মঈনউদ্দিন মনি :
হে মহান স্রষ্টা দয়াময় মাওলা,
আপনার কুদরতে সাজানো অপরূপ লীলা।
তোমার প্রিয়তম হাবীবের উসিলায়, হে পরওয়ারদিগার,
এত সুন্দর ধরণি দিলেন- দিলেন কী অপরূপ উপহার!
নীল আকাশের বুকে যখন সাদা মেঘেরা ভাসে,
সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে সোনালী রোদ হাসে।
সাগরের বুক চিরে সূর্য উঠে_রাঙায় সারা বেলা,
পাখির গানে হৃদয় ভরে—কী মধুর এই খেলা!
পাহাড়, সাগর, বন-বনানী, ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ,
চাঁদের আলো, তারার মেলা—জুড়িয়ে দেয় প্রাণ। যতই দেখি, ততই যেন দেখার সাধ বাড়ে,
আপনার প্রেমে মনটা আমার অজানাতে-ই উড়ে।
নীরব নদীর কলতানে কত কথা হয় !
ফোটা ফুলের সুগন্ধিতে প্রেমের ছোঁয়া বয়।
ফোটা ফোঁটা শিশির মাঝে রহমতেরই দোলা,
গুনগুনিয়ে মৌমাছিরা বলে ইয়া রাসুলুল্লাহ।
যা দিয়েছেন, তা-ই তো প্রভু, ভাবনারও অতীত, আপনার দয়ার সাগর যেন অনন্ত অসীম।
কোন সে নূরের জগৎ রেখেছেন, কোন সে শান্তির দ্বার,
আর কী অপরূপ পুরস্কার রেখেছেন, দয়াময় পরওয়ারদিগার!
জানিনা এখনো মাওলা আমার, কত অজানা দান,
কী অপরূপ সৌন্দর্যে ভরবে আখিরাতের প্রাণ। দুনিয়ার এই রূপ যদি হয় আপনার দানের কণা, জান্নাতের সেই সৌন্দর্য কেমন—ভাবনার নেই সীমানা!
পরম স্রষ্টা, আপনার রহমতে রাখুন মোদের ঘিরে,
প্রিয়নবীর প্রাণাধিক প্রেম, দিন হৃদয়জুড়ে।
ঈমান নিয়ে জীবন কাটুক, ঈমান নিয়ে মরণ,
আপনি ও আপনার হাবীবের সন্তুষ্টি হোক জীবনের সর্বোচ্চ স্মরণ।
হে দয়াময়, হে রহমান, হে প্রাণের মাওলা,
আপনি ছাড়া কে আছে মোর তরানেওয়ালা।
সৃষ্টি উৎস আপনারি নূর আমার প্রাণাধিক প্রিয়,
যার উসিলায় এই তরী খান পারে লাগায়ো।
প্রাণাধিক প্রিয়নবীর উসিলায় একি করিলেন দান।
যার আলোতে ধন্য হল আমাদের মনপ্রাণ।
সুবহানাল্লাহ ওয়া রাসুলিহিল করিম শুকরিয়া হাজার কোটি,
আপনি হলেন স্রষ্টা আমার প্রিয়নবী জীবন-জিন্দেগীর খুটি।
রচনায় / কলমে
এস এম আবদুল বারেক
লেখক, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক ও
প্রোপাইটর হাজেরী হজ্ব কাফেলা এবং
আউলাদে পাকঃ পীরে কামেল হাজত রওয়া হজরত শাহাসুফি রুহুল আহম্মদ শাহা রহঃ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
Muktomon/TA