চালান। তারা আমাদের নিচে নামিয়ে দ্রুত র‍্যাবের গাড়িতে তোলেন। সেখানে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে কাছে আসতে দেননি। পরে দ্রুত র‍্যাব-৭ এ নিয়ে যাওয়া হয়। সাক্ষ্যে আরও বলা হয়, ওই দিন রাত ৩টার সময় তারা নুরে আলমসহ সবাইকে আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠায় পুলিশ। নুরে আলম, গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি এবং তাজুল ও নাজিমের নামে তিনটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় তিনদিন করে মোট ছয়দিন তাদের আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব ও পুলিশ। নুরে আলম ট্রাইব্যুনালে বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন আমাকে বলেন, ‘তোমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে এসেছেন ডিজিএফআইের লোকজন। প্রথমে রাখা হয়েছিল জেআইসিতে। পরেরটি ছিল টিএফআই সেল। এরপর তারা আমাদের কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘ ১১ মাস মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকার পর বর্তমানে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে মুক্ত। তিনি বলেন, আমাকে বাসা থেকে অপহরণের পরই নীলফামারী সদর থানায় জিডি করেন মা। এর কয়েকদিন পর আদালতে অপহরণ মামলা করেন। জেলা প্রসাশক ও নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছিল। প্রেস ব্রিফিংয়ে বিধবা মায়ের কোলে নিজের সন্তানকে ফেরত দিতে আকুতি জানিয়েছিলেন তিনি। নীলফামারী সরকারি কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় লোকজন মিলে চৌরঙ্গীর মোড়ে মানববন্ধন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই মানববন্ধনে লাঠিচার্জ করে কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী নূর স্যারকে তুলে নেন পুলিশ সদস্যরা। আমার গুম হওয়ার পেছনে যারা দায়ী তাদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআইয়ের ও র‍্যাবের লোকজন। আমি তাদের শাস্তি চাই। একইসঙ্গে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। প্রসিকিউশনের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও শাইখ মাহদী। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর তাসমিরুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা। এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। ChatGPT said: ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন-হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য মুক্তমন রিপোর্টার ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি, বাইরে র‍্যাবের গাড়ির সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে চিৎকার—এভাবেই ‘জঙ্গি উদ্ধারের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ করেছেন গুমের শিকার নুরে আলম। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি) ও অন্যান্য বন্দিশালায় গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর সামনে মামলার সপ্তম সাক্ষী হিসেবে নুরে আলমের অবশিষ্ট জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন। নুরে আলমের সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে তাকে গুম করা হয়। পরে তাকে জেআইসিসহ একাধিক বন্দিশালায় রাখা হয়। একই বছরের ৭ আগস্ট তাকে আরেকটি সেলে নেওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানান তিনি। জবানবন্দিতে নুরে আলম বলেন, ওই বন্দিশালায় তাকে হাতকড়া পরিয়ে ও চোখ বেঁধে রাখা হতো। সেলটি ছিল প্রায় ৯ ফুট বাই ৩ ফুট। বাথরুমে যাওয়ার সময় দেয়ালের ফাঁক দিয়ে বাইরে ‘র‍্যাব-৪’ লেখা দেখতে পান বলে জানান তিনি। স্ট্যান্ড ফ্যানেও একই লেখা দেখে তিনি বুঝতে পারেন, তাকে র‍্যাবের একটি স্থাপনায় রাখা হয়েছে। পরে তাকে ও তাজুল ইসলামকে গাড়িতে করে অন্য একটি সেলে নেওয়া হয়। নুরে আলমের দাবি, সেটি র‍্যাব-১০-এর একটি সেল ছিল। সেলটি ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং সামনে একটি সিসি ক্যামেরা ছিল। নুরে আলম জানান, ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর সকালে তাকে ও অন্যদের হাতকড়া পরিয়ে, চোখ বেঁধে গাড়িতে তোলা হয়। দীর্ঘ সময় গাড়িতে চলার পর একটি ভবনে নিয়ে তাদের একটি কক্ষে রাখা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষে তাদের আটকে রেখে বাইরে র‍্যাবের গাড়ি দিয়ে সাইরেন বাজানো হয়। কর্মকর্তারা হ্যান্ডমাইকে চিৎকার করতে থাকেন। এভাবে তিন থেকে চার ঘণ্টা ধরে ‘জঙ্গি উদ্ধারের’ একটি দৃশ্য তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। নুরে আলমের অভিযোগ, একপর্যায়ে কক্ষের ভেতরে একটি ল্যাপটপে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া তৈরি করা হয়। এরপর বাইরে থেকে কর্মকর্তারা দরজা ভাঙার দৃশ্য তৈরি করেন। ভবনের ছাদ থেকে এক সাংবাদিক ভিডিও ধারণ করছিলেন বলেও জানান তিনি। তখন জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে তার দাবি। সাক্ষ্যে নুরে আলম আরও জানান, পরে চট্টগ্রাম র‍্যাব-৭-এর তৎকালীন প্রধান কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ সেখানে আসেন। তার নির্দেশে চোখ খুলে দেওয়া হলে কক্ষে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বলবেয়ারিং, তার, পেরেক ও বই দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি। নুরে আলমের অভিযোগ, এসব সামগ্রী সাজিয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি ‘সফল অভিযান’-এর দৃশ্য তৈরি করা হয়। পরে তাদের নিচে নামিয়ে র‍্যাবের গাড়িতে তোলা হয় এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। সাক্ষ্য অনুযায়ী, ওই রাত ৩টার দিকে নুরে আলমসহ অন্যদের আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। নুরে আলম, গিফারী ও সামির বিরুদ্ধে দুটি করে এবং তাজুল ইসলাম ও নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনটি করে মামলা করা হয় বলে ট্রাইব্যুনালে জানানো হয়। নুরে আলম আরও বলেন, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এএসপি রুহুল আমিন তাকে জানিয়েছিলেন, তাকে বাসা থেকে ডিজিএফআইয়ের লোকজন তুলে নিয়ে গিয়েছিল এবং প্রথমে জেআইসিতে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে টিএফআই সেলে নেওয়া হয়। নিজের গুমের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআই ও র‍্যাবের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করেন নুরে আলম। তিনি দায়ীদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে তিনজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। SEO Meta Title ল্যাপটপে আগুন দিয়ে ‘জঙ্গি নাটক’: ট্রাইব্যুনালে নুরে আলমের সাক্ষ্য Meta Description ল্যাপটপে আগুন, সাইরেন ও হ্যান্ডমাইকে ‘জঙ্গি উদ্ধার’ নাটক সাজানোর অভিযোগ করেছেন নুরে আলম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের ঘটনায় সাক্ষ্য দেন তিনি। Keywords নুরে আলম, নুরে আলমের সাক্ষ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, গুম, গুমের ঘটনা, র‍্যাব, র‍্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জঙ্গি নাটক, ল্যাপটপে আগুন, জেআইসি, জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার, মানবতাবিরোধী অপরাধ, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, গুম নির্যাতন, ট্রাইব্যুনালের সাক্ষ্য Tags নুরে আলম, গুম, র‍্যাব, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, শেখ হাসিনা, ডিজিএফআই, জেআইসি, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম নির্যাতন, আদালত, ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ সংবাদ Image ALT আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের ঘটনায় নুরে আলমের সাক্ষ্য Image Caption গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন নুরে আলম Suggested URL Slug nure-alam-testimony-rab-staged-militant-rescue You said: অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বললেন ক্যারি ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:২০ অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বললেন ক্যারি বাংলাদেশের কাছে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া তাদের ১৩ জনের দলে একটি পরিবর্তন এনেছে। মাত্র এক টেস্ট পরই স্কোয়াডে পরিবর্তন আনার মতো ঘটনা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে দেখা যায়নি বলেই জানা গেছে। দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ পড়েছেন জেক ওয়েদারাল্ড। ফেরানো হয়েছে ২০২৩ সালে শেষ টেস্ট খেলা ম্যাট রেনশকে। নির্বাচকদের এমন ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেছেন উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি। বিজ্ঞাপন ওয়েদারাল্ডের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে ক্যারি বলেছেন, ‘দল থেকে যখন কেউ বাদ পড়ে, সেটা আসলে সবসময়ই কঠিন ব্যাপার। তবে এটাই ক্রিকেট। তাকে (ওয়েদারাল্ডকে) আমি বার্তা দিয়েছি এবং আমার সহানুভূতি জানিয়েছি। আশা করছি সে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং আমাদেরকে আরও একটি ফাইনালে নিয়ে যেতে পারবে। তার বয়স ৩০ এর ঘরে এবং দারুণ ক্লাসও রয়েছে।’ আরও পড়ুন বাংলাদেশের কাছে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দলে পরিবর্তন রেনশর দলে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘সে (ম্যাট রেনশ) আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগেও খেলেছে, যদিও অনেক আগে। তার উন্নতিটা আমি দেখেছি। মানসিকভাবে সে ভালো জায়গায় আছে। সাদা বলে বেশ ভালো খেলেছে সে। গত কয়েক বছরে যত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে, সেগুলো সে ভালোভাবেই সামলেছে। সে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারে আরও একটি সুযোগ পেয়েছে, অবশ্যই এটা লুফে নিতে মুখিয়ে আছে। শিল্ডে গত মৌসুমে দারুণ খেলেছে। আমরা সবাই জানি সে কতটা ভালো খেলোয়াড়। এই গ্রুপে সে বেশ ভালোভাবে এসেছে। আশা করি ট্র্যাভের (ট্রাভিস হেড) সঙ্গে সে ভালোই করবে (ওপেনিংয়ে)।’ বিজ্ঞাপন রেনশর ব্যাটিংয়ের আগ্রাসন এবং উন্নতির ব্যাপারটিও নজর এড়ায়নি ক্যারির, ‘হ্যাঁ সে এখন অনেক পরিণত ক্রিকেটার। বয়স ৩০ বছর হতে হতে আপনি নিজের সম্পর্কে এবং খেলাটা সম্পর্কেও অনেক কিছু জানতে-বুঝতে পারবেন। সে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলেছে। চ্যালেঞ্জ সম্পর্কেও ভালো যায়। অ্যাটাক ডিফেন্সের মাঝে সে ব্যালেন্সটাও ভালোভাবেই জানে। কুইন্সল্যান্ডের হয়ে ব্যাটিং ওপেন করেছিল শেফিল্ড শিল্ডে। গত বছর তিনটি সেঞ্চুরিও করেছে। সে সব কন্ডিশনেই আসলে ভালো করতে সক্ষম। ভারতেও সেঞ্চুরি আছে। সিডনিতে টেস্ট সেঞ্চুরি আছে। এখন সে আরও ভালো প্লেয়ার। দারুণ সুযোগ, আশা করি সে লুফে নেবে।’ ChatGPT said: অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ দল পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন অ্যালেক্স ক্যারি অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ দল পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন অ্যালেক্স ক্যারি মুক্তমন রিপোর্টার বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া দলে এসেছে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন। মাত্র এক টেস্ট পরই ১৩ সদস্যের স্কোয়াডে পরিবর্তন এনে জেক ওয়েদারাল্ডকে বাদ দিয়ে দলে ফেরানো হয়েছে ম্যাট রেনশকে। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে এমন ঘটনা খুব একটা দেখা যায়নি বলে এটিকে ‘অভূতপূর্ব’ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচকদের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার-ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি। ওয়েদারাল্ডকে বাদ দেওয়ায় সহানুভূতি জানিয়ে ক্যারি বলেন, দল থেকে বাদ পড়া সবসময়ই কঠিন। তবে ক্রিকেটে এমন পরিস্থিতি আসতেই পারে। ক্যারি বলেন, “দল থেকে যখন কেউ বাদ পড়ে, সেটা আসলে সবসময়ই কঠিন ব্যাপার। তবে এটাই ক্রিকেট। তাকে আমি বার্তা দিয়েছি এবং আমার সহানুভূতি জানিয়েছি। আশা করছি সে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং আমাদের আরও একটি ফাইনালে নিয়ে যেতে পারবে।” ওয়েদারাল্ডের সামর্থ্যের প্রশংসা করে ক্যারি আরও বলেন, তার বয়স ৩০-এর ঘরে এবং যথেষ্ট প্রতিভা রয়েছে। তাই দ্রুতই তিনি নিজের ছন্দে ফিরবেন বলে আশা করছেন ক্যারি। এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর ম্যাট রেনশর দলে ফেরাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অস্ট্রেলিয়ার এই উইকেটকিপার। ২০২৩ সালের পর আবারও টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়া রেনশর মানসিকভাবে ভালো অবস্থায় রয়েছেন বলে মনে করেন তিনি। ক্যারি বলেন, রেনশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগেও খেলেছে। গত কয়েক বছরে তার উন্নতি তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। সাদা বলের ক্রিকেটেও রেনশ ভালো খেলেছেন এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে মোকাবিলা করেছেন। রেনশর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে ক্যারি বলেন, গত মৌসুমে শেফিল্ড শিল্ডে দারুণ খেলেছেন তিনি। কুইন্সল্যান্ডের হয়ে ওপেন করার পাশাপাশি গত বছর তিনটি সেঞ্চুরিও করেছেন রেনশ। রেনশর ব্যাটিংয়ের পরিণতিও ক্যারির নজর কেড়েছে। তার মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে নিজের খেলা ও সামর্থ্য সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়েছে রেনশর। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও রক্ষণাত্মক খেলার মধ্যে ভালো ভারসাম্যও তৈরি করেছেন তিনি। ক্যারি বলেন, রেনশ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলেছেন। ভারত ও সিডনিতে তার টেস্ট সেঞ্চুরি রয়েছে। ফলে বিভিন্ন কন্ডিশনে ভালো করার সামর্থ্য তার আছে। ট্রাভিস হেডের সঙ্গে রেনশ ওপেনিংয়ে ভালো করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন ক্যারি। তার মতে, জাতীয় দলে ফিরে আসার এই সুযোগ রেনশ অবশ্যই কাজে লাগাতে মুখিয়ে থাকবেন। SEO Meta Title অস্ট্রেলিয়ার ‘অভূতপূর্ব’ দল পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন অ্যালেক্স ক্যারি Meta Description বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দলে পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন অ্যালেক্স ক্যারি। বাদ পড়েছেন জেক ওয়েদারাল্ড, ফিরেছেন ম্যাট রেনশ। Keywords অ্যালেক্স ক্যারি, Alex Carey, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, ম্যাট রেনশ, জেক ওয়েদারাল্ড, অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দল, অস্ট্রেলিয়া দল পরিবর্তন, ক্রিকেট খবর, টেস্ট ক্রিকেট, বাংলাদেশ ক্রিকেট, Australia Test, Matt Renshaw Tags অ্যালেক্স ক্যারি, ম্যাট রেনশ, জেক ওয়েদারাল্ড, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, টেস্ট ক্রিকেট, ক্রিকেট সংবাদ, বাংলাদেশ ক্রিকেট, Australia Cricket, Alex Carey Image ALT অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি Image Caption অস্ট্রেলিয়া দলে ‘অভূতপূর্ব’ পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন অ্যালেক্স ক্যারি Suggested URL Slug alex-carey-australia-unprecedented-test-squad-change You said: বাংলাদেশের সাফল্যকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা! ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫১ বাংলাদেশের সাফল্যকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা! অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজের প্রথম টেস্টে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ দল। এবার শেষ ম্যাচে মাঠে নামার অপেক্ষায় তারা। প্রথম ম্যাচে জয়ের সেই আনন্দ নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স কথা বললেন। বিজ্ঞাপন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো চাট্টিখানি কথা নয়। তৃতীয়বারের চেষ্টাতেই বাংলাদেশ সফল হয়েছে। ঈর্ষণীয় এই সাফল্যের বিশ্বের নানান জায়গা থেকে প্রশংসার ঢল আসছে। এমন জয়ের পর দলের অনুভূতি কেমন ছিল, সেটা রেভস্পোর্টজ-কে বললেন সিমন্স, ‘আমরা বিষয়টিকে খানিকটা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সাথে তুলনা করছিলাম, কারণ বিশ্বকাপের সময় ঢাকার রাস্তাঘাটের চিত্রটা বিশ্বাস করার মতো ছিল না। গতকালও আমরা বলছিলাম যে ঘটনাটা অনেকটাই সেরকম।’ একেবারে অন্যরকম অনুভূতির মধ্যে দিয়ে গেছেন ক্যারিবিয়ান কোচ, ‘মানুষের উদযাপন, বাংলাদেশ থেকে আমায় পাঠানো বার্তাগুলো মিলিয়ে ব্যাপারটা আসলেই বিশেষ কিছু। কিছু মানুষ তো বিশ্বাসই করতে পারছিল না যে এমনটা ঘটতে পারে, বিশেষ করে এই সফরে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য ব্যাপারটা কেমন হতে পারে তা আমি কল্পনা করতে পারি, কারণ আমার নিজের জন্য ব্যাপারটা কেমন তা আমি জানি।’ সিরিজের এখনও একটি ম্যাচ বাকি। তাই খেলোয়াড়দের বাঁধভাঙা উদযাপন করতে দেখে সিমন্সের মনে অস্বস্তি কাজ করছিল। তিনি বললেন, ‘সাধারণত আমি হলে বড় কোনো উদ্‌যাপনের অনুমতি দিতাম না, কারণ আমাদের সামনে এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। কিন্তু এবার আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। এমনকি ড্রেসিংরুমেও আমাকে শুধু একপাশে বসে তাদের আনন্দ উদযাপন উপভোগ করতে হয়েছে, কারণ জয়টা সত্যিই অনেক বড় ছিল।’ বিজ্ঞাপন তিনি বলে গেলেন, ‘আর মুশফিকুর রহিমের মতো একজন মানুষের জন্য, যে দীর্ঘদিন ধরে দলের সাথে আছে এবং অনেক কঠিন সময় পার করেছে, তার মুখে এই আনন্দ দেখতে পাওয়াটা ছিল দারুণ অনুভূতির। আমি তাদের উদ্‌যাপন এবং এই ম্যাচ জয় উপভোগ করার ধরনটা সত্যিই খুব উপভোগ করেছি।’ ChatGPT said: বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা সিমন্সের বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা সিমন্সের মুক্তমন রিপোর্টার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম টেস্টে দারুণ জয়ের পর এখন দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচের অপেক্ষায় টাইগাররা। ঐতিহাসিক এই জয়ের পর বাংলাদেশের মানুষের উচ্ছ্বাসকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের সময়ের উদযাপনের সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে জয় পাওয়া বাংলাদেশের জন্য সহজ ছিল না। তৃতীয় প্রচেষ্টায় অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যের পর দেশে-বিদেশে প্রশংসা পাচ্ছে দলটি। প্রথম টেস্ট জয়ের পর দলের অনুভূতি কেমন ছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে রেভস্পোর্টজকে ফিল সিমন্স বলেন, বাংলাদেশের উদযাপনকে তিনি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা করছিলেন। সিমন্স বলেন, “আমরা বিষয়টিকে খানিকটা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা করছিলাম। বিশ্বকাপের সময় ঢাকার রাস্তাঘাটের চিত্রটা বিশ্বাস করার মতো ছিল না। গতকালও আমরা বলছিলাম, ঘটনাটা অনেকটাই সেরকম।” বাংলাদেশের মানুষের উচ্ছ্বাস এবং ভক্তদের পাঠানো অসংখ্য বার্তা সিমন্সের কাছে জয়টিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। তিনি বলেন, অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে অস্ট্রেলিয়ার এই সফরে এমন একটি জয় সম্ভব। ক্যারিবিয়ান এই কোচ বলেন, মানুষের উদযাপন এবং বাংলাদেশ থেকে পাওয়া বার্তাগুলো মিলিয়ে পুরো বিষয়টি তার কাছে বিশেষ অনুভূতির। বাংলাদেশের মানুষের জন্য এই জয় কতটা আনন্দের হতে পারে, সেটি তিনি অনুভব করতে পারছেন বলেও জানান। তবে সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি থাকায় বড় উদযাপন নিয়ে শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন সিমন্স। সাধারণ পরিস্থিতিতে এমন জয়ের পরও খেলোয়াড়দের বড় ধরনের উদযাপনের অনুমতি দিতেন না বলে জানান তিনি। কিন্তু এবার নিজেকে আটকে রাখতে পারেননি সিমন্স। ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের আনন্দ-উদযাপন উপভোগ করেই সময় কাটিয়েছেন তিনি। সিমন্স বলেন, “সাধারণত আমি হলে বড় কোনো উদযাপনের অনুমতি দিতাম না, কারণ আমাদের সামনে এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। কিন্তু এবার আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। ড্রেসিংরুমেও আমাকে একপাশে বসে তাদের আনন্দ উপভোগ করতে হয়েছে, কারণ জয়টা সত্যিই অনেক বড় ছিল।” দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের আনন্দও বিশেষভাবে ছুঁয়ে গেছে সিমন্সকে। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা এবং নানা কঠিন সময় পেরিয়ে আসা মুশফিকের মুখে এমন আনন্দ দেখতে পাওয়া তার কাছে দারুণ অনুভূতির ছিল বলে জানান প্রধান কোচ। সিমন্স বলেন, মুশফিকুর রহিমের মতো দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে থাকা একজন ক্রিকেটারের মুখে এই আনন্দ দেখা ছিল অসাধারণ। পুরো দল যেভাবে জয়টি উদযাপন করেছে এবং মুহূর্তটি উপভোগ করেছে, সেটিও তার কাছে অত্যন্ত আনন্দের ছিল। এখন সেই আনন্দকে পেছনে রেখে দ্বিতীয় টেস্টে মনোযোগ দিতে হবে বাংলাদেশকে। ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে শেষ ম্যাচে আরও একবার নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে টাইগারদের। SEO Meta Title বাংলাদেশের জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা সিমন্সের Meta Description অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। দলের উদযাপন নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। Keywords বাংলাদেশ ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, ফিল সিমন্স, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ টেস্ট জয়, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ, ফিল সিমন্সের মন্তব্য, মুশফিকুর রহিম, টাইগার ক্রিকেট, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, Australia vs Bangladesh Test, Phil Simmons Tags ফিল সিমন্স, বাংলাদেশ ক্রিকেট, বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, মুশফিকুর রহিম, টাইগার, ক্রিকেট সংবাদ, আর্জেন্টিনা, বিশ্বকাপ, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, ক্রীড়া সংবাদ Image ALT অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় নিয়ে কথা বলছেন ফিল সিমন্স Image Caption বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়কে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন ফিল সিমন্স Suggested URL Slug phil-simmons-bangladesh-win-argentina-world-cup-comparison You said: মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন : বিটিআরসি চেয়ারম্যান নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪১ মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন : বিটিআরসি চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেছেন, শুধু ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ডিজিটাল বিভাজন দূর হয় না। মানসম্মত ইন্টারনেটের অভাবও এখন বড় ধরনের ডিজিটাল বিভাজন তৈরি করছে। সময়ের সঙ্গে ডিজিটাল বিভাজনের ধারণা পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই সবার জন্য মানসম্মত ও কার্যকর ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে। বিজ্ঞাপন বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ‘পাওয়ারিং দ্য ফিউচার : রবি কমপ্লিটস ঢাকা মডার্নাইজেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে সহায়তার লক্ষ্যেই টেলিযোগাযোগ খাতের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সে সময় সবার কাছে সংযোগ পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু সংযোগের গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন ধরনের বৈষম্য সামনে আসে, যা পরে ডিজিটাল বিভাজন হিসেবে চিহ্নিত হয়। তিনি বলেন, একসময় সংযোগ না থাকাকে ডিজিটাল বিভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পরে দেখা গেল, শুধু সংযোগ যথেষ্ট নয়, ইন্টারনেটের সুযোগও থাকতে হবে। এরপর স্পষ্ট হয়েছে, ইন্টারনেট থাকলেই হবে না, এর মানও ভালো হতে হবে। মানসম্মত ইন্টারনেটের সুযোগ থেকে বঞ্চিত মানুষ উন্নয়নের দৌড়ে আরও পিছিয়ে পড়েন। এ কারণে ডিজিটাল বিভাজন দূর করার ক্ষেত্রে রবির নেটওয়ার্কের গুণগত মানে গুরুত্ব দেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিজ্ঞাপন রবির কার্যক্রমের প্রশংসা করে এমদাদ উল বারী বলেন, একজন নিয়ন্ত্রক হিসেবে রাজস্বের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভয়েস ও ডেটা রাজস্বের মধ্যে রবির একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য রয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ডেটা রাজস্বও ক্রমাগত বাড়ছে। তিনি বলেন, শুধু ঢাকায় নেটওয়ার্কের মান উন্নত করলেই হবে না এর সুবিধা সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একইসঙ্গে নেটওয়ার্কের গুণগত মানে কী পরিবর্তন এসেছে এবং এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা কী সুবিধা পাচ্ছেন, সে বিষয়েও মানুষকে জানাতে হবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, উন্নত নেটওয়ার্কের সুফল মানুষ একদিনে বুঝতে পারবে না। পরিবর্তন উপলব্ধি করতে সময় লাগবে। তবে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া দ্রুত করা সম্ভব। এ কাজ শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়িত্ব নয়, মোবাইল অপারেটরদেরও এতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বিজ্ঞাপন ডেটা প্যাকের মেয়াদ ও মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমাহীন মেয়াদের ডেটা চালুর বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে। সব ডেটার মেয়াদ সীমাহীন করা হলে এর মূল্য বেড়ে যেতে পারে, যা অনেক গ্রাহকের সামর্থ্যের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই এ বিষয়ে গ্রাহকদের বাস্তবতা ও খরচের বিষয়টি বোঝানো প্রয়োজন। ২০২৯ সালের মধ্যে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে এমদাদ উল বারী বলেন, লক্ষ্য নির্ধারণ করা সহজ হলেও তা বাস্তবায়ন জটিল। কারণ দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহার করছেন। ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে হলে তাই মানুষের হাতে ডেটা ব্যবহারের উপযোগী স্মার্টফোন বা হ্যান্ডসেট পৌঁছে দেওয়া জরুরি। হ্যান্ডসেট সহজলভ্য করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। হ্যান্ডসেট কেনার ক্ষেত্রে কিস্তি বা ইএমআই সুবিধা বাড়াতেও নিয়ন্ত্রক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মোবাইল অপারেটরদের এ ধরনের কার্যক্রম আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও আধুনিক করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে হবে। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, চাহিদার পূর্বাভাস ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, নেটওয়ার্কের দক্ষতা বাড়াতে কী ধরনের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা প্রয়োজন এবং কোথায় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে অপারেটরদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিটিআরসি সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত এবং প্রস্তাবগুলো মূল্যায়ন করবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক ও টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রবি আজিয়াটা পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াদ সাতারা এবং রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম। ChatGPT said: মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান মুক্তমন রিপোর্টার শুধু ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ডিজিটাল বিভাজন দূর হয় না। মানসম্মত ও কার্যকর ইন্টারনেটের অভাবও বর্তমানে বড় ধরনের ডিজিটাল বিভাজন তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ‘পাওয়ারিং দ্য ফিউচার: রবি কমপ্লিটস ঢাকা মডার্নাইজেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, সময়ের সঙ্গে ডিজিটাল বিভাজনের ধারণাও পরিবর্তিত হচ্ছে। একসময় ইন্টারনেট সংযোগ না থাকাকেই ডিজিটাল বিভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পরে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ এবং এখন এর গুণগত মানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, শুধু সংযোগ থাকলেই হবে না, মানুষের জন্য মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে। যারা ভালো মানের ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত, তারা উন্নয়নের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন। এ কারণে ডিজিটাল বিভাজন কমাতে নেটওয়ার্কের গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। রবির নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের উদ্যোগের প্রশংসা করে এমদাদ উল বারী বলেন, শুধু ঢাকায় নেটওয়ার্কের মান উন্নত করলেই হবে না, এর সুফল সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একইসঙ্গে নেটওয়ার্কের উন্নয়নের ফলে গ্রাহকেরা কী সুবিধা পাচ্ছেন, সে বিষয়েও তাদের জানাতে হবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, উন্নত নেটওয়ার্কের সুফল মানুষ একদিনে উপলব্ধি করতে পারবে না। এ পরিবর্তন বুঝতে সময় লাগবে। তবে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়া দ্রুত করা সম্ভব। এ দায়িত্ব শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থার নয়, মোবাইল অপারেটরদেরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। ডেটা প্যাকের মেয়াদ ও মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমাহীন মেয়াদের ডেটা চালু নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে। সব ডেটার মেয়াদ সীমাহীন করা হলে এর দাম বেড়ে যেতে পারে, যা অনেক গ্রাহকের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে গ্রাহকদের বাস্তবতা ও খরচের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। ২০২৯ সালের মধ্যে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে এমদাদ উল বারী বলেন, লক্ষ্য নির্ধারণ করা সহজ হলেও বাস্তবায়ন বেশ জটিল। দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহার করেন। ফলে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার আগে তাদের হাতে ডেটা ব্যবহারের উপযোগী স্মার্টফোন বা হ্যান্ডসেট পৌঁছে দেওয়া জরুরি। হ্যান্ডসেট সহজলভ্য করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। হ্যান্ডসেট কেনার ক্ষেত্রে কিস্তি বা ইএমআই সুবিধা বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সহায়তা করছে বলেও জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান। একইসঙ্গে মোবাইল অপারেটরদেরও এ ধরনের উদ্যোগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করার ওপরও গুরুত্ব দেন এমদাদ উল বারী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকেও আধুনিক করতে হবে। সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, চাহিদার পূর্বাভাস এবং নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক ও টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এ সময় রবি আজিয়াটা পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াদ সাতারা এবং চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। SEO Meta Title মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান Meta Description শুধু ইন্টারনেট সংযোগ নয়, মানসম্মত ইন্টারনেটের অভাবও বড় ডিজিটাল বিভাজন তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। Keywords বিটিআরসি চেয়ারম্যান, এমদাদ উল বারী, ডিজিটাল বিভাজন, মানসম্মত ইন্টারনেট, ইন্টারনেট সংযোগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ, বিটিআরসি, রবি নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন, ২জি নেটওয়ার্ক, ২০২৯ সালে ২জি বন্ধ, স্মার্টফোন, ডেটা প্যাক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, টেলিযোগাযোগ খাত Tags বিটিআরসি, এমদাদ উল বারী, ইন্টারনেট, ডিজিটাল বিভাজন, রবি, টেলিযোগাযোগ, ২জি, স্মার্টফোন, ডেটা প্যাক, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি সংবাদ Image ALT বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী Image Caption মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী Suggested URL Slug quality-internet-digital-divide-btrc-chairman-emdad-ul-bari You said: মানসম্মত ইন্টারনেট না থাকাও বড় ডিজিটাল বিভাজন: বিটিআরসি চেয়ারম্যান DIFFERENT ChatGPT said: কিছু ডিফারেন্ট ও স্মার্ট SEO-ফ্রেন্ডলি শিরোনাম: শুধু সংযোগ নয়, ভালো ইন্টারনেটও জরুরি: বিটিআরসি চেয়ারম্যান ইন্টারনেট থাকলেই হবে না, মানও নিশ্চিত করতে হবে: বিটিআরসি ভালো ইন্টারনেটের অভাবও তৈরি করছে ডিজিটাল বৈষম্য ডিজিটাল বিভাজন কমাতে মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিতের তাগিদ ইন্টারনেটের গতি ও মান নিয়েও ভাবতে হবে: বিটিআরসি চেয়ারম্যান সংযোগের পর এবার চ্যালেঞ্জ মানসম্মত ইন্টারনেট: বিটিআরসি ইন্টারনেটের মানে বৈষম্য থাকলে কমবে না ডিজিটাল বিভাজন সবার জন্য মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিতের আহ্বান বিটিআরসি চেয়ারম্যানের ডিজিটাল উন্নয়নে বাধা নিম্নমানের ইন্টারনেট: বিটিআরসি চেয়ারম্যান ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে মানসম্মত নেটওয়ার্কের ওপর জোর বিটিআরসির আমার পছন্দ: ইন্টারনেট থাকলেই হবে না, মানও নিশ্চিত করতে হবে: বিটিআরসি You said: তুর্কি বৈরী রুশপন্থী চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবার নামে পার্কের নামকরণ প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:৪৯ অনলাইন ডেস্ক তুর্কি বৈরী রুশপন্থী চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবার নামে পার্কের নামকরণ সংগৃহীত ছবি তুরস্কের আঙ্কারা প্রদেশের অন্তর্গত কেচিওরেন পৌরসভায় রুশপন্থী চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবা ‘আহমত-হাজি কাদিরভ পার্ক’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগটি তুর্কি ও চেচেন জনগণের মধ্যকার গভীর ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক অনন্য নজির। সম্প্রতি অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে কেচিওরেনের মেয়র তুর্কি ও ককেশাস অঞ্চলের বিশেষ করে চেচেন জনগণের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পার্কটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং এর তাৎপর্যপূর্ণ দিকগুলো: তুর্কি এবং চেচেন জনগণের বহু বছরের পুরোনো ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই পার্কটি উৎসর্গ করা হয়েছে। ককেশাসের সাথে বন্ধন, তুরস্কের ককেশাস অঞ্চলের জনগণের প্রতি ঐতিহাসিক সহানুভূতি ও সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। পার্কটির নামকরণ ও উদ্দেশ্যআহমত-হাজি কাদিরভ, চেচেন প্রজাতন্ত্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং ধর্মীয় নেতা আখমত কাদিরভের স্মরণে এই পার্কের নামকরণ করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক মিলনমেলা, কেচিওরেন পৌরসভা এটিকে এমন একটি স্থান হিসেবে গড়ে তুলেছে যা স্থানীয় তুর্কি এবং সেখানে বসবাসরত চেচেন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা হিসেবে কাজ করবে। কেচিওরেন পৌরসভার ভূমিকাআন্তর্জাতিক সংহতি, কেচিওরেন পৌরসভা ঐতিহ্যগতভাবেই বিভিন্ন মুসলিম ও ককেশাস অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বিভিন্ন পার্ক ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে থাকে।মেয়রের প্রতিশ্রুতি: মেয়র তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের সামাজিক প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দুই দেশের নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। ChatGPT said: রমজান কাদিরভের বাবার নামে তুরস্কে পার্ক, ঘিরে ঐতিহাসিক সম্পর্কের বার্তা রমজান কাদিরভের বাবার নামে তুরস্কে পার্ক, ঘিরে ঐতিহাসিক সম্পর্কের বার্তা মুক্তমন রিপোর্টার তুরস্কের আঙ্কারা প্রদেশের কেচিওরেন পৌরসভায় চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবা আহমত-হাজি কাদিরভের নামে একটি পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘আহমত-হাজি কাদিরভ পার্ক’ নামে প্রস্তাবিত এই উদ্যোগকে তুর্কি ও চেচেন জনগণের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি পার্কটির উদ্বোধন-সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে কেচিওরেনের মেয়র তুরস্ক ও ককেশাস অঞ্চলের জনগণ, বিশেষ করে চেচেন সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পৌরসভা সূত্রে বলা হয়েছে, তুর্কি ও চেচেন জনগণের দীর্ঘদিনের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই পার্কটির নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ককেশাস অঞ্চলের জনগণের প্রতি তুরস্কের ঐতিহাসিক সহানুভূতি ও সংহতিরও প্রতিফলন রয়েছে এই উদ্যোগে। আহমত-হাজি কাদিরভের নামে পার্ক আহমত-হাজি কাদিরভ ছিলেন চেচেন প্রজাতন্ত্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ধর্মীয় নেতা এবং রমজান কাদিরভের বাবা। তার স্মরণে পার্কটির নামকরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেচিওরেন পৌরসভা। পৌরসভার পরিকল্পনা অনুযায়ী, পার্কটি স্থানীয় তুর্কি জনগোষ্ঠী এবং তুরস্কে বসবাসরত চেচেন সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তুর্কি-চেচেন সম্পর্কের বার্তা কেচিওরেন পৌরসভা বিভিন্ন মুসলিম ও ককেশাস অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন পার্ক ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে থাকে। নতুন এই উদ্যোগও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের মাধ্যমে দুই জনগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক সম্পর্ক সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানানো সম্ভব হবে। একইসঙ্গে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। SEO Meta Title রমজান কাদিরভের বাবার নামে তুরস্কে পার্ক, জানুন কারণ Meta Description তুরস্কের কেচিওরেন পৌরসভায় চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের বাবা আহমত-হাজি কাদিরভের নামে পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রয়েছে তুর্কি-চেচেন সম্পর্কের বার্তা। Keywords রমজান কাদিরভ, আহমত-হাজি কাদিরভ, কাদিরভ, তুরস্ক, চেচেন নেতা, চেচেন প্রজাতন্ত্র, কেচিওরেন, আঙ্কারা, আহমত কাদিরভ পার্ক, তুর্কি চেচেন সম্পর্ক, ককেশাস, তুরস্কের খবর, আন্তর্জাতিক সংবাদ Tags রমজান কাদিরভ, আহমত কাদিরভ, তুরস্ক, চেচেন, কেচিওরেন, আঙ্কারা, ককেশাস, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব সংবাদ, পার্ক, তুর্কি-চেচেন সম্পর্ক Image ALT তুরস্কের কেচিওরেনে আহমত-হাজি কাদিরভের নামে পার্ক Image Caption রমজান কাদিরভের বাবা আহমত-হাজি কাদিরভের নামে তুরস্কে পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ Suggested URL Slug ahmat-haji-kadyrov-park-turkey-kecioren You said: সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিস ছাঁটাই, ইসরায়েলে প্রশংসা প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫০ অনলাইন ডেস্ক সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিস ছাঁটাই, ইসরায়েলে প্রশংসা সংগৃহীত ছবি সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ দেশটির স্কুলের পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছেড়ে দেবে না’—এই বাক্যটি সরিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় সৌদি আরবের ব্যাপক প্রশংসা করেছে ইসরায়েলভিত্তিক একটি সংস্থা। ইসরায়েলি গবেষণা সংস্থা ইমপ্যাক্ট-সে জুলাইয়ের শেষ দিকে সৌদি পাঠ্যক্রমের ওপর তাদের পর্যালোচনা প্রকাশ করে। সেখানেই এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বক্তব্যটি ইঙ্গিত করত যে জেরুজালেমের ওপর মুসলিম নিয়ন্ত্রণ বা সেখানে মুসলিমদের উপস্থিতি হুমকির মুখে রয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এই উল্লেখকে ‘জেরুজালেমকে মুসলিম ও অন্যান্য গোষ্ঠীর, বিশেষ করে ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের একটি কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।।’ এতে আরও বলা হয়েছে, ইমপ্যাক্ট-সে যেসব বিষয়কে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে, তার ‘সবগুলো উদাহরণ’ পাঠ্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনটি কোরআন ও হাদিস থেকে কিছু অংশ সরিয়ে দেয়াকে একটি ‘ইতিবাচক উন্নয়ন’ হিসেবে প্রশংসা করেছে। সৌদি পাঠ্যবই থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে এমন একটি সুপরিচিত হাদিস বাদ দেয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ (সা.) এক অসুস্থ ইহুদি বালককে দেখতে গিয়েছিলেন এবং পরে সেই বালক ইসলাম গ্রহণ করেছিল। ইমপ্যাক্ট-সে বলেছে, ২০২৫ সালের সংস্করণে এই উদাহরণটি সরিয়ে দেয়া ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে একটি উন্নতি, কারণ এখন শিক্ষার্থীদের আর শেখানো হচ্ছে না যে ইসলামে অবিশ্বাসের কারণে অভিশাপ বা শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। সংস্থাটি অবিশ্বাস ও পাপের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা কোরআনের আয়াতগুলো ‘সংক্ষিপ্ত’ করার বিষয়টিকেও স্বাগত জানিয়েছে। তবে তারা সৌদি স্কুলগুলোর সমালোচনা করেছে, কারণ সেখানে এখনও মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে যে ইসলামই মানবজাতির স্বাভাবিক ধর্ম। ChatGPT said: সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ, ইসরায়েলি সংস্থার প্রশংসা সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ, ইসরায়েলি সংস্থার প্রশংসা মুক্তমন রিপোর্টার সৌদি আরবের স্কুল পাঠ্যক্রমে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশটির পাঠ্যবই থেকে ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছেড়ে দেবে না’—এমন একটি বক্তব্য বাদ দেওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। একইসঙ্গে কোরআন ও হাদিসের কিছু অংশ সংশোধন বা সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টিকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে ইসরায়েলভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইমপ্যাক্ট-সে। জুলাইয়ের শেষ দিকে সৌদি আরবের পাঠ্যক্রম নিয়ে একটি পর্যালোচনা প্রকাশ করে ইমপ্যাক্ট-সে। ওই প্রতিবেদনে সৌদি পাঠ্যবইয়ের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোতে বিভিন্ন পরিবর্তনের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘মুসলিমরা কখনও জেরুজালেম ছেড়ে দেবে না’—এই বক্তব্যটি সৌদি পাঠ্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইমপ্যাক্ট-সের ব্যাখ্যায়, বক্তব্যটি জেরুজালেমের ওপর মুসলিম নিয়ন্ত্রণ বা সেখানে মুসলিমদের উপস্থিতিকে হুমকির মুখে থাকার ধারণার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, তাদের নির্ধারিত ‘ইহুদিবিদ্বেষ’-এর উদাহরণগুলোর উল্লেখও সৌদি পাঠ্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কোরআন-হাদিসের কিছু অংশে পরিবর্তন ইমপ্যাক্ট-সে সৌদি পাঠ্যবইয়ে কোরআন ও হাদিসের কিছু অংশ বাদ বা সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টিকেও ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের সংস্করণে একটি পরিচিত হাদিসের উল্লেখ বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই হাদিসে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর এক অসুস্থ ইহুদি বালককে দেখতে যাওয়ার এবং পরবর্তী সময়ে তার ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণিত ছিল। ইমপ্যাক্ট-সের মতে, এই অংশ বাদ দেওয়াকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা যেতে পারে। এছাড়া অবিশ্বাস ও পাপের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা কোরআনের কিছু আয়াত সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টিও প্রশংসা করেছে সংস্থাটি। তবে ইমপ্যাক্ট-সে সৌদি পাঠ্যক্রমের কিছু বিষয় নিয়ে এখনও সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, সৌদি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের ইসলামকে মানবজাতির স্বাভাবিক ধর্ম হিসেবে শেখানো হচ্ছে। সৌদি আরবের পাঠ্যক্রমে এসব পরিবর্তন দেশটির শিক্ষা ও সামাজিক নীতিতে চলমান পরিবর্তনের অংশ কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। SEO Meta Title সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ, প্রশংসায় ইসরায়েলি সংস্থা Meta Description সৌদি আরবের স্কুল পাঠ্যবই থেকে জেরুজালেম ও কোরআন-হাদিসের কিছু অংশ বাদ দেওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছে ইমপ্যাক্ট-সে। পরিবর্তনগুলোকে ইতিবাচক বলেছে সংস্থাটি। Keywords সৌদি আরব, সৌদির পাঠ্যবই, কোরআন হাদিস, সৌদি শিক্ষা, সৌদি পাঠ্যক্রম, জেরুজালেম, ইমপ্যাক্ট-সে, ইসরায়েলি গবেষণা সংস্থা, সৌদি আরবের শিক্ষা, মুসলিম বিশ্ব, সৌদি স্কুল, আন্তর্জাতিক সংবাদ, সৌদি পাঠ্যবই পরিবর্তন Tags সৌদি আরব, কোরআন, হাদিস, সৌদি পাঠ্যক্রম, জেরুজালেম, ইসরায়েল, ইমপ্যাক্ট-সে, সৌদি শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সংবাদ, মধ্যপ্রাচ্য, বিশ্ব সংবাদ Image ALT সৌদি আরবের স্কুলের পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিসের অংশ পরিবর্তন Image Caption সৌদি আরবের পাঠ্যক্রমে কোরআন-হাদিস ও জেরুজালেম-সংক্রান্ত কিছু বিষয় পরিবর্তনের দাবি Suggested URL Slug saudi-textbook-quran-hadith-changes-impact-se You said: স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ জানায় সরকার: রিজভী প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪:১০ নিজস্ব প্রতিবেদক স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ জানায় সরকার: রিজভী কথা বলছেন রুহুল কবির রিজভী। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদষ্টা রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে তাকে সাধুবাদ জানায় সরকার। তিনি বলেন, তবে স্বার্থ থাকলে এগোবেনা বাংলাদেশ। বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের নেয়া নানা কল্যাণমুখী কাজ জনগণের কাছে তুলে ধরতে স্বেচ্ছাসেবকদল মাঠে থাকবে বলে এসময় আশা করেন রিজভী। এছাড়া যেকোন ষড়যন্ত্র ও প্রতিবন্ধকতা বিএনপির নেতাকর্মীরা শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও জানান বিএনপির এ স্থায়ী কমিটির সদস্য। ChatGPT said: স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ: রিজভী স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে সাধুবাদ: রিজভী মুক্তমন রিপোর্টার স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ সরকার সেটিকে সাধুবাদ জানাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তবে কোনো ধরনের স্বার্থ জড়িত থাকলে বাংলাদেশ তাতে এগোবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রিজভী। রিজভী বলেন, বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে। তাই বন্ধুত্বপূর্ণ ও নিঃস্বার্থ কোনো আমন্ত্রণ এলে বাংলাদেশ তা ইতিবাচকভাবে দেখবে। তবে জাতীয় স্বার্থের বাইরে কোনো উদ্যোগে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে না। এ সময় বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় থাকবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রিজভী আরও বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র ও প্রতিবন্ধকতা বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করবেন। SEO Meta Title স্বার্থ ছাড়া ভারতের আমন্ত্রণে সাধুবাদ, স্বার্থ থাকলে নয়: রিজভী Meta Description স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ সরকার তা সাধুবাদ জানাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভী। Keywords রুহুল কবির রিজভী, রিজভী, ভারত, বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক, ভারতের আমন্ত্রণ, বিএনপি, বিএনপির স্থায়ী কমিটি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, স্বেচ্ছাসেবক দল, বিএনপি সংবাদ, রাজনৈতিক সংবাদ Tags রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি, ভারত, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, স্বেচ্ছাসেবক দল, জিয়া উদ্যান, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, রাজনৈতিক সংবাদ, জাতীয় সংবাদ Image ALT ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন রুহুল কবির রিজভী Image Caption স্বার্থ ছাড়া ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণকে সাধুবাদ জানাবে বাংলাদেশ: রিজভী Suggested URL Slug india-friendly-invitation-rizvi-bangladesh-national-interest You said: দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার নতুন উদ্যোগ প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:২৭ অনলাইন ডেস্ক দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার নতুন উদ্যোগ দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পবিত্র কোরআন শেখানো, মুখস্থ করা ও তিলাওয়াতের সুযোগ বাড়াতে নতুন একটি বিশেষায়িত প্রকল্প চালু করেছে সিরিয়া। দামেস্কের আল-তিজারা এলাকার আল-কুসুর মসজিদে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির উদ্বোধন করে দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরীয় আরব প্রজাতন্ত্রের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ওসামা আব্দুল করিম আল-রিফাই এবং ধর্মীয় ওয়াকফমন্ত্রী মুহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি। ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সমাজের কোনো মানুষ যেন প্রতিবন্ধকতার কারণে কোরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে না থাকেন—এ লক্ষ্যেই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে বিশেষায়িত শিক্ষাক্রম ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি তৈরি করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা পবিত্র কোরআন শিখতে, মুখস্থ করতে ও সঠিকভাবে তিলাওয়াত করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় ও কোরআনিক শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং সমাজে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি আরো দৃঢ় হবে। এ জন্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ, আচরণ ও শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে দক্ষ বিশেষজ্ঞ শিক্ষক তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হবে। প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের মাধ্যমে তাদের জন্য উপযোগী শিক্ষা-পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে, যাতে তারা ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমে কার্যকরভাবে অংশ নিতে পারেন। দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তরের এসব উদ্যোগ ধর্মীয় শিক্ষায় প্রতিবন্ধী ও সাধারণ—সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা এবং কোরআন শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল ক্যাম্প আয়োজনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় শিক্ষাকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবিক ও অংশগ্রহণমূলক করার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা মানুষের হৃদয়কে আলোকিত করে। সেই আলো থেকে কোনো মানুষ যেন প্রতিবন্ধকতার কারণে বঞ্চিত না হয়—সে লক্ষ্যেই এই আশাব্যঞ্জক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ChatGPT said: প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার বিশেষ উদ্যোগ মুক্তমন রিপোর্টার দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পবিত্র কোরআন শেখা, মুখস্থ করা ও তিলাওয়াতের সুযোগ বাড়াতে বিশেষায়িত একটি প্রকল্প চালু করেছে সিরিয়া। দামেস্কের আল-তিজারা এলাকার আল-কুসুর মসজিদে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকল্পটির উদ্বোধন করে দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরীয় আরব প্রজাতন্ত্রের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ওসামা আব্দুল করিম আল-রিফাই এবং ধর্মীয় ওয়াকফমন্ত্রী মুহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি। ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রতিবন্ধকতার কারণে যেন কোনো মানুষ কোরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রয়োজন বিবেচনায় বিশেষায়িত শিক্ষাক্রম ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে তারা কোরআন শেখা, মুখস্থ করা এবং সঠিকভাবে তিলাওয়াতের সুযোগ পাবেন। এ উদ্যোগের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, আচরণ ও শিক্ষাদানের বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক তৈরির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উপযোগী শিক্ষা-পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে, যাতে তারা ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমে আরও কার্যকরভাবে অংশ নিতে পারেন। দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তরের এই উদ্যোগকে ধর্মীয় শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য পৃথক শিক্ষাব্যবস্থা ও কোরআন শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। স্মার্ট SEO Title প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার বিশেষ উদ্যোগ Meta Title প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার নতুন উদ্যোগ | মুক্তমন Meta Description দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শেখা, মুখস্থ ও তিলাওয়াতের সুযোগ বাড়াতে বিশেষায়িত প্রকল্প চালু করেছে সিরিয়ার ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর। Keywords সিরিয়া, কোরআন শিক্ষা, প্রতিবন্ধী, প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, দামেস্ক, ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর, আল-কুসুর মসজিদ, কোরআন মুখস্থ, কোরআন তিলাওয়াত, ইসলামিক শিক্ষা, ধর্মীয় শিক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা Tags সিরিয়া, কোরআন, কোরআন শিক্ষা, প্রতিবন্ধী, দামেস্ক, ইসলাম, ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামিক সংবাদ, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন Image ALT সিরিয়ায় প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষার বিশেষ উদ্যোগ Image Caption দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় সিরিয়ার বিশেষ প্রকল্প URL Slug syrian-initiative-quran-education-for-disabled You said: বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:৫১ অনলাইন ডেস্ক বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন স্তর বা গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএসইসি প্রতিষ্ঠার পর একসঙ্গে এত কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানা গেছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার এসব সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আজ বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে। জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কয়েকজন কমিশনারকে চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় মোট ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই ঘটনার পর ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি সরকারি বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে মোট ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তবে তাদের মধ্যে একজন এরই মধ্যে অন্য একটি অভিযোগে চাকরিচ্যুত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০২৫ সালের ৫ মার্চ বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কর্মসূচি পালন করেছিলেন। একই সঙ্গে কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তারা কর্মবিরতিও পালন করেন। এর ফলে কয়েক দিন বিএসইসিতে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, কমিশনের সভা চলাকালে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী জোর করে সভাকক্ষে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করেন। পরে কমিশনের মূল ফটকে তালা দেওয়া হয়। এ ছাড়া সিসিটিভি ও ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া, লিফট অচল করা এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে সেখানে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সরকারি তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে এবার ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো। এর মাধ্যমে বিএসইসির ইতিহাসে একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা ঘটল। ChatGPT said: বিএসইসিতে বড় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বাধ্যতামূলক অবসরে ১৭ কর্মকর্তা মুক্তমন রিপোর্টার বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপ বা গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএসইসি প্রতিষ্ঠার পর একসঙ্গে এত কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানা গেছে। সরকারের নির্দেশনার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এসব সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কয়েকজন কমিশনারকে চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় মোট ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই ঘটনার পর ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি সরকারি বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেওয়া হয়। পরে সরকারের পক্ষ থেকে মোট ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তবে ওই তালিকায় থাকা একজন কর্মকর্তা এরই মধ্যে অন্য একটি অভিযোগে চাকরিচ্যুত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কী ঘটেছিল ৫ মার্চ? ২০২৫ সালের ৫ মার্চ বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কর্মসূচি পালন করেছিলেন। একই সঙ্গে কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তারা কর্মবিরতিও পালন করেন। এতে কয়েক দিন বিএসইসিতে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, কমিশনের সভা চলাকালে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী জোর করে সভাকক্ষে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করেন। পরে কমিশনের মূল ফটকে তালা দেওয়া হয়। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, সিসিটিভি ও ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া, লিফট অচল করা এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে সেখানে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। সরকারি তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে এবার ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো। এর ফলে বিএসইসির ইতিহাসে একসঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা ঘটল। SEO Meta Title বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, আরও ৫ জনের পদাবনতি Meta Description বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে সর্বনিম্ন বেতন গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। Keywords বিএসইসি, বিএসইসি কর্মকর্তা, বাধ্যতামূলক অবসর, ১৭ কর্মকর্তা, বিএসইসি শাস্তি, পুঁজিবাজার, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ৫ মার্চ বিএসইসি, খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ, বিএসইসি তদন্ত, অর্থ মন্ত্রণালয়, পদাবনতি, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা Tags বিএসইসি, পুঁজিবাজার, বাধ্যতামূলক অবসর, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিএসইসি কর্মকর্তা, জাতীয় সংবাদ Image ALT বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর খবর Image Caption বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, আরও পাঁচজনের পদাবনতি Suggested URL Slug bsec-17-officials-compulsory-retirement-5-demoted You said: চার দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:০২ অনলাইন ডেস্ক চার দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস সংগৃহীত ছবি রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বুখারেস্টের বাংলাদেশ দূতাবাস। জনসচেতনতামূলক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় দূতাবাস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বা শেয়ার করা পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কনটেন্ট অনেক সময় আইনি বা অন্য ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা কিংবা অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয়সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই এবং তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে দূতাবাস বলেছে, এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার করা উচিত নয়, যা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের পরিপন্থি, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো কনটেন্ট থেকে সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করা হচ্ছে বলে মনে হতে পারে— এমন বিষয় থেকেও বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় দেশের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি স্থানীয় আইন-কানুন, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংবেদনশীলতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে নিরাপদ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার ব্যক্তিকে সম্ভাব্য আইনি ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে বিদেশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী নাগরিকদের মর্যাদা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত সব বাংলাদেশীকে সচেতন ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল, সংযত, সম্মানজনক ও আইনসম্মতভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। ChatGPT said: চার দেশে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল দূতাবাস মুক্তমন রিপোর্টার রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বুখারেস্টে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। জনসচেতনতামূলক এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৯ আগস্ট) এ আহ্বান জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে সেখানে প্রকাশিত বা শেয়ার করা পোস্ট, মন্তব্য, ছবি ও ভিডিও অনেক সময় আইনি বা অন্য ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে তা ভালোভাবে যাচাই এবং তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে দূতাবাস বলেছে, সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের পরিপন্থি, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে—এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার করা উচিত নয়। এ ছাড়া কোনো কনটেন্ট থেকে সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থনের ধারণা তৈরি হতে পারে—এমন বিষয় থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় দেশের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি স্থানীয় আইন-কানুন, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংবেদনশীলতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দূতাবাসের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার ব্যক্তিকে সম্ভাব্য আইনি ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে বিদেশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি নাগরিকদের মর্যাদা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি বজায় রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল, সংযত, সম্মানজনক ও আইনসম্মত আচরণের আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। SEO Meta Title চার দেশে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা Meta Description রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় থাকা বাংলাদেশিদের অনলাইনে ধর্ম, রাজনীতি ও সংবেদনশীল কনটেন্টে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। Keywords বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশিদের সতর্কতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন ব্যবহার, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, মলদোভা, বুখারেস্ট দূতাবাস, বিদেশে বাংলাদেশি, প্রবাসী বাংলাদেশি, অনলাইন সতর্কতা, স্থানীয় আইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইন Tags বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী বাংলাদেশি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, মলদোভা, উত্তর মেসিডোনিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন সতর্কতা, বিদেশে বাংলাদেশি, আন্তর্জাতিক সংবাদ Image ALT চার দেশে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল বাংলাদেশ দূতাবাস Image Caption রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় থাকা বাংলাদেশিদের অনলাইনে সতর্ক থাকার আহ্বান Suggested URL Slug bangladesh-embassy-warns-citizens-four-countries-social-media You said: পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৩১ অনলাইন ডেস্ক পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানি মিসাইল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে তেহরানও পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের এক আইনপ্রণেতা। তবে ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে—এমন কোনো দাবি তিনি করেননি। ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য ফাদা হোসেইন মালেকি বুধবার ইরানি সংবাদমাধ্যম খবর অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মালেকি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ পদক্ষেপের সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দিচ্ছেন না। তবে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস ট্রাম্প দেখাবেন বলে তিনি মনে করেন না। কারণ, এর ফলে বিশ্ব একটি বিপজ্জনক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। মালেকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে এমন কোনো হামলা চালায়, তাহলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান অবশ্যই জবাব দেবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিক্রিয়া হবে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে ইরানও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্রই ব্যবহার করুক না কেন, ইরান তার জবাব দেবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেননি, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে কি না। ওয়াশিংটনকে আরও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করে মালেকি বলেন, ইরানের হাতে এখনো ‘একাধিক বিকল্প’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো পদক্ষেপের জবাব ‘সমপর্যায়ের বা তার চেয়েও বেশি’ হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে তিনি দাবি করেন, তেহরানের হাতে থাকা অনেক অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তার মতে, ইরান এখন আর কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে নেই; বরং “সক্রিয় ও আক্রমণাত্মক প্রতিরোধের” সক্ষমতা অর্জন করেছে। এদিকে স্থগিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন এই আইনপ্রণেতা। তার অভিযোগ, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অধীনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করলে তেহরান আলোচনায় ফিরবে না বলেও জানান তিনি। মালেকির ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও অমীমাংসিত থেকে যাবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা একটি পৃথক দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধ শেষ করা এবং চূড়ান্ত চুক্তির পথ তৈরি করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনের মাঝামাঝি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। তবে স্মারকটির বাস্তবায়ন এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিরোধের পর দুই দেশের আলোচনা থমকে যায়। এর মধ্যেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে। কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের পর তেহরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু এবং মার্কিন সম্পদের ওপর পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের একজন আইনপ্রণেতার পারমাণবিক হামলার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দুই দেশের সংঘাতকে আরও উদ্বেগজনক মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ChatGPT said: পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের মুক্তমন রিপোর্টার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে তেহরানও পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের এক আইনপ্রণেতা। তবে ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে—এমন কোনো দাবি করেননি তিনি। ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য ফাদা হোসেইন মালেকি বুধবার ইরানি সংবাদমাধ্যম খবর অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা প্রসঙ্গে মালেকি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ পদক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস ট্রাম্প দেখাবেন বলে তিনি মনে করেন না। কারণ, এর ফলে বিশ্ব আরও বিপজ্জনক একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। মালেকির ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হামলা চালালে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান অবশ্যই তার জবাব দেবে। ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন অনুযায়ী প্রতিক্রিয়াও নির্ধারিত হবে বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করলে ইরানও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মালেকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্রই ব্যবহার করুক না কেন, ইরান তার জবাব দেবে। তবে ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো দাবি করেননি। ‘একাধিক বিকল্প’ রয়েছে ইরানের ওয়াশিংটনকে আরও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করে মালেকি বলেন, ইরানের হাতে এখনো ‘একাধিক বিকল্প’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো পদক্ষেপের জবাব ‘সমপর্যায়ের বা তার চেয়েও বেশি’ হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে এই আইনপ্রণেতা দাবি করেন, তেহরানের হাতে থাকা অনেক অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তার মতে, ইরান এখন শুধু প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে নেই; বরং সক্রিয় প্রতিরোধের সক্ষমতাও অর্জন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়েও অনড় তেহরান স্থগিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মালেকি। তার অভিযোগ, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ওয়াশিংটন বাস্তবায়ন করেনি। যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করলে তেহরান আলোচনায় ফিরবে না বলেও জানান তিনি। মালেকির ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত থেকে যেতে পারে। একইসঙ্গে ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা আলাদা একটি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও জানান তিনি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যে এই বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা এবং এর সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিক্রিয়া নিয়ে মালেকির মন্তব্য দুই দেশের চলমান উত্তেজনাকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে। SEO Meta Title পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে জবাব দেবে ইরান: মালেকি Meta Description যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক হামলা চালালে তেহরান পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের আইনপ্রণেতা ফাদা হোসেইন মালেকি। Keywords ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত, পারমাণবিক হামলা, ইরানের হুঁশিয়ারি, ফাদা হোসেইন মালেকি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের সামরিক সক্ষমতা, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র, হরমুজ প্রণালি, ইরান যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব সংবাদ Tags ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ডোনাল্ড ট্রাম্প, পারমাণবিক অস্ত্র, পারমাণবিক হামলা, ফাদা হোসেইন মালেকি, হরমুজ প্রণালি, মধ্যপ্রাচ্য, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব রাজনীতি Image ALT পারমাণবিক হামলার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান Image Caption যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের Suggested URL Slug iran-warns-us-retaliation-nuclear-attack You said: এখন ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫২ অনলাইন ডেস্ক এখন ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছে। তার দাবি, আরব দেশগুলো এখন বুঝতে পারছে—আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিদেশি সামরিক ঘাঁটির ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না; বরং তা হতে হবে সম্মিলিত ও আঞ্চলিক। রাষ্ট্রপতির যোগাযোগ দপ্তরকে দেওয়া এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে বহিরাগত শক্তি ও তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতার উৎসে পরিণত হয়েছে। তার দাবি, যেসব দেশে বিদেশি সামরিক ঘাঁটি ছিল না, তারা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি ছিল, সেই ঘাঁটিগুলো তাদের রক্ষার পরিবর্তে সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে। আরাঘচি বলেন, যুদ্ধের পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে একটি নতুন উপলব্ধি তৈরি হয়েছে। তার মতে, এই নিরাপত্তা হতে হবে সম্মিলিত এবং এর সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকেও যুক্ত করতে হবে। রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ভারসাম্যহীনতা বজায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ইরানের যুদ্ধ-পরবর্তী পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে আরাঘচি বলেন, এটি যুদ্ধের আগের নীতির তুলনায় “সম্পূর্ণ ভিন্ন” হবে। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধের আগে ইরানকে দুর্বল হিসেবে দেখার একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়েছিল এবং সেই ধারণাই আক্রমণের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে ৪০ দিনের প্রতিরোধের পর ইরানের সেই ভাবমূর্তি বদলে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। এখন ইরানকে এমন একটি শক্তিশালী ও সহনশীল দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম। ইরানের জনকূটনীতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন আরাঘচি। তার দাবি, যুদ্ধ চলাকালে ইরানের জনকূটনীতি “অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রভাবশালী” ছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে তা পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে গেছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মরত ইরানি কূটনীতিকদেরও প্রশংসা করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাপক চাপের মধ্যেও কোনো কূটনীতিক পদত্যাগ করেননি। সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পেজেশকিয়ান ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। আরাঘচির ভাষ্য অনুযায়ী, ১২ দিনের যুদ্ধের পর পেজেশকিয়ান কেবল একটি সাধারণ যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেন এবং এমন একটি যুদ্ধের সমাপ্তি চেয়েছিলেন, যাতে একই ধরনের সংঘাত আবার ফিরে না আসে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ১৫ দফা প্রস্তাব কার্যত একটি “আত্মসমর্পণ দলিলের” মতো ছিল। পরে ১৪ দফার যে সমঝোতা স্মারক তৈরি হয়, সেটি আলোচনায় ইরানের অবস্থান কতটা এগিয়েছে তার প্রমাণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পেজেশকিয়ানকে আরাঘচি একজন সংস্কারবাদী নেতা হিসেবে বর্ণনা করলেও বলেন, নীতিগত প্রশ্নে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়। ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের কল্যাণের প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার রয়েছে বলেও দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সবশেষে আরাঘচি বলেন, যুদ্ধের পর ইরানিরা এমন একটি পররাষ্ট্রনীতির প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবে, যা হবে আরও শক্তিশালী, দৃঢ় ও মর্যাদাপূর্ণ এবং যার মূল লক্ষ্য থাকবে জাতীয় স্বার্থ, জনগণের অধিকার ও ইরানের মর্যাদা রক্ষা করা। ChatGPT said: যুদ্ধের পর ইরানকে এখন শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি মুক্তমন রিপোর্টার সাম্প্রতিক যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিয়ে প্রচলিত ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার দাবি, যুদ্ধের পর ইরানকে এখন একটি শক্তিশালী ও প্রতিরোধক্ষম দেশ হিসেবে দেখছে বিশ্ব। রাষ্ট্রপতির যোগাযোগ দপ্তরকে দেওয়া এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আরাঘচি। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাত প্রমাণ করেছে, বিদেশি সামরিক ঘাঁটি সবসময় কোনো দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। বরং অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘাঁটি নিরাপত্তাহীনতার উৎস হয়ে উঠতে পারে। আরাঘচির দাবি, যেসব দেশে বিদেশি সামরিক ঘাঁটি ছিল না, তারা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সংঘাতের সময় সেগুলো সংশ্লিষ্ট দেশকে রক্ষার পরিবর্তে সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন ভাবনা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উপলব্ধি তৈরি হয়েছে। তার মতে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা হতে হবে সম্মিলিত ও আঞ্চলিক। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকেও যুক্ত করতে হবে। রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ভারসাম্যহীনতা রেখে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ‘ইরানকে দুর্বল ভাবার ধারণা বদলে গেছে’ যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানের পররাষ্ট্রনীতি আগের তুলনায় ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন’ হবে বলে জানান আরাঘচি। তার দাবি, যুদ্ধের আগে ইরানকে দুর্বল হিসেবে দেখার একটি ধারণা তৈরি হয়েছিল, যা আক্রমণের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে ৪০ দিনের প্রতিরোধের পর সেই ধারণা বদলে গেছে। আরাঘচির ভাষ্য, এখন ইরানকে এমন একটি শক্তিশালী ও সহনশীল দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম। ইরানের জনকূটনীতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তার দাবি, যুদ্ধের সময় ইরানের জনকূটনীতি অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে গেছে। পেজেশকিয়ানের প্রশংসা সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন আরাঘচি। ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পেজেশকিয়ান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি। আরাঘচির ভাষ্য অনুযায়ী, ১২ দিনের যুদ্ধের পর পেজেশকিয়ান শুধু সাধারণ যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না; বরং এমনভাবে যুদ্ধের অবসান চেয়েছিলেন, যাতে একই ধরনের সংঘাত আবার ফিরে না আসে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ১৫ দফা প্রস্তাব কার্যত ‘আত্মসমর্পণ দলিলের’ মতো ছিল। পরে ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক তৈরি হওয়াকে আলোচনায় ইরানের অবস্থান শক্তিশালী হওয়ার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। পেজেশকিয়ানকে সংস্কারবাদী নেতা হিসেবে বর্ণনা করলেও আরাঘচি বলেন, নীতিগত প্রশ্নে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়। ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণের প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার রয়েছে বলেও দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সবশেষে আরাঘচি বলেন, যুদ্ধের পর ইরানিরা আরও শক্তিশালী, দৃঢ় ও মর্যাদাপূর্ণ একটি পররাষ্ট্রনীতির প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবে। জাতীয় স্বার্থ, জনগণের অধিকার ও ইরানের মর্যাদা রক্ষাই এই নীতির মূল লক্ষ্য হবে। SEO Meta Title যুদ্ধের পর ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে: আরাঘচি Meta Description সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর ইরানের ভাবমূর্তি বদলে গেছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার মতে, এখন ইরানকে শক্তিশালী ও প্রতিরোধক্ষম দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। Keywords ইরান, আব্বাস আরাঘচি, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ইরান যুদ্ধ, ইরানের শক্তি, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, পারস্য উপসাগর, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, মাসুদ পেজেশকিয়ান, ইরান যুক্তরাষ্ট্র, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইরানের প্রতিরোধ, ইসলামাবাদ সমঝোতা, আন্তর্জাতিক সংবাদ Tags ইরান, আব্বাস আরাঘচি, পেজেশকিয়ান, মধ্যপ্রাচ্য, ইরান যুদ্ধ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি, যুক্তরাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সংবাদ, বিশ্ব রাজনীতি Image ALT ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি Image Caption যুদ্ধের পর ইরানকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে দাবি আব্বাস আরাঘচির Suggested URL Slug iran-seen-as-strong-country-after-war-araghchi You said: মাইক্রোবাসে তল্লাশি, উদ্ধার হলো ৬৪ হাজার পিচ ইয়াবা দুই কারবারি গ্রেপ্তার প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫২ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি মাইক্রোবাসে তল্লাশি, উদ্ধার হলো ৬৪ হাজার পিচ ইয়াবা বিপুল পরিমাণ মাদক সহ ধরা দুই কারবারি গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা, নগদ ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বিলাস বহুল মাইক্রোবাসসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তাররা হলেন- গোপালগঞ্জের উজ্জ্বল মোল্লা (৪০) ও তার সহযোগী ওয়াসিম মোল্লা (২৫)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিনগত রাত ৩টার দিকে শহরের এলজিইডি মোড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে এলজিইডি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় ডিবি পুলিশের একটি দল। এ সময় সন্দেহভাজন একটি সাদা রঙের নতুন মডেলের মাইক্রোবাস ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় সেটিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে মাইক্রোবাসে থাকা উজ্জ্বল মোল্লা ও ওয়াসিম মোল্লার কাছ থেকে প্রথমে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। পরে তাদের সঙ্গে থাকা একটি লাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। ওই লাগেজের ভেতর থেকে আরও ৫৯ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সাদা রঙের বিলাসবহুল মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তাররা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে গাড়িতে ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে টেকনাফ ও কক্সবাজার এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করতেন। পরে সেগুলো গোপালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন। গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাসানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা, নগদ টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার মাদক কারবারি উজ্জ্বল মোল্লার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১০টিরও বেশি মাদক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্ট একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ChatGPT said: মাইক্রোবাসে তল্লাশি, মিলল ৬৪ হাজার ইয়াবা: গোপালগঞ্জে দুই কারবারি গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | মুক্তমন রিপোর্টার গোপালগঞ্জে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা, নগদ ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বিলাসবহুল মাইক্রোবাস জব্দ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জের উজ্জ্বল মোল্লা (৪০) ও তার সহযোগী ওয়াসিম মোল্লা (২৫)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের এলজিইডি মোড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে এলজিইডি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এ সময় সন্দেহজনক একটি সাদা রঙের নতুন মডেলের মাইক্রোবাস সেখানে পৌঁছালে সেটিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির প্রথম পর্যায়ে মাইক্রোবাসে থাকা উজ্জ্বল মোল্লা ও ওয়াসিম মোল্লার কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা একটি লাগেজে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৫৯ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জব্দ করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে তারা গাড়িতে ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে টেকনাফ ও কক্সবাজার এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করতেন। পরে গোপালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সেগুলো সরবরাহ করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাসানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা, নগদ টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার উজ্জ্বল মোল্লার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১০টির বেশি মাদক মামলা রয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এই মাদক কারবারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালানো হচ্ছে। SEO Meta Title গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসে ৬৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ Meta Description গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা, ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও গাড়ি জব্দ করেছে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই। Keywords গোপালগঞ্জে ইয়াবা উদ্ধার, ৬৪ হাজার ইয়াবা, ইয়াবা উদ্ধার, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, গোপালগঞ্জ ডিবি পুলিশ, গোপালগঞ্জ মাদক, উজ্জ্বল মোল্লা, ওয়াসিম মোল্লা, ইয়াবা ব্যবসা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, কক্সবাজার ইয়াবা, টেকনাফ ইয়াবা, মাদক বিরোধী অভিযান Tags গোপালগঞ্জ, ইয়াবা, মাদক, মাদক কারবারি, ডিবি পুলিশ, গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা, বাংলাদেশ Image ALT গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাস থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গ্রেপ্তার দুই মাদক কারবারি Image Caption গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ Suggested URL Slug gopalganj-microbus-64000-yaba-seized-two-arrested You said: চাকরি নিলেন নায়িকা তমা মির্জা প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫০ অনলাইন ডেস্ক চাকরি নিলেন নায়িকা তমা মির্জা তমা মির্জা, সংগৃহীত ছবি। অভিনয়ের পাশাপাশি এবার ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। প্রায় তিন মাস ধরে একটি বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি-ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ব্যাংকে চাকরির পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তমা। তার ভাষায়, অভিনয়ই তার প্রথম ভালোলাগা ও ভালোবাসার জায়গা। তাই অভিনয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তার। তমা মির্জা বলেন, অভিনয় আমার প্রথম ভালো লাগা এবং ভালোবাসার জায়গা। এখানে সবসময় কাজ করে যাবো। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমার অভিনয়ের ব্যাপারে আন্তরিক। তাই অভিনয় চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা নেই। সর্বশেষ আফরান নিশোর বিপরীতে ‘সুড়ঙ্গ’ এবং ‘দাগি’ সিনেমার মাধ্যমে নজর কাড়েন তমা। তবুও সিনেমায় তার অনেক বেশি ব্যস্ততা নেই। তমা জানান, তিনি বেছে বেছে বছরে এক-দুটি সিনেমায় অভিনয় করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন পেশায় নিজেকে যুক্ত করার সুযোগকে জীবনের নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন তমা। শুধু সিনেমা নয়, ওটিটিতেও তমার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক। তার অভিনীত জানোয়ার, খাঁচার ভিতর অচিন পাখি, ফ্রাইডে কনটেন্টগুলো আলোচিত। তমা মির্জা বলেন, ‘আমি খুব বেছে বেছে বছরে দুই-একটি সিনেমা করি। জীবনের বাকিটা অন্য কিছুতে এক্সপ্লোর করতে পারার এই সুযোগটা দারুণ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চাই।’ শিগগির তমা মির্জা শুরু করবেন ভিকি জাহেদের পরিচালনায় নতুন ছবি ‘খলনায়ক’। এতে তার বিপরীতে থাকবেন আফরান নিশো। ChatGPT said: অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাংকে চাকরি নিলেন তমা মির্জা মুক্তমন রিপোর্টার অভিনয়ের জগতের পাশাপাশি এবার ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। প্রায় তিন মাস ধরে একটি বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি—ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তবে নতুন পেশায় যুক্ত হলেও অভিনয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তমার। বরং ব্যাংকের চাকরির পাশাপাশি নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যেতে চান এই অভিনেত্রী। তমা মির্জা বলেন, “অভিনয় আমার প্রথম ভালো লাগা এবং ভালোবাসার জায়গা। এখানে সবসময় কাজ করে যাব। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমার অভিনয়ের ব্যাপারে আন্তরিক। তাই অভিনয় চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা নেই।” সিনেমায় বর্তমানে তুলনামূলক কম ব্যস্ত তমা। সর্বশেষ আফরান নিশোর বিপরীতে ‘সুড়ঙ্গ’ ও ‘দাগি’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। অভিনেত্রী জানান, তিনি বেছে বেছে বছরে এক-দুটি সিনেমায় কাজ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন পেশায় যুক্ত হওয়ার সুযোগকে জীবনের নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন। তমার ভাষায়, “আমি খুব বেছে বেছে বছরে দুই-একটি সিনেমা করি। জীবনের বাকিটা অন্য কিছুতে এক্সপ্লোর করতে পারার এই সুযোগটা দারুণ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চাই।” শুধু বড় পর্দায় নয়, ওটিটিতেও নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকের প্রশংসা পেয়েছেন তমা মির্জা। তার অভিনীত ‘জানোয়ার’, ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ ও ‘ফ্রাইডে’ আলোচিত হয়েছে। এদিকে শিগগিরই নতুন সিনেমার কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন তমা। ভিকি জাহেদের পরিচালনায় ‘খলনায়ক’ সিনেমায় তাকে আবারও আফরান নিশোর বিপরীতে দেখা যাবে। SEO Meta Title ব্যাংকে চাকরি নিলেন অভিনেত্রী তমা মির্জা, চলবে অভিনয়ও Meta Description অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। বেসরকারি ব্যাংকে এভিপি পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাবেন তিনি। Keywords তমা মির্জা, তমা মির্জার চাকরি, তমা মির্জা ব্যাংকে চাকরি, অভিনেত্রী তমা মির্জা, তমা মির্জা নতুন পেশা, তমা মির্জা অভিনয়, আফরান নিশো, খলনায়ক সিনেমা, ভিকি জাহেদ, সুড়ঙ্গ, দাগি, বাংলাদেশি অভিনেত্রী, ঢালিউড Tags তমা মির্জা, বিনোদন, ঢালিউড, সিনেমা, ব্যাংক চাকরি, অভিনেত্রী, আফরান নিশো, খলনায়ক, ভিকি জাহেদ, ওটিটি Image ALT ব্যাংকের চাকরিতে যুক্ত হওয়া অভিনেত্রী তমা মির্জা Image Caption অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হয়েছেন তমা মির্জা Suggested URL Slug actress-toma-mirza-joins-bank-job You said: ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন ডা. দীপু মনি আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫৬ অনলাইন ডেস্ক ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন ডা. দীপু মনি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে প্যারোলে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোল দেওয়া হয়েছে তাকে। দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে তার প্যারোল আবেদন মেয়ে তানি দিপাবলি নেওয়াজ। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মা দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে ভেতরে প্রবেশ করেন তানি। কারাগার থেকে বেরিয়ে প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে দুপুর পৌনে ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে আবেদন জমা দিলে ১২ ঘণ্টার প্যারোল দেওয়া হয়। জানা গেছে, দীপু মনির চার দিনের প্যারোল মুক্তি চাওয়া হয়ে। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই মন্ত্রী। উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ChatGPT said: স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি মুক্তমন রিপোর্টার সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেত্রী ডা. দীপু মনিকে স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি প্যারোলে মুক্ত থাকবেন। দীপু মনির প্যারোলের জন্য আবেদন করেন তার মেয়ে তানি দিপাবলি নেওয়াজ। বুধবার দুপুরে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে তিনি কারাগারে যান। পরে দুপুর পৌনে ২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে প্যারোলের আবেদন জমা দেন। আবেদনটি অনুমোদনের পর ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করা হয়। জানা গেছে, দীপু মনির পক্ষ থেকে চার দিনের প্যারোলের আবেদন করা হয়েছিল। তবে কর্তৃপক্ষ তাকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দিয়েছে। বর্তমানে দীপু মনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তার স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। দীপু মনি সমাজকল্যাণ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী এবং সাবেক সংসদ সদস্য। SEO Meta Title স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি Meta Description স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে সাবেক মন্ত্রী দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি মুক্ত থাকবেন। Keywords দীপু মনি, দীপু মনির প্যারোল, ১২ ঘণ্টার প্যারোল, দীপু মনি মুক্তি, তৌফিক নেওয়াজ, দীপু মনির স্বামী, মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার, দীপু মনি খবর, আওয়ামী লীগ, সাবেক মন্ত্রী, প্যারোলে মুক্তি, তানি দিপাবলি নেওয়াজ Tags দীপু মনি, প্যারোল, তৌফিক নেওয়াজ, আওয়ামী লীগ, সাবেক মন্ত্রী, মুন্সীগঞ্জ, জাতীয় সংবাদ, বাংলাদেশ রাজনীতি Image ALT ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি Image Caption স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোল পেয়েছেন দীপু মনি Suggested URL Slug dipu-moni-parole-12-hours-husband-death You said: মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই নতুন মুখ প্রকাশ: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৬:০২ অনলাইন ডেস্ক মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই নতুন মুখ প্রতীকী ছবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় আপাতত বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে সংযুক্ত হচ্ছেন আরও নতুন দুই মুখ। মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হওয়া নিয়ে আরও বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও এই ধাপে বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার কিংবা রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদের নতুন এ দুই সদস্য আগামী ২২ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের পর তাঁর কাছ থেকে শপথ নেবেন। কারণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তিন কার্যদিবসের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই অর্থে ২২ আগস্টের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি শপথ নিতে পারেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করা হবে। শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার আলোচনা কয়েক দিন ধরেই চলছে। আরও পড়ুন ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ? ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ? ১৮ আগস্ট, ২০২৬ নতুন রাষ্ট্রপতি তাঁদের শপথ পড়াবেন। আগামী বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকায় পরদিন ২১ আগস্ট শুক্রবার শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। এ ছাড়া ২২ আগস্টও ছুটির দিন রয়েছে। সেই লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সাচিং প্রু জেরীকে আনার বিষয়টি পার্বত্য এলাকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বান্দরবান থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়ন ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ১ জুন তিনি পদত্যাগ করেন। প্রায় দুই মাসের মাথায় নতুন মন্ত্রী পেতে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে আছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন মীর হেলাল। এ ছাড়া গাইবান্ধা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এক লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আরও পড়ুন যেদিন বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পে স্কেল যেদিন বাস্তবায়ন হচ্ছে নতুন পে স্কেল ১৮ আগস্ট, ২০২৬ সব মিলিয়ে নতুন করে দুই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার মধ্য দিয়ে সরকারের মন্ত্রিসভায় আরেক দফা পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। এখন দেখার বিষয় বৃহস্পতিবারই তাঁদের নিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, নাকি শপথগ্রহণের জন্য ২০ কিংবা ২১ আগস্ট চূড়ান্ত করা হয়। মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য গণমাধ্যমকে জানান, দুজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা হচ্ছে। তাঁদের নাম ও মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করা আছে। আগামী ২০ আগস্ট ঘোষণা করা হবে। তাঁরা নতুন রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে শপথ নেবেন। জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব বলতে পারবেন।’ জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।’ উল্লেখ্য, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা ৫০। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে। মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার। এদিকে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি চলছে। তবে শপথ অনুষ্ঠান কবে হবে তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলীয় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মানোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাইয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মো. সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির শপথের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি নেওয়া আছে। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের পর কোন দিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে সে বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।’ শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সহকারী প্রেসসচিব এস এম রাহাত হাসনাত কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনে প্রস্তুতি চলছে।’ সূত্র: কালের কণ্ঠ ChatGPT said: মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই নতুন মুখ, দায়িত্বে আসছেন সাচিং প্রু জেরী ও শামীম কায়সার মুক্তমন রিপোর্টার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও নতুন করে আরও দুই সংসদ সদস্যকে যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সূত্র জানায়, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের পর এই দুই সংসদ সদস্য তাঁর কাছ থেকে শপথ নেবেন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বান্দরবান থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ১ জুন তিনি পদত্যাগ করেন। প্রায় দুই মাস পর মন্ত্রণালয়টিতে নতুন মন্ত্রী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ে আসছেন শামীম কায়সার গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। তিনি ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা কয়েক দিন ধরেই চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী গণমাধ্যমকে বলেছেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিবের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। মন্ত্রিসভায় সদস্য ৫০ বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ৫০ জন। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। দুই নতুন সদস্য যুক্ত হলে মন্ত্রিসভায় আবারও পরিবর্তন আসবে। তবে তাঁদের নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে দেওয়া হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। সূত্র: কালের কণ্ঠ SEO Meta Title মন্ত্রিসভায় আসছেন আরও দুই নতুন মুখ, দায়িত্ব পাচ্ছেন সাচিং প্রু জেরী ও শামীম কায়সার Meta Description প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই সংসদ সদস্য। সাচিং প্রু জেরী পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। Keywords মন্ত্রিসভা, তারেক রহমান, সাচিং প্রু জেরী, শামীম কায়সার লিংকন, নতুন মন্ত্রী, নতুন প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ সরকার, মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন, বিএনপি সরকার, বান্দরবান এমপি, গাইবান্ধা-৪, জাতীয় সংসদ Tags মন্ত্রিসভা, তারেক রহমান, সাচিং প্রু জেরী, শামীম কায়সার, বিএনপি, বাংলাদেশ সরকার, নতুন মন্ত্রী, নতুন প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় রাজনীতি Image ALT

মুক্তমন রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও নতুন করে আরও দুই সংসদ সদস্যকে যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সূত্র জানায়, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের পর এই দুই সংসদ সদস্য তাঁর কাছ থেকে শপথ নেবেন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বান্দরবান থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ১ জুন তিনি পদত্যাগ করেন। প্রায় দুই মাস পর মন্ত্রণালয়টিতে নতুন মন্ত্রী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। তিনি ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

তাকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা কয়েক দিন ধরেই চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তবে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী গণমাধ্যমকে বলেছেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই।

অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিবের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ৫০ জন। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন।

দুই নতুন সদস্য যুক্ত হলে মন্ত্রিসভায় আবারও পরিবর্তন আসবে। তবে তাঁদের নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে দেওয়া হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।