মুক্তমন রিপোর্ট : বাংলাদেশে প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালনের পর ঢাকা ছাড়ছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিদায় উপলক্ষে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভূমিকার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য দৃশ্যমানতা পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের দায়িত্বকালেই বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক একটি ‘অংশীদারিত্বমূলক সম্প্রদায়’-এর পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। এ সময়ে প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ ব্যবস্থাসহ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকে সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন ইয়াও ওয়েন। তিনি প্রায় তিন বছর নয় মাস বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান চীনা রাষ্ট্রদূত। এ অর্জনকে বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে চলতি বছরের শেষ দিকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে আগ্রহের কথাও জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত জানান, ওই চীনা কর্মকর্তার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি পারিবারিক যোগসূত্র রয়েছে। তার বাবা অতীতে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের ভবিষ্যৎ কর্মস্থলের জন্য সাফল্য কামনা করেন তিনি।
Muktomon/TA