চরফ্যাশনে শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

 চরফ্যাশন প্রেস ক্লাবে শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
চরফ্যাশন প্রেস ক্লাবে শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

​মীর সাজু : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও স্থানীয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ ই সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার সন্ধ্যা সাতটার সময় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। স্থান চরফ্যাশন প্রেস ক্লাব। উক্ত সম্মেলনে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।


​সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ‘দৈনিক যুগান্তর’সহ কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (স্যার)-এর বিরুদ্ধে ‘কমিশন বাণিজ্য’ এবং ‘ফাইল আটকে রেখে হয়রানি’র যে দাবি তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ষড়যন্ত্রমূলক এবং কাল্পনিক।
​সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, একটি বিশেষ মহলের স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় শিক্ষা কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই ধরনের ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে শিক্ষা অফিসে সকল প্রশাসনিক কাজ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পন্ন হচ্ছে। কোন ফাইল আটকে রাখা কিংবা অনিয়মের সাথে শিক্ষা কর্মকর্তা বা শিক্ষকরা জড়িত নন।


​বক্তারা অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে সত্য ঘটনা উদঘাটন এবং এই ধরনের কাল্পনিক সংবাদের অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করা হয়।


ফ্যাসিস্ট আমলের অসৎ শিক্ষকগণের তালিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো:-
১/আব্দুল হাই,প্রধান শিক্ষক,৮৫ নংআ মধ্য উত্তর মাদ্রাজ প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরফ্যাশন ভোলা।২/আব্দুল হাই, প্রধান শিক্ষক,(চঃদঃ) ৬৯ নং মধ্য উত্তর ফ্যাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চরফ্যাশন ভোলা।
৩/শফিকুল ইসলাম বাবুল গং প্রধান শিক্ষক, (চঃদঃ)৫৩ নং গফুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চরফ্যাশন ভোলা।
ফ্যাসিস্ট আমলের অসৎ শিক্ষকগণের তদবীরের কিছু তথা তথ্যউপাত্ত নিম্নে তুলে ধরা হলো।
০১/পদোন্নতির কাজে ভালো ইস্কুল পাইয়ে দিবে বলে অর্থ আদায়। 
০২/বদলি বাণিজ্য ৫০০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেয়। 
০৩/ SLIP ও NEED BASE এর কথা অফিসের নাম ভাঙ্গিয়ে দুই থেকে তিন হাজার টাকা করে নেয়।
০৪/ URC তে প্রশিক্ষণ প্রতি বেঁচে পাঁচ হাজার টাকা করে নেয়। 
০৫/ ক্ষুদ্র মেরামতের কাজের জন্য অফিসের কথা বলে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নেয়। 
০৬/ বিভিন্ন নিরীহ শিক্ষকের নামে অভিযোগ দিয়ে তদন্তের নাম বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।


চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আমরা শিক্ষকগণ অবিলম্বে এই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচার থেকে বিরত  থাকার জন্য সকলের প্রতি জোড় অনুরোধ করছি। অন্যথায় শিক্ষক সমাজ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

ভোলা প্রতিনিধি

Muktomon/TA