মুক্তমন রিপোর্ট : দেশের খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ সংরক্ষণ এবং প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার কার্যক্রম চলছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শরীয়তপুরের সখিপুরের হাবিব উল্যাহ ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত হাবিব উল্যা চোকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, ভলিবল, টেনিসসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন হচ্ছে। এসব আয়োজনে বিপুল দর্শকের উপস্থিতি প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি এখনো ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি জানান, দেশে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ সংরক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজধানী কিংবা বড় শহরের পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণদেরও জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসার সুযোগ দিতে হবে। তৃণমূল থেকেই নতুন খেলোয়াড় তৈরি করতে হবে।
যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, তরুণদের খেলাধুলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এর মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ ও সাঈদ আহমেদ আসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।