ফরিদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা পরিদর্শনে পাবনার জেলা প্রশাসক

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার একটি দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
পাবনার ফরিদপুর উপজেলার একটি দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

 আরিফুল ইসলাম : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক বিভিন্ন কালিমাতা ও দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল ইমরান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. তাজিনুর ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফরিদপুর উপজেলার ১৮টি পূজামণ্ডপে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার ব্যাটালিয়নের কুইক রেসপন্স টিমও (কিউআরটি) প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বাহিনীর ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁরা দায়িত্বে থাকা আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

নিরাপত্তা তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ফরিদপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মুক্তমন রিপোর্ট : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক বিভিন্ন কালিমাতা ও দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল ইমরান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. তাজিনুর ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফরিদপুর উপজেলার ১৮টি পূজামণ্ডপে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার ব্যাটালিয়নের কুইক রেসপন্স টিমও (কিউআরটি) প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বাহিনীর ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁরা দায়িত্বে থাকা আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

নিরাপত্তা তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ফরিদপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক বিভিন্ন কালিমাতা ও দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল ইমরান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. তাজিনুর ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফরিদপুর উপজেলার ১৮টি পূজামণ্ডপে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার ব্যাটালিয়নের কুইক রেসপন্স টিমও (কিউআরটি) প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বাহিনীর ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁরা দায়িত্বে থাকা আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

নিরাপত্তা তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ফরিদপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক বিভিন্ন কালিমাতা ও দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল ইমরান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. তাজিনুর ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফরিদপুর উপজেলার ১৮টি পূজামণ্ডপে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার ব্যাটালিয়নের কুইক রেসপন্স টিমও (কিউআরটি) প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বাহিনীর ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁরা দায়িত্বে থাকা আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

নিরাপত্তা তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ফরিদপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক বিভিন্ন কালিমাতা ও দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল ইমরান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. তাজিনুর ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফরিদপুর উপজেলার ১৮টি পূজামণ্ডপে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার ব্যাটালিয়নের কুইক রেসপন্স টিমও (কিউআরটি) প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বাহিনীর ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁরা দায়িত্বে থাকা আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

নিরাপত্তা তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ফরিদপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়গুলো তদারকি করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক বিভিন্ন কালিমাতা ও দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল ইমরান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. তাজিনুর ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফরিদপুর উপজেলার ১৮টি পূজামণ্ডপে আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার ব্যাটালিয়নের কুইক রেসপন্স টিমও (কিউআরটি) প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বাহিনীর ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁরা দায়িত্বে থাকা আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

নিরাপত্তা তদারকি, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ফরিদপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাবনা জেলা প্রতিনিধি

Muktomon/TA