গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসে ৬৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাস থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গ্রেপ্তার দুই মাদক কারবারি
গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাস থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গ্রেপ্তার দুই মাদক কারবারি

মুক্তমন রিপোর্টার : গোপালগঞ্জে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬৪ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা, নগদ ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বিলাসবহুল মাইক্রোবাস জব্দ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জের উজ্জ্বল মোল্লা (৪০) ও তার সহযোগী ওয়াসিম মোল্লা (২৫)

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের এলজিইডি মোড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে এলজিইডি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এ সময় সন্দেহজনক একটি সাদা রঙের নতুন মডেলের মাইক্রোবাস সেখানে পৌঁছালে সেটিতে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশির প্রথম পর্যায়ে মাইক্রোবাসে থাকা উজ্জ্বল মোল্লা ও ওয়াসিম মোল্লার কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা একটি লাগেজে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৫৯ হাজার ১২৩ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে তারা গাড়িতে ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে টেকনাফ ও কক্সবাজার এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করতেন। পরে গোপালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সেগুলো সরবরাহ করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাসানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা, নগদ টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার উজ্জ্বল মোল্লার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১০টির বেশি মাদক মামলা রয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এই মাদক কারবারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।