মুক্তমন রিপোর্ট : জটিল রোগের সঠিক নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাশিক্ষার অগ্রগতি এবং রোগীসেবার মানোন্নয়নে ইন্টারনাল মেডিসিনের গুরুত্ব তুলে ধরে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন (বিএসএম) ও এসিপি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের উদ্যোগে ‘ইন্টারনাল মেডিসিন ডে-২০২৬’ উপলক্ষে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সেমিনারের বৈজ্ঞানিক সহযোগী ছিল অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেড।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। জটিল রোগের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের ধারাবাহিক জ্ঞানচর্চা, বৈজ্ঞানিক মতবিনিময় এবং পেশাগত সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। আধুনিক চিকিৎসাচর্চার অগ্রগতিতে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়ের কোনো বিকল্প নেই বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ফারুক আহম্মদ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. টি. এম. এ. রুস্তম এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. শাহীন রেজা।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের কনভেনার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের মেম্বার সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকারিয়া আল-আজিজ।
বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মনজুরুল হক। তাঁর প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল ‘Internal Medicine Physicians: Experts in Complexity, Vital to Patient Care’। এ ছাড়া সেপসিসের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কেসভিত্তিক আলোচনা উপস্থাপন করেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাকিবুল ইসলাম মোল্লা।
সেমিনারে অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল আধুনিক চিকিৎসাচর্চা, জটিল রোগের ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।
আয়োজকেরা মনে করেন, এ ধরনের বৈজ্ঞানিক আয়োজন চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।
Muktomon/TA