অবশেষে এক্সিলারেটরের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু

অবশেষে এক্সিলারেটরের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু

মুক্তমন রিপোর্ট : কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বা এলএনজি টার্মিনাল থেকে তিন দিন বন্ধ থাকার পর আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্র জানায়, শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে টার্মিনালটি পুনরায় চালু হয়। বর্তমানে সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহের ফলে এলএনজিভিত্তিক মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। মধ্যরাতের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, একটি এলএনজি কার্গো আগামীকাল রোববার (২৩ আগস্ট) টার্মিনালে পৌঁছানোর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই সেটি পৌঁছে যায়। ফলে শনিবার থেকেই টার্মিনালটি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, শনিবার দুপুর ২টার দিকে এলএনজিভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। নতুন এলএনজি কার্গো পৌঁছানোর পর সরবরাহ বাড়তে শুরু করে এবং বর্তমানে তা প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

বর্তমানে মোট এলএনজি সরবরাহের মধ্যে সামিট প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। একই সময়ে দেশে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে।

আব্দুল মান্নান বলেন, গ্যাস সরবরাহ নির্ভরযোগ্য পর্যায়ে রাখতে আরও এলএনজি কার্গো আনার জন্য কাজ চলছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালটি গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে টার্মিনালটি পুনরায় এলএনজি সরবরাহ শুরু করলেও ১৯ আগস্ট থেকে নতুন এলএনজি কার্গোর মজুত না থাকায় আবারও এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

নতুন কার্গো নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছানোর পর শনিবার টার্মিনালটি পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।