মাদার্স রেভোলিউশনে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ সরকার গঠনের আশাবাদ আরিফুল ইসলামের

WhatsApp Image 2026-02-05 at 23.17.11(1)
WhatsApp Image 2026-02-05 at 23.17.11(1)

মুক্তমন রিপোর্ট : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘মাদার্স রেভোলিউশনের’ মাধ্যমে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ সরকার গঠন করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকা-১৮ আসনে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলের ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ জোটের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচটায় উত্তরার তুরাগ এলাকার নলভোগ ঈদগাহ মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আরিফুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশের মায়েরা নীরবে ও নিভৃতে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রেখে সন্তান লালন-পালনের পাশাপাশি সংগঠনের বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মায়েরা একটি নীরব গণতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটাবেন এবং তাদের হাত ধরেই ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ সরকার গঠিত হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানে তাদের মায়েদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে শেরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীরা আহত ও নিহত হচ্ছেন। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও নির্বাচন পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে এবং ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’-এর পক্ষে জনগণ রায় দেবে ইনশাআল্লাহ।

আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে মানুষ একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে—যেখানে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হবে, মায়েদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও বিদেশি আধিপত্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, মায়েদের প্রচারণায় যত বেশি বাধা দেওয়া হবে, ততই তারা আরও বেশি প্রেরণা নিয়ে মাঠে নামবেন। মা-বোনদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজনে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৮ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক প্রার্থী অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, তুরাগ মধ্য থানার আমীর গাজী মনির হোসাইন, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট সুরুজ্জামান, মহিলা শাখার সভানেত্রী জয়নব বেগম ও কেন্দ্রীয় নেত্রী আমেনা বেগম।

সমাবেশ শেষে তুরাগ মধ্য থানার মহিলা শাখার উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে সন্ধ্যায় উত্তরখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজিত উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে জনসমর্থন আহ্বান ও শহীদ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার দাবি করা হয়।