মুক্তমন রিপোর্ট : ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইন্ডিয়া’। রোববার (১ নভেম্বর) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিরোধী নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীদের কর্মসূচির পাল্টা মিছিল করছে ক্ষমতাসীন বিজেপি।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমাবেশে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, দলটির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভন্ত রেড্ডি, তেজস্বী যাদব ও অখিলেশ যাদবসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
বিরোধী জোটের অভিযোগ, নির্বাচনে বিজেপিকে সুবিধা দিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ভোটের আগে কোটি কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। এ অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগ দাবি করে আসছে জোটটি। এ দাবিতে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিরও ডাক দিয়েছে তারা।
তবে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগে সোচ্চার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টি আজকের সমাবেশে অংশ নিচ্ছে না। দলটির প্রধান অভিজিৎ দীপ জানিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখতে চান। তাই কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে সরাসরি আন্দোলনে যোগ দেবেন না। এর আগে শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে আগের আন্দোলনে সমর্থন জানানোর জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান অভিজিৎ।
বিরোধীদের সমাবেশ ও বিজেপির পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে রামলীলা ময়দানের আশপাশে দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় চার হাজার পুলিশ সদস্য।
এ ছাড়া যন্তরমন্তর, কনট প্লেস, সুপ্রিম কোর্টের কাছের ভগবান দাস রোড এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের আশপাশে বসানো হয়েছে ব্যারিকেড।
এদিকে, কয়েক দিন পর দীপাবলি উৎসব। উৎসবকে সামনে রেখে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন দিল্লির ব্যবসায়ীরা। তবে রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
সূত্র : এনডিটিভি
Muktomon/TA